
২০২৬ সূর্যের বছর। সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, ২০২৬ সালের সংখ্যাগুলো যোগ করলে তার যোগফল হয় ১০। আবার ১০ এর যোগফল হয় ১। অর্থাৎ ২০২৬ সালের সংখ্যাতাত্ত্বিক মান ১, জ্যোতিষশাস্ত্রে যা সূর্যের প্রতীক। ফলে এ বছরকে বলা হচ্ছে সূর্যের বছর। সূর্য আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও নতুন সূচনার প্রতিনিধিত্ব করে। এর ফলে বছরটি সাহস, কর্মজীবনের উন্নতি এবং সামাজিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির বছর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বুঝতেই পারছেন, সূর্য রাজত্ব করবে বলে এ বছর গরমও বেশি হবে। মাঘ মাসে সেই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দিনের কোনো কোনো সময় এসি বা ফ্যান ছাড়তে হচ্ছে।
উষ্ণতার এ বছরে এমন হলুদ রঙের পোশাক বেছে নিন, যা পরতে ও দেখতেও আরামদায়ক হবে। ক্রিম মাস্টার্ড, লেমন ইয়েলো এ ধাঁচের রংগুলো ভালো লাগবে এ সময়। বড় কথা, যেমন হলুদ রঙের পোশাকই পরুন না কেন, তাতে আপনি ঠিকঠাক স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন কি না, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার পুরো লুক। অনিক কুণ্ড, সহপ্রতিষ্ঠাতা, হরিতকী
সূর্যের এ বছরে রঙের ওপরও প্রভাব পড়বে। লাল, সোনালি, কমলা, হলুদ—এই রংগুলো সূর্যের শক্তি, সাহস এবং শুভ প্রভাবের প্রতীক। তাই হলুদ রঙের পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সারা বছর ধরে প্রচণ্ড রোদের সংস্পর্শে থাকা বা তীব্র রোদের দিনগুলোয় সর্বোচ্চ আরাম এবং সুরক্ষার জন্য কেমন হলদে পোশাক পরবেন, তা ভেবেছেন কি? এ সময় সুতি কাপড়ের ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে হলুদ রংকে শুভ, সমৃদ্ধি, আনন্দ, সুখ, আশাবাদ এবং সৃজনশীলতার প্রতীক বলে মনে করা হয়। এ বছর কেমন হলুদ পোশাক বেছে নিতে পারেন, জেনে নিন একঝলকে—

বাতাস চলাচল করে এমন কাপড়: লিনেন ও সুতি কাপড়ের ভেতরে বাতাস চলাচল করতে পারে সহজে। এগুলো পরলে শরীর অনেকটাই ঠান্ডা থাকে।
অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ করবে এমন পোশাক: পলিয়েস্টার বা বিশেষায়িত অ্যাথলেটিক পোশাক ঘাম নিয়ন্ত্রণের জন্য ভালো।
ঘন বুননের পোশাক: সুতির হলেও ঘর বুননের পোশাক বেছে নিন। এতে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি কাপড়ের ভেতর দিয়ে ত্বকে পৌঁছাবে না।
পোশাকের ধরন ও ফিটিং
আঁটসাঁট পোশাক পরুন, তবে বুঝে: আঁটসাঁট পোশাক পরলে গরম বেশি লাগতে পারে। তবে পরতে পারেন যদি কাপড়ের ইলাস্টিসিটি থাকে এবং কাপড়টি আরামদায়ক হয়।
হাত-পা ঢাকা হলে ভালো: লম্বা হাতা এবং পুরো পা ঢাকা প্যান্ট বা স্কার্ট এ বছরের জন্য ভালো হবে। এতে করে অতিরিক্ত তাপ থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।
ওয়ান-পিস পোশাক: থ্রি-পিস বা ফোর-পিসের পোশাক না পরে হালকা সামার ফ্রক, কাফতান এবং জাম্পস্যুট পরুন। এগুলো ঝট করে পরে ফেলা যায়, বাতাস চলাচল করতে পারে, হালকা ও আরামদায়ক। স্টাইলিংয়ের জন্যও দুর্দান্ত।
রং মেশানোর বেলায়
তাপ কমাতে: তাপ কমানোর জন্য হলুদের সঙ্গে হালকা রং; যেমন সাদা, বেইজ, হালকা ধূসর ইত্যাদি রঙের অনুষঙ্গ ব্যবহার করুন। কাপড়ের বেলাতেও এমন প্রিন্ট বেছে নিন, যেখানে হলুদের সঙ্গে নিউট্রাল রঙের মিলমিশ রয়েছে। এতে শরীর ও মন—দুটোই ফুরফুরে থাকবে।
রোদ থেকে সুরক্ষা পেতে: গাঢ় বা আরও তীব্র রং; যেমন গাঢ় নীল, কালো, গাঢ় লাল ইত্যাদি বেশি অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। তাই হলুদ টপস বা কামিজের সঙ্গে কালো বা নীল ডেনিম প্যান্টও পরতে পারেন। তবে কথা একটাই—তা যেন স্ট্রেচিং ও আরামদায়ক হয়।

অনুষঙ্গ নিয়ে একটু কথা
সূর্যের বছর আপনার ব্যাগটা একটু ভারী হবে বৈকি। রোদের যে তাপ থাকবে, তাতে কয়েকটা অনুষঙ্গ তো রোজই বয়ে বেড়াতে হবে। যা যা ব্যাগে রাখতে পারেন—
টুপি: অতিবেগুনি রশ্মি থেকে মুখ, কান ও ঘাড় রক্ষা করতে চওড়া টুপি রাখুন।
সানগ্লাস: চোখকে ৯৯ থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেয়, এমন সানগ্লাস পরুন।
স্কার্ফ: হালকা ওজনের সিল্কের স্কার্ফ সঙ্গে রাখতে পারেন। এটি সূর্যের প্রখর তাপ থেকে মুখ বাঁচাবে।
গয়না: পিতল, তামা ও স্বর্ণের ছোট অলংকার সমৃদ্ধির এ বছরে সঙ্গী করুন।

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
৯ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১০ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৫ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
১৭ ঘণ্টা আগে