বিষয়টা এক প্রকার নির্ধারিতই ছিল। গত মৌসুমে শূন্য হাতে মৌসুম শেষ হওয়ার পর শোনা যাচ্ছিল চার মৌসুম ধরে কোচের দায়িত্বে থাকা পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোসকে ছেড়ে দিচ্ছে আবাহনী। শেষ পর্যন্ত হয়েছে সেটাই।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে আবাহনীর কোচের দায়িত্বে ছিলেন লেমোস। প্রথম মৌসুমেই আবাহনীকে তুলেছিলেন এএফসি কাপের আঞ্চলিক সেমিফাইনালে। আন্তর্জাতিক সাফল্য পেলেও দেশের ঘরোয়া ফুটবলে চার মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতাতে পারেননি লেমোস।
লিগ শিরোপা না জেতা, গত মৌসুমে সাফল্যহীন থাকায় লেমোসের সঙ্গে আর নতুন করে চুক্তি বাড়েনি আবাহনীতে। নিজের ফেসবুকে নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লেমোস। আবাহনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেমোস লিখেছেন, ‘দুই পক্ষের সম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন আমি নিজের বাড়িতে আছি। আমার যাবতীয় জিনিসপত্র নিতে কয়েক দিন পর বাংলাদেশে আসব।’
লেমোসের জায়গায় নতুন কোচ নিতেও বেশি সময় নেয়নি আবাহনী। ২০০৭ সালের পর আবারও আকাশি-নীল ডাগআউটে দেখা যাবে আর্জেন্টাইন ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানিকে। সবশেষ সাইফ স্পোর্টিংয়ের কোচ ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের এই কোচ। সাইফের কোচ থাকা কালে রেফারিকে হত্যার হুমকি দিয়ে নিষিদ্ধও হয়েছিলেন তিনি।
শুধু কোচিংয়েই নয়, পরিবর্তন এসেছে আবাহনীর ম্যানেজার পর্যায়েও। দীর্ঘদিনের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপুকে সরিয়ে নতুন ম্যানেজার করা হয়েছে সাবেক ফুটবলার ও ফিটনেস ট্রেইনার নজরুল ইসলামকে। সত্যজিৎ দাস রুপু জায়গা পেয়েছেন ক্লাবের ফুটবল কমিটিতে।

গত ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো ভোজিনিয়ার জন্য স্পেনের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েন তিনি; শেষ হয়ে যায় পর্তুগিজ ক্লাব জিদি চাভেসের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ। তবে সম্পূর্ণ ক্লাবহীন থাকার এই মানসিক চাপ মাঠের পারফরম্যান্সে বিন্দুম
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের আসল সৌন্দর্য সম্ভবত এখানেই লুকিয়ে থাকে, যেখানে খাতা-কলমের পরিসংখ্যান আর ফিফা র্যাঙ্কিং মাঠের ৯০ মিনিটের কাছে এসে একেবারে অর্থহীন হয়ে পড়ে। তা নয়তো কী! একদিকে র্যাঙ্কিংয়ের ৩ নম্বরে থাকা শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেন, যাদের স্কোয়াড ঠাসা ইউরোপ সেরাদের নিয়ে। অন্যদিকে ৬৪ নম্বরে থাকা আফ্রিকার ছোট
১ ঘণ্টা আগে
মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ছিল ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্রামের দিন। সকালে রিকভারি সেশনের পর টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে পুরো দলকে ছুটি দেওয়া হয়। সেই সুযোগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে।
২ ঘণ্টা আগে
২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত হাফ ভলি জড়াল জালে। গ্যালারিতে তখন বুনো উল্লাস। এমন একটা নান্দনিক গোলের পর জার্সি খুলে ভোঁ-দৌড় দেওয়া কিংবা দর্শকদের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি কেবল হাত দুটো জোড় করলেন, এরপর নতজানু হয়ে চুম্বন করলেন সবুজ ঘাসকে।
৩ ঘণ্টা আগে