সোহানুর রহমান, জবি

পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
শুধু আবদুল করিম নন, ঢাকা-৬ আসনের অনেক ভোটার তাঁদের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। পাশাপাশি তাঁরা এলাকার নানা সমস্যা সমাধানের দাবি তোলেন।
ঢাকা-৬ আসন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৪, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।
এর অন্তর্ভুক্ত সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি থানার একাংশ।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে আসবে, কে যাবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না ইত্যাদি নিয়ে আলাপ।
আনুষ্ঠানিক প্রচার না থাকলেও নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানো যাবে।
২৭ বছর ধরে পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার পেছনে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকে ইলিয়াস খান। পেশায় ফুচকা বিক্রেতা ইলিয়াস খান বলেন, ‘আগে যেখানে যেতাম, সেখানে চাঁদা দিতে হতো। এবার যিনি নির্বাচনে জয়ী হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি যেন না থাকে।’
সূত্রাপুরে বসবাসকারী বিলাল হোসেন সদরঘাট এলাকায় ফাস্টফুড বিক্রি করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পুরান ঢাকায় ড্রেনেজ (নালা) সমস্যা, রাস্তার সমস্যা। চারদিকে সমস্যা আর সমস্যা। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁকে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
কলতাবাজারের স্থায়ী বাসিন্দা শিক্ষক আয়েশা বেগম বলেন, ‘ভোটের আগে সবাই এত এত প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে উন্নয়ন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আগে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা পর্যন্ত ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। চারদিকে এত অরাজকতা ছিল, যা কল্পনার বাইরে। আশা রাখছি, এবার যাঁরা ক্ষমতায় আসবেন, তাঁরা জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করবেন।’
ইসির তালিকা অনুযায়ী, এই আসনের বৈধ প্রার্থী পাঁচজন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ইশরাক হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল মান্নান, গণফ্রন্টের আহম্মেদ আলী শেখ, গণঅধিকার পরিষদের মো. ফখরুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির আমির উদ্দিন আহমেদ (ডালু)।
গণফ্রন্টের প্রার্থী আহম্মেদ আলী শেখ বলেন, ‘নির্বাচিত হলে জনগণের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, বাসস্থান এবং খাদ্যসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করব। আশা করি, জনগণ গতানুগতিক রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে তাদের সমস্যা ও স্বার্থ নিয়ে যাঁরা সত্যিকার অর্থে কাজ করতে চান, তাঁদেরই নির্বাচিত করবেন।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমরা এই আসনকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। জনগণ জানে আমরা কি করতে পারি। তাই আমি আশা করি, আগামী নির্বাচনে ঢাকা-৬-এ সাইলেন্ট (নীরব) বিপ্লব হবে।’
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই আমরা সরাসরি মাঠে নামব। পুরান ঢাকাকে যানজটমুক্ত রাখা, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।’
এ ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করেও বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
শুধু আবদুল করিম নন, ঢাকা-৬ আসনের অনেক ভোটার তাঁদের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। পাশাপাশি তাঁরা এলাকার নানা সমস্যা সমাধানের দাবি তোলেন।
ঢাকা-৬ আসন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৪, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।
এর অন্তর্ভুক্ত সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি থানার একাংশ।
গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। কে আসবে, কে যাবে, আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কি না ইত্যাদি নিয়ে আলাপ।
আনুষ্ঠানিক প্রচার না থাকলেও নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কুশল বিনিময় করছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানো যাবে।
২৭ বছর ধরে পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার পেছনে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকে ইলিয়াস খান। পেশায় ফুচকা বিক্রেতা ইলিয়াস খান বলেন, ‘আগে যেখানে যেতাম, সেখানে চাঁদা দিতে হতো। এবার যিনি নির্বাচনে জয়ী হবেন, তাঁর কাছে একটাই প্রত্যাশা—চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি যেন না থাকে।’
সূত্রাপুরে বসবাসকারী বিলাল হোসেন সদরঘাট এলাকায় ফাস্টফুড বিক্রি করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পুরান ঢাকায় ড্রেনেজ (নালা) সমস্যা, রাস্তার সমস্যা। চারদিকে সমস্যা আর সমস্যা। যিনি নির্বাচিত হবেন, তাঁকে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
কলতাবাজারের স্থায়ী বাসিন্দা শিক্ষক আয়েশা বেগম বলেন, ‘ভোটের আগে সবাই এত এত প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে উন্নয়ন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আগে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা পর্যন্ত ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। চারদিকে এত অরাজকতা ছিল, যা কল্পনার বাইরে। আশা রাখছি, এবার যাঁরা ক্ষমতায় আসবেন, তাঁরা জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করবেন।’
ইসির তালিকা অনুযায়ী, এই আসনের বৈধ প্রার্থী পাঁচজন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ইশরাক হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল মান্নান, গণফ্রন্টের আহম্মেদ আলী শেখ, গণঅধিকার পরিষদের মো. ফখরুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির আমির উদ্দিন আহমেদ (ডালু)।
গণফ্রন্টের প্রার্থী আহম্মেদ আলী শেখ বলেন, ‘নির্বাচিত হলে জনগণের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, বাসস্থান এবং খাদ্যসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করব। আশা করি, জনগণ গতানুগতিক রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে তাদের সমস্যা ও স্বার্থ নিয়ে যাঁরা সত্যিকার অর্থে কাজ করতে চান, তাঁদেরই নির্বাচিত করবেন।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমরা এই আসনকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। জনগণ জানে আমরা কি করতে পারি। তাই আমি আশা করি, আগামী নির্বাচনে ঢাকা-৬-এ সাইলেন্ট (নীরব) বিপ্লব হবে।’
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই আমরা সরাসরি মাঠে নামব। পুরান ঢাকাকে যানজটমুক্ত রাখা, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।’
এ ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করেও বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৫ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
৯ ঘণ্টা আগে