ভারতীয় অভিনেতা দিলীপ কুমারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের।
আজ বুধবার এক শোকবার্তায় দিলীপ কুমারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
শোকবার্তায় জি এম কাদের আরও বলেন, মুহাম্মদ ইউসুফ খান চলচ্চিত্রে দিলীপ কুমার নামে অনবদ্য অভিনয় করে ইতিহাস হয়ে আছেন। অভিনয়কে বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলতে দিলীপ কুমারের ছিল অতুলনীয় দক্ষতা। শুধু অভিনয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েই শত কোটি মানুষের স্বপ্নের রাজপুত্র হয়েছিলেন তিনি। একজন ভারতীয় অভিনেতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পুরস্কার পেয়ে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন। দিলীপ কুমার অক্ষয় হয়ে থাকবেন তাঁর কর্মের মাঝে। তাঁর মৃত্যুতে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার ইতিহাসে এক কিংবদন্তির জীবনাবসান হলো।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, ট্র্যাজেডি কিং দিলীপ কুমারের মৃত্যুতে একইভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাপা মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, উপদেষ্টা ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির আহ্বায়ক শেরিফা কাদের এবং জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সদস্যসচিব আলাউদ্দিন আহমেদ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১ দিন আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে