টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে নারী ক্রিকেট। গতকাল রাতে রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে দক্ষিণ আফ্রিকা।
২০০৯ ও ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড এবং ২০২৩ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, শিরোপা জেতা হয়নি কারও। তবে এবার নিশ্চিত নতুন চ্যাম্পিয়নই পেতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আগামীকাল দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সাক্ষাৎ হবে এই দুই দলের।
শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ৯ উইকেটে ১২৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ উইকেটে ১২০ রানে থেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সুজি বেটস ও জর্জিয়া প্লিমার ওপেনিং জুটিতে ৮.২ ওভারে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৪৮ রান। ২৮ বলে ২৬ রানে ফেরেন সুজি। মন্থর হলেও দারুণ শুরুই বলা যায়। তবে পরবর্তীতে সেভাবে ঝড় তুলতে পারেননি ব্যাটাররা। প্লিমার সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৩৩ রান করেছেন।
তারপর ব্রুক হ্যালিডের ৯ বলে ১৮ ও ইসাবেলা গেজের ১৪ বলে ২০ রানের সৌজন্যে ১২৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডিয়ান্ড্রি ডটিন ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট নেন এফি ফ্লেচার।
১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম চার ব্যাটারের তিনজনই যান দুই অঙ্কে। কিন্তু কেউই ছাড়াতে পারেননি ১৫। পাঁচে নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ বলে তিন ছক্কায় ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে জয়ের আশা জাগান ডটিন।
পরের ব্যাটারদের আবার খোলসবন্দী করে রাখেন কিউই বোলাররা। শেষ দিকে আফি ফ্লেচার ১৭ ও জাইদা জেমস করেন ১৪ রান। তবে দলের জয়ের জন্য সেটি যথেষ্ট ছিল না। ২৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্পিনার এডেন কার্সন। ম্যাচসেরা পুরস্কার তোলেন নিজের হাতে। মাত্র ১৪ রানে ২ উইকেট নেন অ্যামেলিয়া কের।

ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি এখনো। তবে ভারতীয় ক্রিকেটে এখন বেশ আলোচিত নাম আকিব নবি। রঞ্জি ট্রফির ৬৭ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে জম্মু-কাশ্মীর। ১০ ম্যাচে ৬০ উইকেট নিয়ে প্রথমবার ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট জয়ের নেপথ্য দলটির নায়ক তিনি।
৩ মিনিট আগে
তবে অলৌকিক কিছু করার কথা এড়িয়ে গেলেন না বাটলার, ‘আমি বড় কোনো আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখছি না, এই পেশায় অনেকদিন ধরে আছি এবং অনেক মহাদেশে কাজ করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি মাঝেমধ্যে অদ্ভুত বা অলৌকিক কিছু ঘটে যেতে পারে। আমরা আমাদের ফুটবল খেলব এবং মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা
২৭ মিনিট আগে
এভাবেও ফিরে আসা যায়—মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আজ এমনটাই করে দেখাল ইন্টার মায়ামি। দুই গোল হজমের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মায়ামি। সেটা সম্ভব হয়েছে লিওনেল মেসির জাদুতে। ইন্টার এন্ড কোং স্টেডিয়ামে ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইন্টার মায়ামি।
১ ঘণ্টা আগে
মুশফিকুর রহিমের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছিল গত কয়েক দিন ধরেই। সৌদি আরবে ওমরাহ করতে গিয়ে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে আজ সকালে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
২ ঘণ্টা আগে