
কাশ্মীরের পেহেলগামে নৃশংস হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হয়েছেন। ভারত দাবি করেছে, এর পেছনে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ ইস্যুতে দুই দলের মধ্যে বিরাজ করছে উত্তেজনা। ভারত সরকার তাদের দেশে পাকিস্তানের বিভিন্ন নিউজ সাইট, ইউটিউব চ্যানেল ব্লক কেরে দিয়েছে। ক্রিকেটাররাও জড়িয়ে গেছেন বাগ্যুদ্ধে। শোয়েব আখতারের ইউটিউব চ্যানেলও ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেগে গেছেন শহীদ আফ্রিদি ও শিখর ধাওয়ান।
কদিন আগেই ভারতীয় সেনাদের সামর্থ্য নিয়ে এক রকম প্রশ্ন তুলেই আফ্রিদি বলেছেন, ‘ভারতে বাজি ফাটলেও দোষ চাপানো হয় পাকিস্তানের ঘাড়ে। কাশ্মীরে প্রায় ৮ লাখ সেনা আছে। তা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এর অর্থ, তারা এতটাই নিষ্কর্মা আর অপদার্থ যে, সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি।’ আফ্রিদির সেই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ ভারতীয়রা।
আফ্রিদিকে জবাব দিতে এ বাগ্যুদ্ধে যুক্ত হন ভারতের সাবেক ওপেনার ধাওয়ান। তিনি এক্সে আফ্রিদির একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘কার্গিলে আমরা তোমাদের হারিয়েছিলাম। এর মধ্যেই তোমরা এতটা নিচে নেমে গেছ, আর কত নিচে নামবে? অযথা মন্তব্য করার পরিবর্তে নিজের দেশের উন্নতির জন্য মাথা খাটাও শহীদ আফ্রিদি। আমাদের ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ে আমাদের খুব গর্ব হয়। ভারত মাতা কি জয়! জয় হিন্দ!’ সঙ্গে মেনশন করে দিয়েছেন আফ্রিদিকে।
এখানেই শেষ নয়। এবার ধাওয়ানের পোস্টে গিয়ে খোঁচা দিয়ে এলেন আফ্রিদি। ধাওয়ানের সেই পোস্ট পুনরায় শেয়ার করে আফ্রিদি নিজের একটি ছবি ও ক্যাপশন পোস্ট করেছেন। যেখানে আফ্রিদির গায়ে পাকিস্তান সেনাদের মতোই একটি ফুলহাতার টি শার্ট, হাতে চায়ের মগ। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এসব হারজিতের কথা ছাড়ো। চলো তোমাকে চা খাওয়াই শিখর।’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন, ‘ফ্যান্টাস্টিক চা।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে