বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বাবর আজম। তাঁকে নিয়ে তাই এবারের বিশ্বকাপে অনেকেই বাজি ধরেছিলেন। ভারতের সাবেক ওপেনার গৌতম গম্ভীর তো জানিয়েছিলেন, এই বিশ্বকাপে আগুন লাগিয়ে দিতে পারেন বাবর। পাকিস্তানের হয়ে তিনি ৩-৪টি সেঞ্চুরি করতে পারেন।
কিন্তু বিশ্বকাপ শুরু হলে বাবরের সেই রূপ দেখা যায়নি। রান করলেও বাবরসুলভ হয়নি। আর সেঞ্চুরি তো এখন পর্যন্ত একটাও করতে পারেননি। তবে ফিফটি করেছেন ৩টি। যখনই ইনিংস বড় করতে যাবেন, ঠিক সেই সময়ই নিজের উইকেট দিয়ে আসছেন পাকিস্তানি ব্যাটার। আর এ নিয়েই তাঁর সমালোচনা করেছেন শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদির মতে, বাবর রান করলেও সেটা ম্যাচ জেতানো ইনিংস হয় না। সে বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুলের মতো ম্যাচ শেষ করে আসতে পারে না। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের এই সমালোচনা অবশ্য আরও অনেকের কাছ থেকে বহুদিন ধরেই শুনতে হচ্ছে বাবরকে।
পাকিস্তানের স্থানীয় চ্যানেল সামা টিভিকে এমনটিই জানিয়েছেন আফ্রিদি। তিনি বলেছেন, ‘বাবরের রান করা এবং তার রানে ম্যাচ জেতা দুটি ভিন্ন বিষয়। বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুলের দিকে দেখেন, তারা কী করে। তারা রান করে এবং বল মোকাবিলা করে দলের জয় নিশ্চিত করে।’
বাবর বড় খেলোয়াড়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই আফ্রিদির। তবে বড় খেলোয়াড়ের যে পরিচয়, তা দেখাতে ব্যর্থ বলে মনে করেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেছেন, ‘কোনো ভুল নেয়, আমি বাবরের ভক্ত। আমরা বলি, সে বড় খেলোয়াড়। তবে সেই স্তরে পৌঁছানো এক বিষয় এবং সেখানে পৌঁছানোর পর ছন্দ ধরে রাখা অনেক বেশি কঠিন। বাবর যখন ব্যাটিং করতে নামে, তখন আমাদের অনুভব হওয়া উচিত যে আমরাই জিতব। কিন্তু সেই অনুভূতি আসে না। আমরা জানি সে ৫০-৬০ রান করবে, কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সে আমাদের ম্যাচ জেতাবে।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩৩ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে