বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশাপাশি লামিনে ইয়ামাল, রাফিনিয়ার মতো তরুণদের ওপর বাজি ধরছেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বমঞ্চে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার একটা আক্ষেপ অবশ্য রয়েছে তাঁর মনে। তবে সেই আক্ষেপ ভুলে ভবিষ্যতে কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে যাওয়ার লালিত স্বপ্ন বুকে নিয়ে এবার মাঠে বসে খেলা দেখতে আমেরিকা যাচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনোয়ার সোহাগ

প্রশ্ন: এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে আপনার সামগ্রিক ভাবনাটা কী? কেমন দেখছেন দলগুলোকে?
জামাল ভূঁইয়া: বিশ্বকাপ নিয়ে যদি বলি; আমি মনে করি, এবার চার থেকে পাঁচটি দলের ট্রফি জেতার ভালো সুযোগ আছে। আমার দৃষ্টিতে ব্রাজিল, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনাই মূলত এবারের আসরের ফেবারিট।
প্রশ্ন: আর্জেন্টিনা কি এবারও তাদের শিরোপা ধরে রাখতে পারবে বলে মনে করেন? এটিই তো লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ...
জামাল ভূঁইয়া: দলে মেসি থাকলে আসলে যেকোনো কিছুই সম্ভব। মেসি হয়তো আগে পিএসজিতে ছিল, আর এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলছে। কিন্তু আর্জেন্টিনা দলটির খেলার ধরনে আমি যেটা লক্ষ্য করছি; দলের বাকি সবাই আসলে মেসির জন্যই জানপ্রাণ দিয়ে খেলছে।
প্রশ্ন: ব্রাজিলের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন? তারা তো বেশ কিছুদিন ধরে একটা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
জামাল ভূঁইয়া: ব্রাজিল তো সব সময়ই বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ পাঁচ বা ছয়ের মধ্যে থাকবে। অবশ্য গত কয়েকটি বিশ্বকাপে আমরা দেখেছি যে ব্রাজিল তাদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি, ভালো পারফর্ম করতে পারছে না। তবে এবার ব্রাজিলের পুরো জাতি চাইছে দল যেন ভালো কিছু করে। নেইমার যদি শেষ পর্যন্ত একাদশে থাকে, তবে আমার মনে হয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে।

প্রশ্ন: ফ্রান্স দলটিকে কেমন দেখছেন?
জামাল ভূঁইয়া: আপনি যদি ফ্রান্স দলের দিকে তাকান, ওদের এ টিম, বি টিম, সি টিম—সব দলেই দুর্দান্ত খেলোয়াড় আছে। ওদের দলে রায়ান চেরকির মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়ও আছে। বিশেষ করে ওদের আক্রমণভাগ বা স্ট্রাইকিং জোন এতটাই শক্তিশালী যে আমার মতে ওরাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী দল।
প্রশ্ন: তরুণ ও অভিজ্ঞদের মধ্যে এই বিশ্বকাপে কার ওপর বেশি চোখ থাকবে? কে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়বে বলে মনে করেন?
জামাল ভূঁইয়া: তরুণদের মধ্যে স্পেনের লামিনে ইয়ামাল চোটে পড়লেও আমার বিশ্বাস সে সঠিক সময়ের মধ্যে ফিট হয়ে যাবে। এ ছাড়া যদি রাফিনিয়াকে ঠিকমতো ছন্দে পাই, তাহলে আমি বলব রাফিনিয়া অথবা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দারুণ কিছু করবে। লিওনেল মেসি তো অবশ্যই আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকবে। পাশাপাশি আন্ডারডগ বা আড়ালে থাকা শক্তি হিসেবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কথা বলতেই হবে। মানুষ মনে করছে রোনালদোর বয়স এখন ৪০ বা ৪১ চলছে, সে হয়তো ভালো পারফর্ম করতে পারবে না। কিন্তু সে তো সব সময়ই গোল করে। তাই পর্তুগালও ভালো করতে পারে।
প্রশ্ন: আপনার জন্মস্থান ডেনমার্ক এবার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারল না; এটি নিয়ে কি কোনো হতাশা কাজ করছে?
জামাল ভূঁইয়া: হ্যাঁ, দুর্ভাগ্যবশত ডেনমার্ক তাদের ফাইনাল কোয়ালিফাইং ম্যাচটি জিততে পারেনি। ওরা পেনাল্টি টাইব্রেকারে হেরে গেছে। তাই দুর্ভাগ্যবশত ওরা এবার বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারছে না। এটি আমার জন্য বেশ দুঃখের এবং খুবই খারাপ লাগার মতো একটা বিষয়।
প্রশ্ন: ছোটবেলায় আপনার বিশ্বকাপের সময়টা কেমন কাটত?
জামাল ভূঁইয়া: ছোটবেলায় ১৯৯৮ আর ২০০২ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে। এর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় বিশ্বকাপ হলো ২০০২ সালের জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপ। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। আমি প্রতিদিন গভীর আগ্রহ নিয়ে প্রতিটি ম্যাচ দেখতাম। বিশ্বকাপ সব সময়ই আমার জন্য খুব চমৎকার ও আনন্দের একটা সময়।
প্রশ্ন: ছোটবেলায় একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবে বিশ্বকাপ দেখেছেন, আর এখন আপনি একজন পেশাদার ফুটবলার এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক। এই দুই সময়ের দেখার মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?
জামাল ভূঁইয়া: ছোটবেলা থেকে আমার স্বপ্ন ছিল একজন পেশাদার ফুটবলার হওয়া। আজ আমি পেশাদার খেলোয়াড়, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশ বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না। একজন পেশাদার ফুটবলারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নই থাকে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলা। সারা বিশ্বে বড় অনেক খেলোয়াড় আছেন, কিন্তু সবাই তো আর বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পান না। খেলোয়াড় হিসেবে এই স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার আক্ষেপ আমাদেরও আছে। তবে আমি আশা হারাইনি—খেলোয়াড় হিসেবে না পারলেও, হয়তো একদিন কোচ হিসেবে আমি বিশ্বকাপে যেতে পারি, ইনশা আল্লাহ।
প্রশ্ন: এবার কি মাঠে বসে বিশ্বকাপ দেখার কোনো পরিকল্পনা আছে?
জামাল ভূঁইয়া: ছোটবেলা থেকে আমার স্বপ্ন ছিল একজন পেশাদার ফুটবলার হওয়া । আজ আমি পেশাদার খেলোয়াড় , কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশ বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না । একজন পেশাদার ফুটবলারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নই থাকে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলা । সারা বিশ্বে বড় অনেক খেলোয়াড় আছেন , কিন্তু সবাই তো আর বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পান না । খেলোয়াড় হিসেবে এই স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার আক্ষেপ আমাদেরও আছে । তবে আমি আশা হারাইনি — খেলোয়াড় হিসেবে না পারলেও , হয়তো একদিন কোচ হিসেবে আমি বিশ্বকাপে যেতে পারি, ইনশা আল্লাহ। এবার মাঠে বসে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর আমেজ উপভোগ করার একটা পরিকল্পনা আমার আছে । খেলা দেখতে আমি আমেরিকায় যাব ।

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের হয়ে রাজকীয় অভিষেক হলো বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের। ব্ল্যাকপুলে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে বল হাতে আগুন ঝরিয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই কেন্টকে ১৪০ রানের বিশাল জয় এনে দিয়েছেন তিনি। পুরো ম্যাচে ১০১ রান খরচায় হাসান একাই শিকার করেছেন ৯ উইকেট, যা তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে
৭ মিনিট আগে
চলতি শতাব্দীতে জার্মানির বাইরে কেবল দুটি দল বিশ্বমঞ্চে এক ম্যাচে সাত বা তার বেশি গোল দেওয়ার স্বাদ পেয়েছে—২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল (৭-০) এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেন (৭-০)।
২৭ মিনিট আগে
মাঠে বল গড়ানোর আগে দুই কোচের বয়সের বিশাল ব্যবধান নিয়ে আলোচনা হয়েছিল ঢের। তবে মাঠের লড়াই শুরু হতেই জার্মানি ও কুরাসাওয়ের মধ্যকার ফুটবলীয় দূরত্বের ব্যবধানটাই ফুটে উঠল স্পষ্ট। ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে বিধ্বংসী সূচনা করেছে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল।
২ ঘণ্টা আগে
কুরাসাও হয়তো মানচিত্রে ছোট, কিন্তু কোমেনেনসিয়ার হাত ধরে তাদের ফুটবলের আকাশটা আজ সীমানাহীন। জার্মানির কাছে ম্যাচটিতে হয়তো শেষ পর্যন্ত তারা হারতে পারে, কিন্তু প্রথমবার বিশ্বকাপে নেমেই গোলের যে অনাবিল আনন্দে ভাসল দ্বীপরাষ্ট্রটি, তার জন্য যে ভাগ্যের ছোঁয়া লাগে—সেই ভাগ্যটা নিজের সাহসের জোরেই ঠিকঠাক কাজে
২ ঘণ্টা আগে