
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, নীতিনির্ধারণের সময় নারীরা যদি টেবিলে না থাকেন, তাহলে নীতির বাস্তব প্রয়োগেও ঘাটতি থেকে যায়। নারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া টেকসই রোডম্যাপ তৈরি সম্ভব নয়।
আজ রোববার রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটরিয়ামে উইমেন ইন ডেমোক্রেসির (উইনড) উদ্যোগে ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে নারী: অবদান, দায় ও দায়িত্ব’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন জাইমা রহমান।
জাইমা রহমান বলেন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পথে নারীদের জন্য বহু কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি কর্মজীবী নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সুবিধার বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁর ভাষায়, ডে-কেয়ার শুধু খেলাঘর হলে চলবে না; প্রশিক্ষিত জনবল, পর্যাপ্ত জায়গা, শিশুদের বয়সভিত্তিক যত্ন, পুষ্টিকর খাবার ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবার ব্যবস্থাও থাকতে হবে। এসব নিশ্চিত না হলে একজন মা নির্বিঘ্নে কাজ বা রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবেন না।
জাইমা রহমান আরও বলেন, ছাত্ররাজনীতি থেকে স্থানীয় সরকার হয়ে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার জন্য নারীদের একটি শক্ত ও টেকসই ‘পাইপলাইন’ তৈরি করা জরুরি। শুধু পাইপলাইন তৈরি করলে হবে না, সেটিকে ধরে রাখা ও নিয়মিত সংস্কার করাও প্রয়োজন। তা না হলে যোগ্য ও নেতৃত্ব গুণসম্পন্ন নারীরা সামনে আসার সুযোগ হারাবেন।
মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাইমা রহমান বলেন, রাজনীতি ও সিভিক ডিউটির ক্ষেত্রে নারীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম থাকা দরকার। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ও পেশাজীবীদের ছায়ায় না থাকলে তরুণ নারীরা কোন পথে এগোবেন, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা বুঝে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক দলগুলোকেই এই দায়িত্ব নিতে হবে।
ফাইন্যান্সিংকে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতি ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অর্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। এই ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে, যা স্বীকার করেই নারী নেত্রীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ও সহায়তা বাড়াতে হবে। আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের হারও বাড়বে।
নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে জাইমা রহমান বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কোড অব কনডাক্ট কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো নারী নেত্রী বা ছাত্র নেত্রী হয়রানি বা হুমকির শিকার হলে দলকে দায়িত্ব নিয়ে তার পাশে দাঁড়াতে হবে এবং আইনি ও নৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
জাইমা রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বিনিয়োগ একবারের জন্য নয়, এটি ধারাবাহিক হতে হবে। বৈষম্য যেখানে আছে, সেখানে সমতা আনতে অতিরিক্ত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সমাজের বিভিন্ন স্তর—শিক্ষক, শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ও নাগরিক সমাজ একসঙ্গে বিনিয়োগ করলে একটি ভালো ও ন্যায্য বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৫ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে