ফিচার ডেস্ক

ভ্রমণের জন্য বিপুল অর্থ দরকার—এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রিটিশ নাগরিক তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। মাসে মাত্র ৪০০ ডলার পেনশন পান তিনি। এই সামান্য আয়ের ওপর ভর করেই ২০ বছর ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। বয়স এখন ৬৯। ঠিকানা নেই, স্থায়ী ঘর নেই, তাই পৃথিবীটাই তাঁর ঘর!
কাজের সঙ্গে ভ্রমণ
তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার ভ্রমণের খরচ সামলান একেবারেই ভিন্ন ও অভিনব উপায়ে। পোষা প্রাণীর দেখভাল এবং বাড়ি পাহারা দেওয়ার কাজকে নিজের জীবনযাত্রার অংশ করে নিয়েছেন তিনি। যেখানেই যান, সেখানেই তিনি পেট সিটার বা হাউস সিটার হিসেবে কাজ নেন। এর বিনিময়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক থাকার জায়গা পান। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেটসহ ঘরের সব সুবিধাও ব্যবহার করতে পারেন। কখনো কখনো এই কাজের সঙ্গে সামান্য পারিশ্রমিকও পান, যা তাঁর দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সাহায্য করে।
যেভাবে শুরু
এই পথচলার শুরুটা ছিল খুবই সাধারণ। হাওয়াইয়ে থাকার সময় এক বন্ধু তাঁকে সাময়িকভাবে শিশু দেখাশোনার অনুরোধ করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর সামনে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। তিনি বুঝতে পারেন, মানুষের প্রয়োজন আর তাঁর সময়—এই দুটিকে মেলাতে পারলে ভ্রমণের সঙ্গে জীবিকা একসঙ্গে চলতে পারে। ধীরে ধীরে তিনি কাজটিকে পেশাদার রূপ দেন। পোষা প্রাণীর স্বভাব বোঝা, ঘরের দায়িত্ব নেওয়া, মালিক না আসায় বিশ্বাসযোগ্যভাবে সবকিছু সামলানো—এসবই হয়ে ওঠে তাঁর দক্ষতা।
এক ব্যাগে জীবন
নিউইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে ফ্লোরিডার শান্ত গ্রাম; অন্যদিকে লন্ডনের পুরোনো অলিগলি, প্রাণবন্ত মাদ্রিদ কিংবা স্পেনের ছোট ছোট গ্রামে বিভিন্ন সময় কাটিয়েছেন তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। কোনো জায়গাই তাঁর কাছে স্থায়ী নয়। প্রতিটি শহর, প্রতিটি বাড়ি তাঁর জীবনে যোগ করেছে নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন গল্প। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত দীর্ঘ পথচলার পরও তাঁর সব সম্পদ আজও একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগেই সীমাবদ্ধ। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু তিনি বহন করেন না।
তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ারের গল্পে ভ্রমণ মানেই দামি হোটেল, নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কিংবা বড় বাজেটের বিষয় নয়। অল্প টাকায়ও যে পৃথিবী দেখা যায়, তা তিনি প্রমাণ করেছেন। কম আয়, কম প্রয়োজন এবং খোলা মন—এই তিনটি নিয়েই তিনি গড়ে তুলেছেন এক ভিন্ন জীবনধারা।
কখনো স্থায়ী ঠিকানা না থাকার পরেও তাঁর জীবনে যেন সব রয়েছে। কারণ, তখন পুরো পৃথিবীটাই হয়ে যায় মানুষের ঘর, আর প্রতিটি নতুন জায়গা হয়ে ওঠে তাঁর ঠিকানা।
সূত্র ও ছবি: ডেইলি মেইল

ভ্রমণের জন্য বিপুল অর্থ দরকার—এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রিটিশ নাগরিক তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। মাসে মাত্র ৪০০ ডলার পেনশন পান তিনি। এই সামান্য আয়ের ওপর ভর করেই ২০ বছর ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। বয়স এখন ৬৯। ঠিকানা নেই, স্থায়ী ঘর নেই, তাই পৃথিবীটাই তাঁর ঘর!
কাজের সঙ্গে ভ্রমণ
তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার ভ্রমণের খরচ সামলান একেবারেই ভিন্ন ও অভিনব উপায়ে। পোষা প্রাণীর দেখভাল এবং বাড়ি পাহারা দেওয়ার কাজকে নিজের জীবনযাত্রার অংশ করে নিয়েছেন তিনি। যেখানেই যান, সেখানেই তিনি পেট সিটার বা হাউস সিটার হিসেবে কাজ নেন। এর বিনিময়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক থাকার জায়গা পান। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেটসহ ঘরের সব সুবিধাও ব্যবহার করতে পারেন। কখনো কখনো এই কাজের সঙ্গে সামান্য পারিশ্রমিকও পান, যা তাঁর দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সাহায্য করে।
যেভাবে শুরু
এই পথচলার শুরুটা ছিল খুবই সাধারণ। হাওয়াইয়ে থাকার সময় এক বন্ধু তাঁকে সাময়িকভাবে শিশু দেখাশোনার অনুরোধ করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর সামনে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। তিনি বুঝতে পারেন, মানুষের প্রয়োজন আর তাঁর সময়—এই দুটিকে মেলাতে পারলে ভ্রমণের সঙ্গে জীবিকা একসঙ্গে চলতে পারে। ধীরে ধীরে তিনি কাজটিকে পেশাদার রূপ দেন। পোষা প্রাণীর স্বভাব বোঝা, ঘরের দায়িত্ব নেওয়া, মালিক না আসায় বিশ্বাসযোগ্যভাবে সবকিছু সামলানো—এসবই হয়ে ওঠে তাঁর দক্ষতা।
এক ব্যাগে জীবন
নিউইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে ফ্লোরিডার শান্ত গ্রাম; অন্যদিকে লন্ডনের পুরোনো অলিগলি, প্রাণবন্ত মাদ্রিদ কিংবা স্পেনের ছোট ছোট গ্রামে বিভিন্ন সময় কাটিয়েছেন তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। কোনো জায়গাই তাঁর কাছে স্থায়ী নয়। প্রতিটি শহর, প্রতিটি বাড়ি তাঁর জীবনে যোগ করেছে নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন গল্প। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত দীর্ঘ পথচলার পরও তাঁর সব সম্পদ আজও একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগেই সীমাবদ্ধ। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু তিনি বহন করেন না।
তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ারের গল্পে ভ্রমণ মানেই দামি হোটেল, নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কিংবা বড় বাজেটের বিষয় নয়। অল্প টাকায়ও যে পৃথিবী দেখা যায়, তা তিনি প্রমাণ করেছেন। কম আয়, কম প্রয়োজন এবং খোলা মন—এই তিনটি নিয়েই তিনি গড়ে তুলেছেন এক ভিন্ন জীবনধারা।
কখনো স্থায়ী ঠিকানা না থাকার পরেও তাঁর জীবনে যেন সব রয়েছে। কারণ, তখন পুরো পৃথিবীটাই হয়ে যায় মানুষের ঘর, আর প্রতিটি নতুন জায়গা হয়ে ওঠে তাঁর ঠিকানা।
সূত্র ও ছবি: ডেইলি মেইল

কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
৬ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জেদ বুর্জ খলিফার চেয়েও উঁচুতে থাকবে। পুরোনো কোনো চাচা বা খালু হুট করে এসে হাজির হতে পারেন। সাবধান, আজকের দিনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে লোন বা টাকা নিয়ে কথা বলতে যাবেন না, ইজ্জত এবং মানিব্যাগ দুটোই পাংচার হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভিয়েতনামের সংস্কৃতির প্রধান ভিত্তি তেত কিংবা চান্দ্র নববর্ষ। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং ভিয়েতনামের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের এক মহোৎসব। ভিয়েতনামের প্রতিটি প্রান্তে এ সময়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
৬ ঘণ্টা আগে