
বরিশাল শহরের বেলস পার্ক তখন লোকারণ্য। এখানে বিপিএল ট্রফি নিয়ে আসবেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়রা। ট্রফি এবং জাতীয় ক্রিকেটারদের দেখতে দুপুর থেকেই জড়ো হতে থাকেন স্থানীয় মানুষ। তামিমরা সেখানে উপস্থিত হওয়ার আগেই ভক্ত-সমর্থকে টইটম্বুর হয়ে ওঠে বেলস পার্ক। অপেক্ষার প্রহর কাটিয়ে বিকেল ৪টার দিকে ট্রফি হাতে তামিমরা মাঠে এলেন। তখন দর্শকদের কী আনন্দ, কী উচ্ছ্বাস!
কিন্তু কয়েক মিনিট পরই সেই আনন্দ-উচ্ছ্বাস রূপ নেয় ক্ষোভ ও হতাশায়। তাদের হয়তো আশা ছিল, সেখানে তামিমরা বেশ কিছু সময় থাকবেন, দর্শকদের উদ্দেশে কিছু বলবেন। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তিন-চার মিনিট পরই বেলস পার্ক থেকে সটকে পড়েন তামিমরা! তাতে দর্শকদের হতাশা রূপ নেয় ক্ষোভে। মঞ্চ ভেঙে সেই ক্ষোভও প্রকাশ করেন বেলস পর্কে উপস্থিত হওয়া ফরচুন বরিশালের সমর্থকেরা।
তো দর্শকদের হতাশ করে, ক্ষুব্ধ করে কেন দ্রুত বেলস পার্ক ছাড়লেন তামিমরা? এই প্রশ্নের উত্তর ফরচুন বরিশালের ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় দলের অধিনায়ক তামিম বিষয়টি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের অনেক পরিকল্পনা ছিল।
আমাদের দেখা হবে। প্রত্যেক খেলোয়াড় কথা বলবে। সবার সঙ্গে সময় কাটাবে। দুর্ভাগ্য, মঞ্চে খুব কম সময় থাকতে পেরেছি। আমার জীবনে একসঙ্গে এত মানুষ দেখিনি। আমাদের দেখার জন্য আপনারা দেড়-দুই লাখ মানুষ ছিলেন ওখানে। একটা সময় এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছিল, আমাদের নিরাপত্তা দল এ পরিস্থিতি আর নিরাপদ মনে করেনি।’
অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন তামিম। নিজের ফেসবুক পেজে ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক লিখেছেন, ‘আমরা আপ্লুত ও দুঃখিত।
আপ্লুত আপনাদের ভালোবাসা ও উন্মাদনা দেখে। লাখো মানুষের এমন জোয়ার জীবনে দেখিনি আমরা। দুঃখিত আপনাদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে না পেরে। তবে এবারই শেষ নয়; আপনাদের সমর্থন, ভালোবাসা ও দোয়া সঙ্গে থাকলে দেখা হবে আবার।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
১৮ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে