
ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টের শেষ দিন বেন স্টোকস বোলিং করতে পারবেন কি না, এ নিয়ে ছিল সংশয়। তারপরও তিনি বল হাতে নিয়েছেন, যদিও বেশি ওভার বল করেননি। তবে লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে ব্রেক-থ্রু এনে দিয়েছিলেন স্টোকসই। ফিট থাকলে হয়তো নিজেকে আরও নিংড়ে দিতেন ইংলিশ অধিনায়ক। দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করেছেন শুধু ১১ ওভার।
টানা চার টেস্টে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে পুরো দমে বোলিং—যেকোনো পেসারের জন্যই কঠিন। তবে স্টোকস সে কাজটি করেছেন দারুণভাবে। চতুর্থ টেস্টে ক্র্যাম্পও করেছিল। ওভালে শেষ টেস্টে তাঁকে পাওয়া যাবে কি না, এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। তবে স্টোকস জানিয়েছেন, শারীরিক যন্ত্রণা সত্ত্বেও বাড়তি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তিনি। বললেন, ‘ব্যথা শুধু একটি অনুভূতি’।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতকে দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট করতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ ড্র হয়। সেই ম্যাচে ইংলিশ অধিনায়ক স্টোকস বাঁ পায়ে ক্র্যাম্প এবং কাঁধে ব্যথায় ভুগছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৮ বছর পর পেয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। ব্যাট হাতে করেছিলেন সেঞ্চুরি। বিশ্রাম নয়, লড়াকু স্টোকস খেলতে চান শেষ টেস্টেও। ইংলিশ অধিনায়ক বলেন, ‘এটা পুরোপুরি কাজের চাপের ব্যাপার। আমরা অনেক ওভার বল করেছি, এসব শরীরের ওপর এসে পড়ে। আমি চেষ্টা চালিয়ে যাব (ওভাল টেস্ট খেলতে)। সব বোলারদের বলি—ব্যথা একটা অনুভূতিমাত্র। আমি সব সময় দলের জন্য দেয়ালে মাথা ঠুকতেও প্রস্তুত।’
স্টোকস জানান, তার বাইসেপ টেন্ডনে ব্যথা পেয়েছেন, যা ৪টি টেস্টে ১৪০ ওভার বল করার পরিণতি। তাঁর ক্যারিয়ারে কোনো এক সিরিজে এটাই সর্বোচ্চ ওভার বোলিং করার রেকর্ড। সিরিজে ব্যাট হাতে ৩০৪ রান ও সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট নিয়েছেন স্টোকস।
স্টোকস আশাবাদী শেষ টেস্ট খেলার ব্যাপারে, ‘আশা করি শেষ ম্যাচের জন্য ঠিকঠাক থাকব। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। গত ৫-৬ সপ্তাহ অনেক চাপের ছিল। সব সময় নিজের সবটুকু দিতে চাই। আমি ভবিষ্যদ্বাণী করে কথায় কথা খেতে চাই না, তবে আমার না খেলার সম্ভাবনা খুবই কম।’

ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি এখনো। তবে ভারতীয় ক্রিকেটে এখন বেশ আলোচিত নাম আকিব নবি। রঞ্জি ট্রফির ৬৭ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে জম্মু-কাশ্মীর। ১০ ম্যাচে ৬০ উইকেট নিয়ে প্রথমবার ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট জয়ের নেপথ্য দলটির নায়ক তিনি।
৩ মিনিট আগে
তবে অলৌকিক কিছু করার কথা এড়িয়ে গেলেন না বাটলার, ‘আমি বড় কোনো আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখছি না, এই পেশায় অনেকদিন ধরে আছি এবং অনেক মহাদেশে কাজ করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি মাঝেমধ্যে অদ্ভুত বা অলৌকিক কিছু ঘটে যেতে পারে। আমরা আমাদের ফুটবল খেলব এবং মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা
২৭ মিনিট আগে
এভাবেও ফিরে আসা যায়—মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আজ এমনটাই করে দেখাল ইন্টার মায়ামি। দুই গোল হজমের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মায়ামি। সেটা সম্ভব হয়েছে লিওনেল মেসির জাদুতে। ইন্টার এন্ড কোং স্টেডিয়ামে ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইন্টার মায়ামি।
১ ঘণ্টা আগে
মুশফিকুর রহিমের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছিল গত কয়েক দিন ধরেই। সৌদি আরবে ওমরাহ করতে গিয়ে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে আজ সকালে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
২ ঘণ্টা আগে