
বিএনপি সারা দেশে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। আজ সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের কাজে বিএনপিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই। শুধু এই কয়টি সংস্থাই নয়, পুরো অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিএনপির পক্ষে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হুসাইন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলছে। যাঁরা লিফলেট বিলি করতে বের হন, তাঁদেরকে মারধর করছে।’
ঢাকা-১১, নাটোর-৩ নোয়াখালী-৬, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে প্রচারণায় বাধা দেওয়া ও কর্মীদের আহত করার বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন আকরাম হুসাইন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা ভোটের জন্য যখন পাড়ায়-মহল্লায় এবং মানুষের বাড়িঘরে যাচ্ছেন, তখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার নির্যাতন করছে। গালাগাল ও সাইবার বুলিং চলছে সর্বত্র। শারীরিক নির্যাতনও করা হচ্ছে, তাঁদের হিজাব এবং নিকাব খুলে নিচ্ছে। দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণার কাজে নামা হাজার হাজার নারীদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এনসিপি নেতারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদ বিবেচনায় রেখে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের মৌখিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় ‘সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি’ এবং ‘জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১ দিন আগে