কাতার বিশ্বকাপের সময়ই পেলেকে ছুঁয়েছিলেন নেইমার। এরপর চোটে পড়ায় অনেক দিন ফুটবলের বাইরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও করা হয়নি তাঁর। অবশেষে আজ তাঁর সেই অপেক্ষা ফুরিয়েছে। বলিভিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে রেকর্ড তো গড়েছেন, খ্যাতির বিড়ম্বনায়ও তাঁকে পড়তে হয়েছে।
ম্যাঙ্গুইরাও স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বলিভিয়ার বিপক্ষে খেলেছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই রেকর্ড গড়ার বেশ কিছু সুযোগ এলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার, যার মধ্যে ১৭ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ব্রাজিলের ৩১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধে গোল না করতে পারলেও নেইমারের অপেক্ষা ফুরিয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৬১ মিনিটে ডান পায়ের শটে গোল করে রেকর্ডটি নিজের করে নেন তিনি। পেলের ৭৭ গোল ছাড়িয়ে এখন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার।
রেকর্ড গড়ার পর অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটে আরও এক গোল করেন নেইমার। দ্বিতীয় গোলের পরই দুই ভক্ত মাঠের ভেতরে ঢুকে পড়েন। ভক্তের আবদার মেটাতে সেলফিও তোলেন ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড। নিরাপত্তাকর্মীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটে এমন ঘটনা।
১২৫ ম্যাচ খেলে নেইমারের গোল এখন ৭৯। ৭৭ গোল করে ব্রাজিলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা পেলে। প্রয়াত ব্রাজিল কিংবদন্তি খেলেছেন ৯২ ম্যাচ। তালিকায় তিন নম্বরে থাকা রোনালদো নাজারিও করেছেন ৬২ গোল।
ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পাঁচ গোলদাতা:
খেলোয়াড় গোল ম্যাচ
নেইমার ৭৯ ১২৫
পেলে ৭৭ ৯২
রোনালদো নাজারিও ৬২ ৯৯
রোমারিও ৫৫ ৭১
জিকো ৪৮ ৭১

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৪৩ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে