
আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম দুই দিন রাজধানীতে বড় জমায়েত করবে আওয়ামী লীগ। প্রথম দিন রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের আয়োজনে তারুণ্যের সমাবেশ এবং দ্বিতীয় দিন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ করা হবে। উভয় সমাবেশেই প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ তথ্য জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাংগঠনিক জেলাগুলোর নেতাদের সঙ্গে এ সভা করেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী ২ সেপ্টেম্বরের সমাবেশে মহাসমুদ্র দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ইস্পাতের মতো শক্তি নিয়ে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ করতে প্রস্তুত।’
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাত্তর থেকে ২১ আগস্টের বিপ্লবী সৈনিক অভিহিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর যে লড়াই করেছি, তা ছিল অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। পঁচাত্তরের পর এ দেশের সবচেয়ে বড় অর্জনের নাম শেখ হাসিনা, তাঁর নেতৃত্বেই সব উন্নয়নের অর্জন। এ দেশের ইতিহাসের পাতায় দুটি নাম অমর—বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১০ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে