
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি পদে রদবদল হয়েছে। রদবদলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক হচ্ছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী। মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে তাঁকে সেনা সদর থেকে ডিজিএফআইয়ের ডিজি পদে পাঠানো হয়েছে।

র্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়ার পর ডিজিএফআই টিকে থাকার বৈধতা হারিয়েছে।’

সোহেল পাঁচ মাস আগে মঠবাড়িয়ার গুলিশাখালী গ্রামের মৃত সেলিম হাওলাদারের মেয়ে ফারজানা আক্তারকে (২৩) সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন। তিনি সেনাবাহিনীর লোগো লাগানো একটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করে এলাকায় নিজেকে মেজর আবার কখনো ডিজিএফআই অফিসার পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করতেন। এ ছাড়া তিনি একই পরিচয় দিয়ে

সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হকের নামে অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া চারটি ব্যাংক হিসাব তাঁর নয় বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি বলছে এটি তাদের ‘করণিক ত্রুটি’।