
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। আজ বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত গণভোটবিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
মনির হায়দার বলেন, যদি এবারের গণভোট বিজয়ী না হয়, ‘‘হ্যাঁ’’ জয়যুক্ত না হয়; তাহলে একদম নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবেই। কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারণ, এই গণভোটার আয়োজনই করা হয়েছে যে বিষয়বস্তু নিয়ে, এটা তৈরি করা হয়েছে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানোর জন্য।’
সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলগুলোকে একটা অবস্থান নিতে হবে—তারা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে নাকি ‘না’-এর পক্ষে; যাতে কোন দল কোন কোন সংস্কার বাস্তবায়নে বিশেষ উদ্যোগ নেবে এবং কোন কোন দল সংস্কারের ব্যাপারে আন্তরিক, তা জনগণ সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারে।
নৌপরিবহন ও শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ শুধু ভোটটা করানো নয়। তাদের কাজ হচ্ছে গণভোটটা কী, তা পাবলিককে বলা। কারণ, গণভোটও তাদের কন্ডাক্ট করতে হবে। কিন্তু ইলেকশন কমিশন না করে যদি এটা শুধু সরকার করতে যায়, তখন অনেক কথা উঠবে যে, কার দলে কার পক্ষে আমরা কী করছি। ইতিমধ্যে আমিও আপনাদের মতো অনেক গুঞ্জন শুনেছি, যারা বিতাড়িত হয়েছে, তারা বসে নেই, তারা সব ধরনের প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তাদের কাছে এখনো টাকাপয়সা আছে, তাদের বিদেশি মদদ আছে।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৩ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে