
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল উপলক্ষে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম সেজেছিল বিশেষ সাজে। ফাইনাল বলে কথা, তাও আবার ফাইনালিস্ট যখন ভারত, তখন তো ভিন্ন আবহ থাকবেই। ভারতের অনেক সাবেক ক্রিকেটার পরিবারসহ খেলা দেখতে এসেছিলেন। কিন্তু সবশেষ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালসেরা ক্রিকেটারকে দেখা যায়নি আহমেদাবাদে।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ও তাঁর পরিবারকে দেখা গেছে আহমেদাবাদের গ্যালারিতে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্মকর্তারা এসেছিলেন খেলা দেখতে। মহেন্দ্র সিং ধোনিও এসেছিলেন সপরিবারে। গ্যালারিতে দেখা গেছে বলিউড তারকাদেরও। এত তারকাদের মাঝে অনুপস্থিত ছিলেন কোহলি। ভক্ত-সমর্থকেরাও এই কিংবদন্তি ক্রিকেটারকে দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করলেও সেটা আর সম্ভব হয়নি।
কেন কোহলি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেননি, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দুটি কারণ অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছে।
১. কোহলি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক না
২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত জিতেছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। দীর্ঘ ১৭ বছর অপেক্ষার পর ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে রোহিত শর্মার অধিনায়কত্বে। কোহলি ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলেও তিনি তো অধিনায়ক ছিলেন না। তাই আহমেদাবাদের ফাইনালে তিনি আসেননি।
২. পারিবারিক দায়িত্ব
কোহলি এখনো পুরোপুরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও টেস্টকে বিদায় বলেছেন। বর্তমানে তাঁর ব্যস্ততা শুধু ওয়ানডে ঘিরেই। পরিবারের সঙ্গে এখন অনেক বেশি সময় কাটানোর সুযোগ মিলছে তাঁর। হয়তো এটাও আহমেদাবাদের ফাইনালে কোহলির না থাকার একটা কারণ হতে পারে।
ফাইনাল দেখতে না এলেও চ্যাম্পিয়ন ভারতকে সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কোহলি। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতকে নিয়ে নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে কোহলি লিখেছিলেন, ‘আহমেদাবাদে ভারতের অসাধারণ জয়। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে আমাদের বিস্ফোরক ক্রিকেটের সঙ্গে কেউই পাল্লা দিতে পারেনি। কঠিন পরিস্থিতিতেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার যে অসাধারণ মানসিকতা ছেলেরা দেখিয়েছে, তার ফলেই ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলাম। ক্রিকেটার ও ম্যানেজমেন্টের সবাইকে অভিনন্দন।’
সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে অনেকগুলো প্রথমের রেকর্ড গড়েছে ভারত। প্রথম দল হিসেবে সর্বোচ্চ তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা, স্বাগতিক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন, টানা দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন-এই তিন কীর্তি গড়েছে তারা। ৪ ওভারে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ফাইনালসেরা হয়েছেন জসপ্রীত বুমরা। টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। ৫ ম্যাচে ৮০.২৫ গড় ও ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইকরেটে করেন ৩২১ রান।

ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪২ মিনিট আগে
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ইরান। মেক্সিকোর টিজুয়ানা বেসক্যাম্প থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ফ্লাইটের পর রোববার লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন দলটির ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের হয়ে রাজকীয় অভিষেক হলো বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের। ব্ল্যাকপুলে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে বল হাতে আগুন ঝরিয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই কেন্টকে ১৪০ রানের বিশাল জয় এনে দিয়েছেন তিনি। পুরো ম্যাচে ১০১ রান খরচায় হাসান একাই শিকার করেছেন ৯ উইকেট, যা তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে
২ ঘণ্টা আগে
চলতি শতাব্দীতে জার্মানির বাইরে কেবল দুটি দল বিশ্বমঞ্চে এক ম্যাচে সাত বা তার বেশি গোল দেওয়ার স্বাদ পেয়েছে—২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল (৭-০) এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেন (৭-০)।
৩ ঘণ্টা আগে