
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম যেন দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরের মাঠ। এখানেই সুপার এইটে স্বাগতিক ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও একইভাবে মাথা নত করিয়ে সুগম করল সেমিফাইনালের পথ। রাতের ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ভারত হারাতে পারলেই প্রোটিয়ারা জায়গা করে নেবে শেষ চারে।
দুর্গ বানিয়ে ফেলা এই আহমেদাবাদে আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে এইডেন মার্করামের দল। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ক্যারিবীয়রা ৮ উইকেটে দাঁড় করায় ১৭৬ রানের পুঁজি। সেই রান ২৩ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।
জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ড হাল না ধরলে, ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এত রান পেত না। কেননা ৮৩ রানেই হারিয়ে ফেলে ৭ উইকেট। এরপর অষ্টম উইকেটে ৮৯ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন হোল্ডার ও শেফার্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এই উইকেটের জুটিতে আগের রেকর্ডটি ছিল স্কটল্যান্ডের প্রেস্টন মোমসেন ও এসএম শরিফের।
হোল্ডার অবশ্য ফিফটির দেখা পাননি ৩১ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৯ রানে বিদায় নেন তিনি। শেফার্ড অপরাজিত থেকেছেন ৩৭ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫২ রান করে। লুঙ্গি এনগিদি ৩০ রানে তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে শিকার কাগিসো রাবাদা ও করবিন বশের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই প্রতিরোধ প্রোটিয়াদের মনে দুশ্চিন্তা ধরাতে পারেনি খুব একটা। জেতার জন্য শুরুর ৮ ওভারে ৯৫ রানের জুটি গড়ে ফেলেন দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও মার্করাম। এই বিশ্বকাপে এটি তাঁদের তৃতীয় পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটি।
ডি কক ২৪ বলে ৪ চার ও ছক্কায় ৪৭ রানে ফিরলেও রিকেলটনকে নিয়ে বাকি কাজ সারেন মার্করাম। ৪৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৮২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। রিকেলটন ২৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
২৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে শেষ পর্যন্ত যেতেই হলো ইরান ফুটবল দলকে। বেস ক্যাম্প মেক্সিকোতে হলেও ইরানের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুলুকে পৌঁছে খোদ আয়োজকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ইরান দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনি। সরাসরি না বললেও দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২ ঘণ্টা আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৪ ঘণ্টা আগে