
প্রধান নির্বাচক হিসেবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ। পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই কার্যত শেষ তাঁর মেয়াদ। গত পরশু ওয়ানডে সিরিজ জিতে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে ছোট্ট, অনাড়ম্বর কিন্তু বেশ হৃদয়ছোঁয়া বিদায় সংবর্ধনা হয়ে গেল লিপুর। তাঁর উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তিন অধিনায়ক। তাঁদের বিদায়ী শুভেচ্ছার জবাবে লিপু জানিয়েছেন, একটা বিজয়ের দিন শেষে বিদায় নিতে পেরে অনেক খুশি, গর্বিত। ড্রেসিংরুমে তিন অধিনায়ক একটি জার্সি উপহার দেন লিপুকে। বিদায় প্রসঙ্গে গতকাল আজকের পত্রিকাকে তেমন কিছুই বলতে চাইলেন না লিপু। তবে অনুরোধের পর যতটুকু বললেন, তাতে তাঁর অধ্যায়টা ভালোই ফুটে উঠল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রানা আব্বাস।
প্রশ্ন: সিরিজ জেতার পর আপনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হবে, আগে থেকে জানতেন?
গাজী আশরাফ হোসেন লিপু: হঠাৎ বলা হলো, চলুন ড্রেসিংরুমে। এ সম্পর্কে জানতাম না। এই হালকা একটু কথাবার্তা, এক-দুই মিনিট করে কথা বলছি আরকি!
প্রশ্ন: আয়োজন সংক্ষিপ্ত হলেও বেশ হৃদয়স্পর্শী। প্রধান নির্বাচককে এভাবে ঘটা করে বিদায় নিতে বা দিতে দেখা যায়নি অতীতে। আপনি কি এ রকম বিদায় সংবর্ধনা পেয়ে একটু অবাক?
গাজী আশরাফ: এসব নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়ায় না যাই। একটা পথ ছাড়লাম, বলতে পারেন, ইট ওয়াজ ভেরি টাচি। এবং একটা জয়ের (পাকিস্তানের বিপক্ষে) মাধ্যমে (বিদায়) হওয়ার কারণে একটা স্বস্তি ছিল আরকি। এতটুকুই বলব, এর বেশি কিছু বলতে চাই না আসলে। একটা পথ থেকে চলে গেছি, এখনই ওই সময়কাল নিয়ে কোনো আলাপ করতে চাই না। আমি যে ধরনের মানুষ, এটা নিয়ে সবাইকে খুব একটা জানানোর দরকার মনে করি না। আগে একটা পরিস্থিতি ছিল এক রকম, এখন আরেক রকম। ভালো-মন্দের মধ্য দিয়েই হয় একটা যাত্রা। সামনে আমার বিশ্লেষণ থাকবে, সেগুলো হয়তো সুনির্দিষ্টভাবে মাঠকেন্দ্রিক। তবে কোনো ব্যক্তি কিংবা আলাদা করে দল—এ রকম কিছু নিয়ে এখনই বলব না। যতটুকু হয়েছে, যতটুকু আপনারা দেখেছেন, ব্যস। সব বিষয়ে পাবলিকলি বলাও ঠিক নয়। একটা পরিবারের মধ্যেও যেমন অনেক কিছু হয় ভালো-মন্দ; যেগুলো ভালো, সেগুলো সবার দৃষ্টিগোচর হয়, কিছু বিষয় আন্ডার দ্য কার্পেট থাকাই ভালো। যদিও খুব বেশি কিছু নেই আমার (গোপন করার মতো)।
প্রশ্ন: আমরা সেটাই জানি। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তি, ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। প্রধান নির্বাচক হিসেবে আপনি কতটা নির্ঝঞ্ঝাট সময় পার করতে পেরেছেন?
গাজী আশরাফ: ভুল যে করিনি, তা তো নয়। কিন্তু মনে হয়, আমাদের বিবেক যেটা বলত—হ্যাঁ, সবার শেষে চিফ সিলেক্টর হিসেবে আমার একটা কল থাকত, হয়তো সেটাই করার চেষ্টা করতাম। তার মধ্যে তো কিছু ভুলত্রুটি হয়, কোনো সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয়, কোনোটা আবার ঠিক মনে হয়। আবার হয়তো কোনোটা ১১ জনের সিদ্ধান্ত আমাদের পছন্দ হয় না যে এটা ঠিক হলো না। বা স্কোয়াড এ রকম করা যেত। আমরা মনে করি, ১৫ জনের স্কোয়াড তো আমাদেরই। সবাইকে একটা বাউন্ডারি দিতে হবে খেলতে। তো ওই বাউন্ডারিটা মনে করি যে পেয়েছি। দ্যাট ইজ মাই প্রিভিলেজ।
প্রশ্ন: আপনার কঠিন ব্যক্তিত্ব, বিচক্ষণতার কারণে কি সিদ্ধান্ত নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কম হয়েছে?
গাজী আশরাফ: সবার কথাই শুনতাম। ওদের চ্যালেঞ্জ, অধিনায়কদের চাওয়া শুনতাম, শোনার চেষ্টা করতাম। তবু অনেক ক্রিটিক্যাল টাইম গেছে। ভুলত্রুটি যে হয়নি, তা নয়। ফিরে তাকালে তো মনে হয় যে এটা না করে যদি ওটা করতাম, হয়তো খারাপ হতো না। মানে এটা থাকেই কম-বেশি।

প্রশ্ন: প্রধান নির্বাচক হিসেবে দুই বছরের মেয়াদে তিনজন বিসিবি সভাপতি পেয়েছেন। এটাও ব্যতিক্রম অভিজ্ঞতা বলা যায়।
গাজী আশরাফ: হ্যাঁ, দ্যাটস ভেরি ট্রু।
প্রশ্ন: আপনার নিয়োগ নাজমুল হাসান পাপনের সময়ে। বিদায় হলো আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সময়, মাঝে ছিলেন ফারুক আহমেদ।
গাজী আশরাফ: এটা একটা চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। তিন বোর্ড সভাপতির মেয়াদেই ভালোভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া বিশাল একটা ব্যাপার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৮ ঘণ্টা আগে