
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের বাসস্থানে হামলা, হত্যা, নির্যাতন, ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে সাত দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ প্ল্যাটফর্ম। আজ রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
জাবের অভিযোগ করে বলেন, বিএসএফ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে এবং এটিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে। ২০০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বাংলাদেশিকে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে। ভারতের এই আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং ভারত সরকার কোনো আন্তর্জাতিক তোয়াক্কা না করেই বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের এ নেতা বলেন, ভারত শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার সামরিক সক্ষমতা কতটুকু বাড়াবে, তা ভারত নির্ধারণ করে দিচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে—ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো; ভারতকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে জাতিসংঘ ও ওআইসিতে তোলা; সীমান্তে প্রতিটি হত্যার বিপরীতে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের ও বিএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আদানিসহ সব ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা স্থগিত রাখাসহ সাত দফা।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১২ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
২০ ঘণ্টা আগে