
ডিম দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের তাপমাত্রায় রেখে দিলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ডিম সংরক্ষণের ভালো উপায় হলো ফ্রিজে রাখা। অনেকের বিশ্বাস, ডিম ধুয়ে একটি সিল করা কনটেইনারে ঢুকিয়ে ফ্রিজে রাখলে তা অন্য খাবারে ব্যাকটেরিয়া ছড়ানো রোধ করে। এ তথ্য কি সত্যি? কখনো জানতে চেয়েছেন কোথাও?
মূলত মুরগি বা হাঁসের ডিমে প্রাকৃতিকভাবে মাটি বা বিষ্ঠার মতো ময়লা থাকতে পারে, যা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া বহন করে। তাই খাবারের মান বজায় রাখতে এবং ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি কমাতে ডিম ভালোভাবে পরিষ্কার করে সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
কীভাবে ডিম ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে
ভিয়েতনামের জাতীয় পুষ্টি ইনস্টিটিউটের সাবেক উপপরিচালক ড. নগুয়েন থি লাম কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ডিম সংরক্ষণের বিষয়ে। তিনি জানান, ফ্রিজে ডিম রাখার সময় দুটি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবো—
ডিম ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর শুকিয়ে একটি সিল করা কনটেইনারে রেখে ফ্রিজের ঠান্ডা অংশে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে ডিম অন্যান্য খাবারে ব্যাকটেরিয়া ছড়ানো রোধ করবে এবং ভালো থাকবে।
ডিম খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা
ডিম একটি উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। এটি প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিডে ভরপুর। শিশুদের জন্য দিনে একটি ডিম খাওয়া নিরাপদ। এতে থাকা কোলিন শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও বুদ্ধি উন্নয়নে সহায়তা করে। যাদের ফ্যাটি লিভার আছে বা লিভার অ্যানজাইম বেশি, বিশেষ করে যাদের মাঝারি থেকে গুরুতর অবস্থা, তাদের জন্য ডিমের পরিবর্তে অন্য স্বাস্থ্যকর প্রোটিন উৎস বেছে নেওয়া ভালো।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে ৩ থেকে ৪টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সব সময় ডিম ধুয়ে রাখবেন কি না
ডিমের খোলসে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যেখান দিয়ে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ভেতরে প্রবেশ করতে পারে। এমনকি যেসব খোলস দেখতে পরিষ্কার, সেগুলোও জীবাণু বহন করতে পারে। এরপরেও ডিম ধোয়া সব সময় জরুরি নয়। ডিম না ধুয়ে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলেও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত রেফ্রিজারেশন ছাড়াই ভালো থাকতে পারে। তাই ডিম ধোয়ার বিষয়টি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পছন্দের ওপর নির্ভর করে।
কোনো কোনো দেশে ডিম বিক্রির আগে ধোয়া বাধ্যতামূলক। তবে একবার ডিম ধুয়ে ফেললে অবশ্যই তা রেফ্রিজারেটরে রাখা উচিত।
কীভাবে ডিম ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করবেন
ডিম না ধুয়ে যেভাবে সংরক্ষণ করবেন
নষ্ট ডিম চেনার উপায়
শিশুদের ডিম খাওয়ানোর স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি
শিশু অর্ধকঠিন খাবার খাওয়া শুরু করার প্রথম দিকের খাবার হিসেবে ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত। তবে এটি শিশুর জন্য খাবার উপযোগী করে তুলতে হবে সতর্কতার সঙ্গে।

১. শিশুদের জন্য সেদ্ধ ডিম স্বাস্থ্যকর
ডিম খাওয়ানোর ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি হলো ভালোভাবে সেদ্ধ করা ডিম বা হার্ড বয়েল।
সেদ্ধ ডিম খাওয়ানোর কারণ
২. অল্প তেলে তৈরি অমলেট
এক বছরের বেশি বয়সের শিশুদের অমলেট খাওয়ানো যেতে পারে। তবে এই অমলেট তৈরি করতে হবে অল্প তেল দিয়ে।

৩. গরম পানিতে পোচ বা পানিত্যালানি
টগবগ করে ফুটতে থাকা পানিতে ডিম ভেঙে দিয়ে দিন। তবে এটিও সেদ্ধ ডিমের মতো শক্ত হলেই শুধু খাওয়ানো যাবে। তাতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকবে না।
যেভাবে শিশুদের ডিম খাওয়ানো যাবে না
শিশুদের ডিম খাওয়ানোর সময় সতর্কতা
সূত্র: আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস (এএপি), একাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিকস, দ্য সেন্টার ফর ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ, ই ভিএন এক্সপ্রেস

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১২ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১৪ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৮ ঘণ্টা আগে