
আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কাল বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্যটা খুব সহজ ছিল। ৩০০ বলে ১৯১ রান করলেই তারা জিতে যায়। এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে তারা যদি এক রান, দুই রান করেও নিত, কোনো লফটেড শট না খেলত, তাহলে কিন্তু তারা খুব সহজে জিতে নিত ম্যাচটি। কিন্তু তাদের ভেতরে কেন যেন অহেতুক তাড়াহুড়ো লক্ষ করলাম। তারা চার-ছক্কা মারার চেষ্টা করেছে। এসবের দরকার ছিল না।
এ কারণে শেষ পর্যন্ত ৮১ রানে হেরে গেল বাংলাদেশ। এমন হার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা কোনোভাবেই মানতে পারছি না। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার তো মনে হয়, ভারতের মেয়েদের কাছেও বাংলাদেশ পুরুষ দল হেরে যাবে! আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে যেভাবে খেলল, সেটা দেখে এমনই মনে হয়েছে আর কি। এই মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের ৩০০ বলে ১৯১ রান দরকার ছিল। সেখানে রশিদ খান ১৭ রানে ৫ উইকেট নিয়েছে। রশিদ খান বাংলাদেশের শেষ চার ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন। টপ অর্ডার ব্যাটাররাই যেখানে হতাশ করেছেন, সেখানে লোয়ার অর্ডারদের কাছে তো ভালো কিছু আশা করতে পারি না।
রশিদ কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাছে নতুন কেউ নয়। তিনি এর আগে বিপিএলে অনেক ম্যাচ খেলেছে। আমরা যদি রশিদ খানের খুব সাবধানে খেলে তাঁর ১০ ওভার থেকে কোনো রান না-ও করতাম, তা-ও ২৪০ বল ছিল আমাদের হাতে। এই সমীকরণেও অনায়াসে ম্যাচটা জেতা যেত। আমার কেন যেন মনে হয়েছে বাংলাদেশ আসলে জয়ের আগ্রহটাই হারিয়ে ফেলেছে! এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমার মনে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে যে কীভাবে ওয়ানডে ম্যাচ জেতা যায়। আবুধাবিতে ১৯০ রান—এটা ওই ভেন্যুতে প্রথম ইনিংসে কোনো দলের সর্বনিম্ন স্কোর ছিল। এরপরও বাংলাদেশ ৮১ রানে হেরেছে। এমন পরিস্থিতিতে দল পুনর্গঠন করতে হবে। কোচকে আরও ট্যাকটিসিয়ান হতে হবে। কোচের বলে দেওয়া উচিত ছিল যে ব্যাটাররা যেন এক-দুই রান করে নেয়।
লেখক: অভিনেতা ও সাবেক ক্রীড়া সাংবাদিক

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের হয়ে রাজকীয় অভিষেক হলো বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের। ব্ল্যাকপুলে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে বল হাতে আগুন ঝরিয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই কেন্টকে ১৪০ রানের বিশাল জয় এনে দিয়েছেন তিনি। পুরো ম্যাচে ১০১ রান খরচায় হাসান একাই শিকার করেছেন ৯ উইকেট, যা তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে
২০ মিনিট আগে
চলতি শতাব্দীতে জার্মানির বাইরে কেবল দুটি দল বিশ্বমঞ্চে এক ম্যাচে সাত বা তার বেশি গোল দেওয়ার স্বাদ পেয়েছে—২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল (৭-০) এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেন (৭-০)।
৪১ মিনিট আগে
মাঠে বল গড়ানোর আগে দুই কোচের বয়সের বিশাল ব্যবধান নিয়ে আলোচনা হয়েছিল ঢের। তবে মাঠের লড়াই শুরু হতেই জার্মানি ও কুরাসাওয়ের মধ্যকার ফুটবলীয় দূরত্বের ব্যবধানটাই ফুটে উঠল স্পষ্ট। ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে বিধ্বংসী সূচনা করেছে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল।
২ ঘণ্টা আগে
কুরাসাও হয়তো মানচিত্রে ছোট, কিন্তু কোমেনেনসিয়ার হাত ধরে তাদের ফুটবলের আকাশটা আজ সীমানাহীন। জার্মানির কাছে ম্যাচটিতে হয়তো শেষ পর্যন্ত তারা হারতে পারে, কিন্তু প্রথমবার বিশ্বকাপে নেমেই গোলের যে অনাবিল আনন্দে ভাসল দ্বীপরাষ্ট্রটি, তার জন্য যে ভাগ্যের ছোঁয়া লাগে—সেই ভাগ্যটা নিজের সাহসের জোরেই ঠিকঠাক কাজে
২ ঘণ্টা আগে