
দুই মাস আগে গোল্ড কোস্টের একটি হোটেলে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টের স্কোয়াড ঘোষণা করেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক জর্জ বেইলি। নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স না থাকলেও দলের প্রায় সবাই পরিচিত মুখ। কিন্তু এরপর ছিটকে গেলেন জশ হ্যাজেলউডও। বোলিংয়ে অভিজ্ঞ বলতে গেলে মিচেল স্টার্ক আর নাথান লায়ন।
স্কট বোল্যান্ড ছিলেন সঙ্গে। আবার যুক্ত করা হলো ব্রেন্ডন ডগেটকেও। আবার এক টেস্ট পর ফিরলেন মাইকেল নেসার। হ্যাজেলউড ছাড়া গতকাল সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্কোয়াডে থাকা সবাই শিরোপা উদ্যাপন করেন। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করে রাখে অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ ম্যাচে হারলেও পঞ্চম ম্যাচ জিতে নেয় স্বাগতিকেরা। শেষ দিনে ইংল্যান্ডের ছুড়ে দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য পাড়ি দেয় ৫ উইকেট হাতে রেখে। প্রথম ইনিংসে ১৬৩ রান করা ট্রাভিস হেড পান ম্যাচসেরার পুরস্কার। অনুমিতভাবে সিরিজসেরার পুরস্কার ওঠে মিচেল স্টার্কের হাতে। ৩১ উইকেট শিকার তো বটেই, ব্যাটিংয়ে করেছেন ১৫৬ রান।
তবু কি অ্যাশেজ জেতাটা খুব সহজ ছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য? ৪-১ ব্যবধান যে পুরো ছবিটা তুলে ধরছে না। কারণ, এই গ্রীষ্মটা ছিল খেলোয়াড় পরিবর্তন, ব্যাটিং অর্ডার অদল-বদল, অপ্রচলিত বোলিং লাইনআপ, ফিল্ডিং কৌশল এবং বড় বড় চোটে ভরা এক সিরিজ। তাই তো মার্নাস লাবুশেন বলেন, ‘এটা সাধারণ কোনো সিরিজ ছিল না। এবারের অ্যাশেজ জয়টা অন্য রকম।’
পার্থে সিরিজ শুরুর আগে ও চলাকালে একের পর এক ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোই ছিল অস্ট্রেলিয়ার মানসিক দৃঢ়তার প্রতিচ্ছবি। তিন পেসারকে চোটের কারণে হারানোর পর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। গতিময় আগ্রাসী বোলিংয়ে স্বাগতিকেরা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩২ রানে। দ্বিতীয় দিনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইংল্যান্ড লিড নিয়ে যায় ১০০’র ওপরে। এরপর অভিজ্ঞতাই হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি।
স্টার্ক বলেন, ‘যখন পরিকল্পনামতো কিছু হয় না, আমরা খুব দ্রুত সেটা ভুলে গিয়ে শান্তভাবে সমাধান খুঁজি। আপনারা হয়তো ভেবেছিলেন ইংল্যান্ড এগিয়ে, কিন্তু ড্রেসিংরুমে আমরা জানতাম ম্যাচে কেউই এগিয়ে নেই।’
পিঠের চোটের কারণে উসমান খাজা পার্থ ওপেন করতে পারেননি। শুরুতে জ্যাক ওয়েদার্যাল্ডের সঙ্গে লাবুশেন ওপেন করলেও উসখুস ভাব ছিল। এরপর অস্ট্রেলিয়া নেয় এক মাস্টারস্ট্রোক সিদ্ধান্ত। ওপেনিংয়ে নেমে জায়গাটা আপন করে নেন ট্রাভিস হেড। তিন সেঞ্চুরিসহ সিরিজ শেষ করেন ৬২৯ রান নিয়ে। হেডের আগ্রাসী ব্যাটিং ও নির্ভার মনোভাব পুরো দলেই ছড়িয়ে পড়ে। স্মিথের কথাতেই তা স্পষ্ট, ‘সে প্রতিপক্ষকে একেবারে চাপে রাখে। নতুন বল নরম করে দেয়, পরের ব্যাটারদের জন্য কাজ সহজ হয়।’
পার্থে স্টার্ক ১০ উইকেট নিলেও বোলিং আক্রমণ ছিল পরীক্ষামূলক। গ্যাবায় কোনো স্পিনার ছাড়াই দল সাজায় অস্ট্রেলিয়া। তাতেও কোনো অসুবিধা হয়নি। চোট থেকে ফেরা নেসারের পাঁচ উইকেটের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল অ্যালেক্স ক্যারির কিপিং। অ্যাডিলেডে কামিন্স-লায়নের জুটি সিরিজ নিশ্চিত করলেও সেটাই ছিল তাঁদের শেষ ম্যাচ।
মেলবোর্নে ঝাই রিচার্ডসনের ফেরায় চার টেস্টে ছয় পেসার খেলায় অস্ট্রেলিয়া। সিডনি টেস্ট শুরু হওয়ার আগে খাজা দিলেন অবসরের ঘোষণা। এই টেস্টে স্পিনার না খেলিয়ে বেশ অবাক করা সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিকেরা। অস্ট্রেলিয়ায় যেকোনো ভেন্যুর চেয়ে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পান এখানে। অধিনায়ক স্মিথ বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে বিশ্বাসী। পরে কী হতে পারত, তা নিয়ে না ভেবে মাঠের পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করি।’ সেই পরিস্থিতির শিকার ইংল্যান্ড আরও একবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরল মাথা নিচু করে।

সৌদি আরবে ওমরাহ করতে গিয়ে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে আটকা পড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ থাকায় তাঁর দেশে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। গত রাতে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
১৬ মিনিট আগে
অনেকটা একা হাতে ভারতকে সেমিফাইনালের টিকিট এনে দিলেন সাঞ্জু স্যামসন। যে ভারত কিছুদিন আগেও ছিল খাদের কিনারায়। স্বাগতিক হওয়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তকমাও ফ্যাকাশে হতে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকা আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের লড়াইটি হয়ে দাঁড়ায় অঘোষিত কোয়
১১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে আগেই ছিটকে গেছে জিম্বাবুয়ে। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আজ সিকান্দার রাজার দল নিয়মরক্ষার ম্যাচ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। তবে চাইলেও যে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরতে পারছে না।
১২ ঘণ্টা আগে
সবার নজর এখন মধ্যপ্রাচ্যে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) পর বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফাও চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে