
সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ঢাকায় এসেছেন হামজা চৌধুরী। এবার অবশ্য জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ খেলতে নয়। এসেছেন ব্যক্তিগত কিছু কাজ সারতে। তারই অংশ হিসেবে আজ বিকেলে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি অ্যাপ ফুডির শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন হামজা। রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে এক আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয় দুই পক্ষের মধ্যে।
শুভেচ্ছাদূত হিসেবে হামজা ফুডির বিভিন্ন প্রচারমূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং সারা বাংলাদেশে ফুডির ব্র্যান্ড পরিচিতি আরও বিস্তৃত করতে ভূমিকা রাখবেন। ফুডির সঙ্গে যুক্ত হয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘আমি ফুডির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি, যেটি বাংলাদেশে তৈরি সবচেয়ে দ্রুততম ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি অ্যাপ। মাঠে যেভাবে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করি, ঠিক একইভাবে এই দেশীয় একটি ব্র্যান্ডের পাশে দাঁড়াতে পেরে সমানভাবে গর্বিত। ফুডির সঙ্গে এই যাত্রার অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ফুডির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) শাহনেওয়াজ মান্নান, ডিরেক্টর মোহাম্মদ আল ওয়াসি এবং অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শাহনেওয়াজ বলেন, ‘হামজা চৌধুরী শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি বাংলাদেশি গর্ব ও অধ্যবসায়ের প্রতীক। ফুডি বিশ্বাস করে স্থানীয়তার শক্তিতে, স্থানীয় প্রতিভা, স্থানীয় উদ্যম এবং স্থানীয় প্রভাবে। হামজাকে আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পাওয়া একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং আনন্দের বিষয়। তিনি ঠিক সেই মূল্যবোধ ধারণ করেন, যা ফুডি প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা তাঁকে ফুডি পরিবারে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩০ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে