
বিশ্ব সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড মনে করা হয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই)। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) আয়োজন করে প্রতি বছর কাড়ি কাড়ি অর্থ আয় করে সংস্থাটি। পাশাপাশি আইসিসির বার্ষিক আয়ের বড় অংশও যায় বিসিসিআইয়ের কোষাগারে।
এত আয় করা বিসিসিআই ঠিক কত টাকার মালিক—ভক্তদের এই কৌতুহল দীর্ঘ দিনের। পরিষ্কারভাবে না বললেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক অবস্থা নিয়ে ‘দ্য ওভারল্যাপ ক্রিকেট এক্সক্লুসিভ’-এ মজার এক তথ্যই দিলেন আইপিএলের প্রতিষ্ঠাতা লোলিত মোদি। তাঁর মতে, ইশ্বরের চেয়েও বেশি টাকা আছে বিসিসিআইয়ের।
বিসিসিআইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে? মাইকেল ভনের এই প্রশ্নের জবাবে মোদি বলেন, ‘ওদের (বিসিসিআই) কাছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আছে। প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি। আমি তো বলব, বিসিসিআইয়ে কাছে এখন ঈশ্বরের চেয়েও বেশি টাকা আছে।’
কাড়ি কাড়ি অর্থ থাকলেও ভারতের ক্রিকেট অবকাঠামো নিয়ে বিসিসিআইয়ের ওপর বেশ ক্ষুব্ধ মোদি, ‘দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের কাছে এখন অঢেল টাকা থাকলেও আমরা লর্ডসের মতো বিশ্বমানের স্টেডিয়াম বানাতে পারছি না। দুর্নীতিতে চারদিক ভরে গেছে। আমাদের স্টেডিয়ামের টয়লেটগুলো দেখেন। কোনো এস্কেলেটর নেই, সুযোগ-সুবিধা একদম বাজে। বিসিসিআইয়ের উচিত এগুলো ভেঙে নতুন করে তৈরি করা। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের মতো আধুনিক করা উচিত।’
ভারতের স্টেডিয়ামগুলোকে আবর্জনা মনে হয় মোদির কাছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাইরে থেকে দেখতে এগুলো বড় বা দর্শকে ঠাসা মনে হলেও আদতে এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় কিছুই না। যেন স্টেডিয়ামগুলো আবর্জনার স্তূপ। স্টেডিয়ামগুলোর অবস্থা সত্যিই এমন। এমনকি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে পুরোনো স্টেডিয়ামও এর চেয়ে ভালো।’

এক দল বিশ্বকাপের চারবারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে। প্রথম দুই লাইন পড়ে অনেকেই হয়তো অনুমান করতে পেরেছেন এখানে গত রাতের জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। হিউস্টনে গত রাতে নবাগত কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে জার্মানি। গোলবন্যার এই ম্যাচ মনে করাল তিন বছর আগে আর্জেন্টিন
৩৫ মিনিট আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে শেষ পর্যন্ত যেতেই হলো ইরান ফুটবল দলকে। বেস ক্যাম্প মেক্সিকোতে হলেও ইরানের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুলুকে পৌঁছে খোদ আয়োজকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ইরান দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনি। সরাসরি না বললেও দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে