নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) গত বছরের এপ্রিলে কড়া শাস্তি দিয়েছিল ফিফা। সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দুই বছর। সেই ঘটনার এক বছর যেতে না যেতেই আবারও ফিফার থেকে শাস্তি পেল বাফুফে। বাফুফেকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করেছে ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।
ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির এক বিবরণ থেকে জানা গেছে, বাফুফেকে সব মিলিয়ে জরিমানা করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৫০ সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩৮ লাখ ৯৩ হাজার ৬১৮ টাকা। বাংলাদেশকে জরিমানা করা হয়েছে ৩ ম্যাচে। ৩ ম্যাচের দুটি বাংলাদেশের মাঠে হয়েছে এবং একটি হয়েছে মালদীপে। প্রথম ঘটনা ঘটে গত বছরের ১২ অক্টোবর মালদ্বীপ ন্যাশনাল ফুটবল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এশিয়া অঞ্চলের বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ম্যাচে। দলের অসদাচারণের দায়ে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে জরিমানা করা হয়েছে ৫ হাজার সুইস ফ্রাঁ। পাশাপাশি ৬ ফুটবলারকে শাস্তিও দেওয়া হয়েছিল। সেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে।
মালদ্বীপের পর এরপর ঢাকার মাঠেও জরিমানা গুনতে হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দলকে। দ্বিতীয় লেগে ১৭ অক্টোবর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ। সেই ম্যাচে মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। জয় পেলেও এই ম্যাচে ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশকে করা হয় ১৪ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। মাঠের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, গ্যালারিতে আতশবাজি ফাটানোর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তৃতীয় যে ম্যাচের কারণে বাংলাদেশ জরিমানা গুনেছে, সেই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল লেবানন। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় গত ২১ নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ১-১ গোল করেছিল বাংলাদেশ ও লেবানন। ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশকে করা হয় ১১ হাজার ২৫০ সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। এই ম্যাচেও মাঠের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, গ্যালারিতে আতশবাজি ফাটানোর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) গত বছরের এপ্রিলে কড়া শাস্তি দিয়েছিল ফিফা। সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দুই বছর। সেই ঘটনার এক বছর যেতে না যেতেই আবারও ফিফার থেকে শাস্তি পেল বাফুফে। বাফুফেকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করেছে ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।
ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির এক বিবরণ থেকে জানা গেছে, বাফুফেকে সব মিলিয়ে জরিমানা করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৫০ সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩৮ লাখ ৯৩ হাজার ৬১৮ টাকা। বাংলাদেশকে জরিমানা করা হয়েছে ৩ ম্যাচে। ৩ ম্যাচের দুটি বাংলাদেশের মাঠে হয়েছে এবং একটি হয়েছে মালদীপে। প্রথম ঘটনা ঘটে গত বছরের ১২ অক্টোবর মালদ্বীপ ন্যাশনাল ফুটবল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এশিয়া অঞ্চলের বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ম্যাচে। দলের অসদাচারণের দায়ে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে জরিমানা করা হয়েছে ৫ হাজার সুইস ফ্রাঁ। পাশাপাশি ৬ ফুটবলারকে শাস্তিও দেওয়া হয়েছিল। সেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে।
মালদ্বীপের পর এরপর ঢাকার মাঠেও জরিমানা গুনতে হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দলকে। দ্বিতীয় লেগে ১৭ অক্টোবর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ। সেই ম্যাচে মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। জয় পেলেও এই ম্যাচে ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশকে করা হয় ১৪ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। মাঠের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, গ্যালারিতে আতশবাজি ফাটানোর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তৃতীয় যে ম্যাচের কারণে বাংলাদেশ জরিমানা গুনেছে, সেই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল লেবানন। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় গত ২১ নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ১-১ গোল করেছিল বাংলাদেশ ও লেবানন। ডিসিপ্লিনারি কমিটির ১৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশকে করা হয় ১১ হাজার ২৫০ সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। এই ম্যাচেও মাঠের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, গ্যালারিতে আতশবাজি ফাটানোর দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশকে।

খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৩ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৪ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে