
পিলখানা ট্রাজেডি তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতা নয়, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘কর্নেল গুলজার যখন হেডকোয়ার্টারকে বারবার ফোন করে বলছিলেন, স্যার কিছু একটা করেন, আমাদের উদ্ধার করেন, আমাদের জীবন বাঁচান—কেউ তাদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে যায়নি। তৎকালীন সেনাপ্রধান-প্রধানমন্ত্রী এর দায় কীভাবে অস্বীকার করবেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দায় কিভাবে অস্বীকার করবেন? এরা সবাই দোষী। এরা কেউ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন না, দাবিও করতে পারবেন না।’
আজ বুধবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে পিলখানা ট্রাজেডিতে নিহত সেনাদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘তখন সেনাবাহিনী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে দুটি আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন হয়েছিল। দুইটা তদন্তের কোন রিপোর্টই জনগণ জানতে পারলো না এবং সেটা আলোর মুখ দেখলো না। যদি তদন্তের রিপোর্ট জাতির সামনে আসতো, তাহলে হয়তো অনেক সত্য পরিষ্কার হয়ে যেত। নিশ্চয়ই তখন যারা ক্ষমতাসীন ছিলেন, এর সাথে তাদের গভীর সম্পর্ক ছিল এই হত্যাকাণ্ডের সাথে। যার কারণে তারা চাননি যে এই রিপোর্টগুলো প্রকাশ পাক।’
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘খুনের নেপথ্যের কারিগর যারা ছিল, পরিকল্পনাকারী ছিল, ষড়যন্ত্রকারী ছিল, যারা তাদেরকে উৎসাহ যুগিয়েছে এবং যারা এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে—আমরা মনে করি তারা সকলেই সমানভাবে দোষী। যদি বর্তমান সরকার বিচারের আওতায় আনতে পারে তাহলে এই জাতির কিছু দায়মুক্তি হবে, দায়মোচন হবে। যদি না পারে তাহলে এটা সরকারের চরম ব্যর্থতা হিসেবে পরিগণিত হবে। আমরা আশা করি সরকার তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে।’
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এত সেনা অফিসার মারা যাননি উল্লেখ করে জামায়াত আমির আরও বলেন, দুইটা বিশ্বযুদ্ধ হয়েছে, একদিনে কোথাও এত সেনা অফিসারকে খুন করা হয়নি। এর আগে এই ধরনের আর কোন উদাহরণ নাই। এতগুলো মানুষ আমাদের বুক থেকে কেড়ে নেয়া হলো। মূলত এই দেশকে সামরিক শক্তির দিক থেকে কোমর ভেঙে দেওয়ার এটি ছিল একটি গভীর ষড়যন্ত্র।
শফিকুর রহমান বলেন, জানিনা এর (পিলখানা ট্রাজেডি) বিচার হবে কিনা। আমাদের প্রত্যাশা ছিল এই দেশ সেবার সুযোগ আমরা পেলে কোন আপোষ করবো না, এ ব্যাপারে আমরা ঠিক বিচার করব। আমরা ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি চালু করতে চাই, তবে প্রতিহিংসার কোন রাজনীতি আমরা চালু করতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, প্রতিহিংসা আর ন্যায়বিচার ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বিচারের নামে যা করা হয় তা ঠান্ডা মাথার হত্যাকাণ্ড হয় অথবা শাস্তি দেওয়া হয়। আমরা ওটা চাই না। আমরা চাই ন্যায় বিচারটাই নিশ্চিত হোক। কেউ নির্দোষ হলে নির্দোষ হয়ে যাবে বিচারের মাধ্যমে, আর যারা সত্যিকারের দোষী তারা যেন তাদের পাওনাটা পায়, তাদের শাস্তিটা পায়।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১৫ ঘণ্টা আগে