টানা ৮ ম্যাচ জিতে শেষ চার আগেই নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স। অবশ্য শুধু শেষ চার নয়, সব মিলিয়ে ৯ জয়ে ১৮ পয়েন্টে এখন শীর্ষে আছে তারা। বিপিএলে আজ নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমে প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে ১৫১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রংপুর।
কুমিল্লার বিপক্ষে এই রানটাও হতো না যদি ছয়ে নেমে দুর্দান্ত ফিফটি না করতেন জিমি নিশাম। আজ রংপুরের শুরুটা হয় ধাক্কায়। দলীয় ৫ রানের মাথায় ৪ রানে আউট হন ব্র্যান্ডন কিং। তানভীর ইসলামের বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার আউট হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় রংপুর। ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে তারা।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান বাড়ানোর কাজটা করছিলেন সাকিব আল হাসান। অবশ্য তিনে নেমে ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। ১৯ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৩ চারে। সাকিবের আউটের পরেই ম্যাচে একাই লড়াই চালিয়ে যান নিশাম। শেষ দিকের ব্যাটারদের নিয়ে দলকে ১৫০ রানের সংগ্রহ এনে দেন তিনি।
৪২ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন নিশাম। ১৬৪.২৮ স্ট্রাইকরেটের দুর্দান্ত ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯ চার ও ২ ছক্কায়। দলের প্রায় অর্ধেক রানই করে দিয়েছেন তিনি। রংপুরকে অলআউট করতে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মুশফিক হাসান ও আন্দ্রে রাসেল। ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার মুশফিক। অন্যদিকে ২০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন রাসেলও। আরেক ক্যারিবিয়ান ম্যাথিউ ফোর্ড নিয়েছেন ২ উইকেট। টানা নবম জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে চাইলে নিশামের মতোই বোলিংয়ে দারুণ কিছু করতে হবে রংপুরের কোনো বোলারকে।

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২৩ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে