দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুক্রবার শুরু দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশ দল এখন গেবেখায় (সাবেক পোর্ট এলিজাবেথ)। এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর। নিজ শহরে পুরো দলকে পাওয়ার সুযোগটা হাতছাড়া করছেন না তিনি। তামিম ইকবাল, মুমিনুল হকদের নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন ডমিঙ্গো।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাতে নৈশভোজের আয়োজন করছেন ডমিঙ্গো। সাদা চোখে এটা সামাজিকতার বিষয় হলেও এই নৈশভোজের বিশেষ তাৎপর্য আছে।
সম্প্রতি দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ডমিঙ্গোর দূরত্বের গুঞ্জন ওঠে। বিশেষ করে সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে।
এই প্রেক্ষাপটে নৈশভোজের নিমন্ত্রণটা নিশ্চয়ই অন্যরকম তাৎপর্য বহন করবে৷
অবশ্য বাইরে যে আলোচনাই হোক, দলের চিত্র আজ অন্যরকমই দেখাল ৷ সেন্ট জর্জেস পার্কের অনুশীলনে ডমিঙ্গোর সঙ্গে ফুরফুরে মেজাজে অনেকক্ষণ আলাপ করতে দেখা যায় ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমকে। তাঁদের এই ছবি দেখে কে বলবে গুরু-শিষ্যের দূরত্ব বা নানা বিষয়ে মত পার্থক্য রয়েছে!
কোচের সঙ্গে সিনিয়র ক্রিকেটের দূরত্ব বা মতপার্থক্যের বিষয়টি মানতে নারাজ টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্যেও। তাঁর দাবি, দল হারলেই দূরত্বের ব্যাপারটা সংবাদমাধ্যমে আসছে। রসিকতার সুরে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘আপনারা (সংবাদমাধ্যম) দূরত্ব দেখছেন, কিন্তু দলের কেউ তা মনে করছে না। তার বাসায় কিন্তু আগামীকাল আমাদের ডিনারের দাওয়াত (হাসি)।’
বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা সপ্মর্কিত পড়ুন:

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে