
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। আজ রোববার বেলা ১২টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, সিঙ্গাপুরে পৌঁছাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির আনুমানিক চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। সেখানে তাঁকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। এই সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জাফর।
এর আগে গত বুধবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এই প্রবীণ রাজনীতিবিদকে। মিজানুর রহমান জানান, সেদিন ইফতারের পর পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার ও দলের নেতা-কর্মীরা।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১০ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে