
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)। গতকাল সোমবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় জি এম কাদের বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর এই ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয় এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি মনে করেন, এই সাফল্য শুধু ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জন্য নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, অটল দৃঢ়তা এবং কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই শুভেন্দু অধিকারী জনগণের এই বিশাল আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়ে জি এম কাদের আশা প্রকাশ করেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন একটি দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্য স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
৮ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে