
গোলাপ চিরকালই ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং গভীর অনুরাগের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। ভালোবাসার এই মাসে বসন্তের আমেজে প্রিয়জনের কাছ থেকে একগুচ্ছ তাজা গোলাপ পাওয়ার অনুভূতিই আলাদা। এ সময় প্রিয় মানুষের দেওয়া ফুল হয়ে ওঠে একরাশ স্মৃতির ধারক। তবে মন খারাপ হয়ে যায় যখন সঠিক যত্নের অভাবে দু-এক দিন পরই উজ্জ্বল ফুলগুলোর পাপড়ি খসে পড়তে থাকে; কিংবা নিস্তেজ হয়ে যায়। তাই, এই তাজা উপহারকে একটু বেশিক্ষণ স্থায়ী করতে দরকার সঠিক যত্নের। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার ফুলদানির গোলাপগুলোও কেবল এক সপ্তাহ নয়; বরং তার চেয়েও বেশি সময় ধরে সতেজ থাকবে। ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে। জেনে নিন, উপহার পাওয়া তাজা গোলাপ কীভাবে তাজা রাখবেন।
তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখুন
গোলাপ খুব বেশি ঠান্ডা বা গরম সহ্য করতে পারে না। বাইরে যদি খুব বেশি ঠান্ডা থাকে, তবে ফুলগুলো ঢেকে বাসায় আনুন। শীতের বাতাসের মধ্যে ফুলগুলো কখনোই বারান্দায় রেখে সংরক্ষণ করতে যাবেন না। তাতে গোলাপ শুকিয়ে যেতে পারে।
দ্রুত পানিতে ভেজান
ফুলদানি বা পানি ছাড়া গোলাপ ১ থেকে ৩ ঘণ্টার বেশি বাইরে রাখবেন না। দোকান থেকে নিজের জন্য কিনলে বা কারও কাছ থেকে উপহার পেলে যত দ্রুত সম্ভব ফুলগুলো পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে দিন। পানি সেগুলো সতেজ রাখবে।

পরিষ্কার ফুলদানি ব্যবহার করুন
গোলাপ রাখার জন্য সব সময় ধোয়া ও পরিষ্কার ফুলদানি ব্যবহার করুন। ময়লা ফুলদানিতে জমে থাকা জীবাণু ফুলের আয়ু কমিয়ে দেয়। সামান্য ব্লিচ বা তরল সাবান দিয়ে ফুলদানিটি ভালো করে ধুয়ে নিলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে ফুলগুলো রক্ষা করা সম্ভব।
ডুবন্ত পাতাগুলো ছেঁটে ফেলুন
ফুলদানিতে গোলাপ সাজানোর সময় খেয়াল রাখুন যেন পানির নিচে কোনো পাতা না থাকে। পানির সংস্পর্শে থাকা পাতা পচে গিয়ে ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করে, যা গোলাপের জন্য ক্ষতিকর। তাই পানির স্তরের নিচে থাকা সব পাতা ছেঁটে ফেলুন।
সঠিক পরিমাণ পানি ও পুষ্টি
ফুলদানিতে অর্ধেক বা তিন-চতুর্থাংশ পানি দিন। ফুলের সঙ্গে দেওয়া ‘ফ্লাওয়ার ফুড’ প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী পানির পরিমাণ ঠিক করুন। যদি প্যাকেট না থাকে, তবে সামান্য চিনি ও একফোঁটা ব্লিচ মিশিয়ে নিতে পারেন। তবে কোনো ধরনের সোডা ব্যবহার না করাই ভালো।
কৌণিকভাবে ডাঁটা কাটুন
ফুলদানিতে রাখার আগে ধারালো কাঁচি বা ছুরি দিয়ে গোলাপের ডাঁটা কোনাকুনিভাবে কাটুন। এরপর খুব দ্রুত, ১০ সেকেন্ডের মধ্যে পানিতে দিন। দেরি করলে ডাঁটার মুখে বাতাসের বুদ্বুদ সৃষ্টি হয়, যা পানি চলাচলে বাধা দেয়।

প্রতিদিন পানি পরিবর্তন করুন
গোলাপ সতেজ রাখতে প্রতিদিন পানি পরিবর্তন করা জরুরি। একটি নিয়ম মনে রাখবেন, যে পানি আপনি নিজে পান করতে পারবেন না, তা আপনার ফুলের জন্যও ভালো নয়। প্রতিবার পানি বদলানোর সময় ডাঁটাগুলো সামান্য করে ছেঁটে দেবেন।
সরাসরি রোদ ও তাপ থেকে দূরে রাখুন
গোলাপগুলো ঘরে শীতল জায়গায় রাখুন। সরাসরি সূর্যের আলো, হিটার বা এসির কড়া বাতাস থেকে ফুলগুলো দূরে রাখাই ভালো। এমনকি পাকা ফলের আশপাশেও গোলাপ রাখবেন না। তাতে ফলের গ্যাস ফুলকে দ্রুত বুড়িয়ে দেয়।
বাইরের পাপড়ি এখনই ফেলবেন না
গোলাপের বাইরের দিকে কিছু শক্ত বা কিছুটা বিবর্ণ পাপড়ি থাকে, যাকে ‘গার্ড পেটাল’ বলে। এগুলো ফুলকে রক্ষা করে। ঘর সাজানোর চূড়ান্ত মুহূর্তের আগে এ পাপড়িগুলো না ফেলাই ভালো। কারণ এগুলো আগে ফেলে দিলে গোলাপের আয়ু কমে যায়।
নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
সঠিক যত্নে গোলাপ ৫ থেকে ৭ দিন, এমনকি ২ সপ্তাহ পর্যন্ত সতেজ থাকতে পারে। যদি দেখেন ফুলগুলো নুয়ে পড়ছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে পানি বদলে আবার সামান্য ডাঁটা কেটে দিন। দেখবেন ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে ফুলগুলো আবার সতেজ হয়ে উঠবে।
সূত্র: উইকি হাউ, হেইনেন্স ও অন্যান্য

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
১২ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১৩ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৮ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
২০ ঘণ্টা আগে