ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছরের শুরু থেকে বাদ দিন ৭ অভ্যাস।
অতীতে আটকে থাকা
আপনাকে সব সময় একই থাকতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। জীবনের কোনো এক সময়ে কেউ হয়তো আপনার গণিতে দুর্বলতা নিয়ে কথা বলেছে। কোনো আত্মীয় হয়তো আপনাকে অলস বলেছে। কিন্তু তাই বলে সেসব মন্তব্য মাথায় নিয়ে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা সব সময় এক থাকে না। সময়ের সঙ্গে, চেষ্টা করলে অনেক কিছু বদলে ফেলা যায়। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, এসব মন্তব্য মানুষ করবেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন আমরা সেই ধারণাগুলোকে নিজের পরিচয় বলে ধরে নিই। অনেকে মনে করেন, নিজেকে বদলাতে হলে আগে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক সময় দরকার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
ফলে নতুন বছর শুরু করুন ইতিবাচকতা দিয়ে। বদলে ফেলুন নিজের অতীতমুখিতা।
সবাইকে খুশি করার ভয়
সফল হতে চাইলে আগে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে, সবাই আপনাকে পছন্দ করবে না। জীবনে যতই ভালো কাজ করুন না কেন, এমন মানুষ থাকবে যারা আপনাকে ভুল বুঝবে বা সমালোচনা করবে। তাই সব সময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গেলে অনেক সময় উল্টো ফল হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সবার মন জোগানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক মানুষ দীর্ঘদিন মানসিক চাপ ও ক্লান্তিতে ভোগে। সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলার অভ্যাস মানুষকে ভেতরে-ভেতরে নিঃশেষ করে দেয়। এই মানসিক চাপ কাজের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কী, বহুবার শোনা কথা মনে হচ্ছে? যত দিন নিজেকে না বদলাচ্ছেন, তত দিন নতুন করে এসব কথা শুনতেই হবে আপনাকে। তার চেয়ে ভালো বরং নিজেকে বদলে ফেলা—অন্যের ক্ষতি না করে নিজের মতো করে চলা।
নিজের সক্ষমতার চেয়ে কম করে কাজ করা
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনের বেশি চেষ্টা করে না। যতটুকু করলে চলে ততটুকুতেই থেমে যায়। কিন্তু এতে জীবন এগোয় না। এভাবে চলতে থাকলে অজান্তেই মানুষ পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। জীবনে সব সময়ই প্রতিযোগিতা থাকে। তাই থেমে গেলে চলবে না। নিজের সামর্থ্য বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত উন্নতির চেষ্টা করতে হবে। ধারাবাহিক পরিশ্রম আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা ছাড়া প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।
এখানেও কি উপসংহারে লিখতে হবে, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে যান?
পরিস্থিতিকে দোষ দেওয়া
ব্যর্থ মানুষেরা সাধারণত সমস্যাকে স্থায়ী এবং নিজেদের অযোগ্যতার ফল বলে মনে করে। অন্যদিকে সফল মানুষেরা ব্যর্থতাকে সাময়িক ও পরিস্থিতিগত বিষয় হিসেবে দেখে। ‘আমার প্রতিভা নেই’ বা ‘পরিবেশ অনুকূলে নয়’—এসব আসলে মানসিক অজুহাত। যখন আপনি এসব ভাবনা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন, দেখবেন নিজে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সাফল্য পেতে।
কাজ অর্ধেক রেখে দেওয়া
সফল মানুষদের একটি সাধারণ অভ্যাস হলো, কাজ শেষ করা। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, ছোট কাজ থেকেই শুরু করা উচিত। যেমন বাসন ধোয়া হলে পুরো শেষ করা, ঘর পরিষ্কার করলে ভালোভাবে পরিষ্কার করা। এই অভ্যাস ধীরে ধীরে পুরো কাজ শেষ করতে পারার মানসিকতা তৈরি হয়, যা জীবনের সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
একঘেয়েমিকে ভয় পাওয়া
অনেকে একটু একঘেয়েমি লাগলেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে নেন। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢোকেন বা কখনো ভিডিও দেখে সময় কাটান। মনে হয়, এতে বিরক্তি কমবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এই অভ্যাস আসলে মানুষকে আরও অস্থির ও অসন্তুষ্ট করে তোলে। সফল মানুষেরা বিষয়টা অন্যভাবে দেখে। তারা সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায় না। একটু নীরবতা, একটু একঘেয়েমিকে তারা মেনে নিতে শেখে। এই সময়েই তাদের মন শান্ত হয়, আর নতুন আইডিয়া আসার সুযোগ তৈরি হয়।
সাফল্যকে প্রয়োজন মনে না করা
অ্যালেক্স ম্যাথার্সের মতে, যদি সাফল্যকে আপনি শুধু সম্ভাবনা হিসেবে দেখেন, তাহলে গড়পড়তা জীবনই আপনার ভবিষ্যৎ হয়ে দাঁড়াবে। সাফল্যকে নিজের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে। আপনার কাছে সাফল্যের মানে কী, তা স্পষ্টভাবে ঠিক করে সেই অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলাই এগিয়ে যাওয়ার মূল চাবিকাঠি।
এই ৭ অভ্যাসের নেতিবাচক দিকগুলো নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন। তা করলে এবার শুরু করুন। জীবনে সাফল্য লাভ আপনার নিজের জন্যই শুধু জরুরি নয়। বরং এটি আপনার পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্যও আনন্দের বিষয়। এগিয়ে যান। শুভ নববর্ষ।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছরের শুরু থেকে বাদ দিন ৭ অভ্যাস।
অতীতে আটকে থাকা
আপনাকে সব সময় একই থাকতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। জীবনের কোনো এক সময়ে কেউ হয়তো আপনার গণিতে দুর্বলতা নিয়ে কথা বলেছে। কোনো আত্মীয় হয়তো আপনাকে অলস বলেছে। কিন্তু তাই বলে সেসব মন্তব্য মাথায় নিয়ে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা সব সময় এক থাকে না। সময়ের সঙ্গে, চেষ্টা করলে অনেক কিছু বদলে ফেলা যায়। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, এসব মন্তব্য মানুষ করবেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন আমরা সেই ধারণাগুলোকে নিজের পরিচয় বলে ধরে নিই। অনেকে মনে করেন, নিজেকে বদলাতে হলে আগে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক সময় দরকার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
ফলে নতুন বছর শুরু করুন ইতিবাচকতা দিয়ে। বদলে ফেলুন নিজের অতীতমুখিতা।
সবাইকে খুশি করার ভয়
সফল হতে চাইলে আগে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে, সবাই আপনাকে পছন্দ করবে না। জীবনে যতই ভালো কাজ করুন না কেন, এমন মানুষ থাকবে যারা আপনাকে ভুল বুঝবে বা সমালোচনা করবে। তাই সব সময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গেলে অনেক সময় উল্টো ফল হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সবার মন জোগানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক মানুষ দীর্ঘদিন মানসিক চাপ ও ক্লান্তিতে ভোগে। সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলার অভ্যাস মানুষকে ভেতরে-ভেতরে নিঃশেষ করে দেয়। এই মানসিক চাপ কাজের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কী, বহুবার শোনা কথা মনে হচ্ছে? যত দিন নিজেকে না বদলাচ্ছেন, তত দিন নতুন করে এসব কথা শুনতেই হবে আপনাকে। তার চেয়ে ভালো বরং নিজেকে বদলে ফেলা—অন্যের ক্ষতি না করে নিজের মতো করে চলা।
নিজের সক্ষমতার চেয়ে কম করে কাজ করা
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনের বেশি চেষ্টা করে না। যতটুকু করলে চলে ততটুকুতেই থেমে যায়। কিন্তু এতে জীবন এগোয় না। এভাবে চলতে থাকলে অজান্তেই মানুষ পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। জীবনে সব সময়ই প্রতিযোগিতা থাকে। তাই থেমে গেলে চলবে না। নিজের সামর্থ্য বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত উন্নতির চেষ্টা করতে হবে। ধারাবাহিক পরিশ্রম আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা ছাড়া প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।
এখানেও কি উপসংহারে লিখতে হবে, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে যান?
পরিস্থিতিকে দোষ দেওয়া
ব্যর্থ মানুষেরা সাধারণত সমস্যাকে স্থায়ী এবং নিজেদের অযোগ্যতার ফল বলে মনে করে। অন্যদিকে সফল মানুষেরা ব্যর্থতাকে সাময়িক ও পরিস্থিতিগত বিষয় হিসেবে দেখে। ‘আমার প্রতিভা নেই’ বা ‘পরিবেশ অনুকূলে নয়’—এসব আসলে মানসিক অজুহাত। যখন আপনি এসব ভাবনা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন, দেখবেন নিজে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সাফল্য পেতে।
কাজ অর্ধেক রেখে দেওয়া
সফল মানুষদের একটি সাধারণ অভ্যাস হলো, কাজ শেষ করা। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, ছোট কাজ থেকেই শুরু করা উচিত। যেমন বাসন ধোয়া হলে পুরো শেষ করা, ঘর পরিষ্কার করলে ভালোভাবে পরিষ্কার করা। এই অভ্যাস ধীরে ধীরে পুরো কাজ শেষ করতে পারার মানসিকতা তৈরি হয়, যা জীবনের সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
একঘেয়েমিকে ভয় পাওয়া
অনেকে একটু একঘেয়েমি লাগলেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে নেন। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢোকেন বা কখনো ভিডিও দেখে সময় কাটান। মনে হয়, এতে বিরক্তি কমবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এই অভ্যাস আসলে মানুষকে আরও অস্থির ও অসন্তুষ্ট করে তোলে। সফল মানুষেরা বিষয়টা অন্যভাবে দেখে। তারা সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায় না। একটু নীরবতা, একটু একঘেয়েমিকে তারা মেনে নিতে শেখে। এই সময়েই তাদের মন শান্ত হয়, আর নতুন আইডিয়া আসার সুযোগ তৈরি হয়।
সাফল্যকে প্রয়োজন মনে না করা
অ্যালেক্স ম্যাথার্সের মতে, যদি সাফল্যকে আপনি শুধু সম্ভাবনা হিসেবে দেখেন, তাহলে গড়পড়তা জীবনই আপনার ভবিষ্যৎ হয়ে দাঁড়াবে। সাফল্যকে নিজের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে। আপনার কাছে সাফল্যের মানে কী, তা স্পষ্টভাবে ঠিক করে সেই অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলাই এগিয়ে যাওয়ার মূল চাবিকাঠি।
এই ৭ অভ্যাসের নেতিবাচক দিকগুলো নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন। তা করলে এবার শুরু করুন। জীবনে সাফল্য লাভ আপনার নিজের জন্যই শুধু জরুরি নয়। বরং এটি আপনার পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্যও আনন্দের বিষয়। এগিয়ে যান। শুভ নববর্ষ।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস
ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছরের শুরু থেকে বাদ দিন ৭ অভ্যাস।
অতীতে আটকে থাকা
আপনাকে সব সময় একই থাকতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। জীবনের কোনো এক সময়ে কেউ হয়তো আপনার গণিতে দুর্বলতা নিয়ে কথা বলেছে। কোনো আত্মীয় হয়তো আপনাকে অলস বলেছে। কিন্তু তাই বলে সেসব মন্তব্য মাথায় নিয়ে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা সব সময় এক থাকে না। সময়ের সঙ্গে, চেষ্টা করলে অনেক কিছু বদলে ফেলা যায়। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, এসব মন্তব্য মানুষ করবেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন আমরা সেই ধারণাগুলোকে নিজের পরিচয় বলে ধরে নিই। অনেকে মনে করেন, নিজেকে বদলাতে হলে আগে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক সময় দরকার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
ফলে নতুন বছর শুরু করুন ইতিবাচকতা দিয়ে। বদলে ফেলুন নিজের অতীতমুখিতা।
সবাইকে খুশি করার ভয়
সফল হতে চাইলে আগে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে, সবাই আপনাকে পছন্দ করবে না। জীবনে যতই ভালো কাজ করুন না কেন, এমন মানুষ থাকবে যারা আপনাকে ভুল বুঝবে বা সমালোচনা করবে। তাই সব সময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গেলে অনেক সময় উল্টো ফল হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সবার মন জোগানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক মানুষ দীর্ঘদিন মানসিক চাপ ও ক্লান্তিতে ভোগে। সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলার অভ্যাস মানুষকে ভেতরে-ভেতরে নিঃশেষ করে দেয়। এই মানসিক চাপ কাজের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কী, বহুবার শোনা কথা মনে হচ্ছে? যত দিন নিজেকে না বদলাচ্ছেন, তত দিন নতুন করে এসব কথা শুনতেই হবে আপনাকে। তার চেয়ে ভালো বরং নিজেকে বদলে ফেলা—অন্যের ক্ষতি না করে নিজের মতো করে চলা।
নিজের সক্ষমতার চেয়ে কম করে কাজ করা
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনের বেশি চেষ্টা করে না। যতটুকু করলে চলে ততটুকুতেই থেমে যায়। কিন্তু এতে জীবন এগোয় না। এভাবে চলতে থাকলে অজান্তেই মানুষ পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। জীবনে সব সময়ই প্রতিযোগিতা থাকে। তাই থেমে গেলে চলবে না। নিজের সামর্থ্য বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত উন্নতির চেষ্টা করতে হবে। ধারাবাহিক পরিশ্রম আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা ছাড়া প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।
এখানেও কি উপসংহারে লিখতে হবে, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে যান?
পরিস্থিতিকে দোষ দেওয়া
ব্যর্থ মানুষেরা সাধারণত সমস্যাকে স্থায়ী এবং নিজেদের অযোগ্যতার ফল বলে মনে করে। অন্যদিকে সফল মানুষেরা ব্যর্থতাকে সাময়িক ও পরিস্থিতিগত বিষয় হিসেবে দেখে। ‘আমার প্রতিভা নেই’ বা ‘পরিবেশ অনুকূলে নয়’—এসব আসলে মানসিক অজুহাত। যখন আপনি এসব ভাবনা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন, দেখবেন নিজে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সাফল্য পেতে।
কাজ অর্ধেক রেখে দেওয়া
সফল মানুষদের একটি সাধারণ অভ্যাস হলো, কাজ শেষ করা। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, ছোট কাজ থেকেই শুরু করা উচিত। যেমন বাসন ধোয়া হলে পুরো শেষ করা, ঘর পরিষ্কার করলে ভালোভাবে পরিষ্কার করা। এই অভ্যাস ধীরে ধীরে পুরো কাজ শেষ করতে পারার মানসিকতা তৈরি হয়, যা জীবনের সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
একঘেয়েমিকে ভয় পাওয়া
অনেকে একটু একঘেয়েমি লাগলেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে নেন। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢোকেন বা কখনো ভিডিও দেখে সময় কাটান। মনে হয়, এতে বিরক্তি কমবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এই অভ্যাস আসলে মানুষকে আরও অস্থির ও অসন্তুষ্ট করে তোলে। সফল মানুষেরা বিষয়টা অন্যভাবে দেখে। তারা সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায় না। একটু নীরবতা, একটু একঘেয়েমিকে তারা মেনে নিতে শেখে। এই সময়েই তাদের মন শান্ত হয়, আর নতুন আইডিয়া আসার সুযোগ তৈরি হয়।
সাফল্যকে প্রয়োজন মনে না করা
অ্যালেক্স ম্যাথার্সের মতে, যদি সাফল্যকে আপনি শুধু সম্ভাবনা হিসেবে দেখেন, তাহলে গড়পড়তা জীবনই আপনার ভবিষ্যৎ হয়ে দাঁড়াবে। সাফল্যকে নিজের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে। আপনার কাছে সাফল্যের মানে কী, তা স্পষ্টভাবে ঠিক করে সেই অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলাই এগিয়ে যাওয়ার মূল চাবিকাঠি।
এই ৭ অভ্যাসের নেতিবাচক দিকগুলো নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন। তা করলে এবার শুরু করুন। জীবনে সাফল্য লাভ আপনার নিজের জন্যই শুধু জরুরি নয়। বরং এটি আপনার পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্যও আনন্দের বিষয়। এগিয়ে যান। শুভ নববর্ষ।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই নতুন বছরের শুরু থেকে বাদ দিন ৭ অভ্যাস।
অতীতে আটকে থাকা
আপনাকে সব সময় একই থাকতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। জীবনের কোনো এক সময়ে কেউ হয়তো আপনার গণিতে দুর্বলতা নিয়ে কথা বলেছে। কোনো আত্মীয় হয়তো আপনাকে অলস বলেছে। কিন্তু তাই বলে সেসব মন্তব্য মাথায় নিয়ে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা সব সময় এক থাকে না। সময়ের সঙ্গে, চেষ্টা করলে অনেক কিছু বদলে ফেলা যায়। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, এসব মন্তব্য মানুষ করবেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন আমরা সেই ধারণাগুলোকে নিজের পরিচয় বলে ধরে নিই। অনেকে মনে করেন, নিজেকে বদলাতে হলে আগে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক সময় দরকার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
ফলে নতুন বছর শুরু করুন ইতিবাচকতা দিয়ে। বদলে ফেলুন নিজের অতীতমুখিতা।
সবাইকে খুশি করার ভয়
সফল হতে চাইলে আগে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে যে, সবাই আপনাকে পছন্দ করবে না। জীবনে যতই ভালো কাজ করুন না কেন, এমন মানুষ থাকবে যারা আপনাকে ভুল বুঝবে বা সমালোচনা করবে। তাই সব সময় অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গেলে অনেক সময় উল্টো ফল হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সবার মন জোগানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক মানুষ দীর্ঘদিন মানসিক চাপ ও ক্লান্তিতে ভোগে। সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলার অভ্যাস মানুষকে ভেতরে-ভেতরে নিঃশেষ করে দেয়। এই মানসিক চাপ কাজের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কী, বহুবার শোনা কথা মনে হচ্ছে? যত দিন নিজেকে না বদলাচ্ছেন, তত দিন নতুন করে এসব কথা শুনতেই হবে আপনাকে। তার চেয়ে ভালো বরং নিজেকে বদলে ফেলা—অন্যের ক্ষতি না করে নিজের মতো করে চলা।
নিজের সক্ষমতার চেয়ে কম করে কাজ করা
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনের বেশি চেষ্টা করে না। যতটুকু করলে চলে ততটুকুতেই থেমে যায়। কিন্তু এতে জীবন এগোয় না। এভাবে চলতে থাকলে অজান্তেই মানুষ পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। জীবনে সব সময়ই প্রতিযোগিতা থাকে। তাই থেমে গেলে চলবে না। নিজের সামর্থ্য বাড়াতে হবে এবং নিয়মিত উন্নতির চেষ্টা করতে হবে। ধারাবাহিক পরিশ্রম আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা ছাড়া প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।
এখানেও কি উপসংহারে লিখতে হবে, নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ধারাবাহিকভাবে পরিশ্রম করে যান?
পরিস্থিতিকে দোষ দেওয়া
ব্যর্থ মানুষেরা সাধারণত সমস্যাকে স্থায়ী এবং নিজেদের অযোগ্যতার ফল বলে মনে করে। অন্যদিকে সফল মানুষেরা ব্যর্থতাকে সাময়িক ও পরিস্থিতিগত বিষয় হিসেবে দেখে। ‘আমার প্রতিভা নেই’ বা ‘পরিবেশ অনুকূলে নয়’—এসব আসলে মানসিক অজুহাত। যখন আপনি এসব ভাবনা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন, দেখবেন নিজে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সাফল্য পেতে।
কাজ অর্ধেক রেখে দেওয়া
সফল মানুষদের একটি সাধারণ অভ্যাস হলো, কাজ শেষ করা। অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, ছোট কাজ থেকেই শুরু করা উচিত। যেমন বাসন ধোয়া হলে পুরো শেষ করা, ঘর পরিষ্কার করলে ভালোভাবে পরিষ্কার করা। এই অভ্যাস ধীরে ধীরে পুরো কাজ শেষ করতে পারার মানসিকতা তৈরি হয়, যা জীবনের সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
একঘেয়েমিকে ভয় পাওয়া
অনেকে একটু একঘেয়েমি লাগলেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে নেন। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢোকেন বা কখনো ভিডিও দেখে সময় কাটান। মনে হয়, এতে বিরক্তি কমবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এই অভ্যাস আসলে মানুষকে আরও অস্থির ও অসন্তুষ্ট করে তোলে। সফল মানুষেরা বিষয়টা অন্যভাবে দেখে। তারা সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায় না। একটু নীরবতা, একটু একঘেয়েমিকে তারা মেনে নিতে শেখে। এই সময়েই তাদের মন শান্ত হয়, আর নতুন আইডিয়া আসার সুযোগ তৈরি হয়।
সাফল্যকে প্রয়োজন মনে না করা
অ্যালেক্স ম্যাথার্সের মতে, যদি সাফল্যকে আপনি শুধু সম্ভাবনা হিসেবে দেখেন, তাহলে গড়পড়তা জীবনই আপনার ভবিষ্যৎ হয়ে দাঁড়াবে। সাফল্যকে নিজের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে। আপনার কাছে সাফল্যের মানে কী, তা স্পষ্টভাবে ঠিক করে সেই অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলাই এগিয়ে যাওয়ার মূল চাবিকাঠি।
এই ৭ অভ্যাসের নেতিবাচক দিকগুলো নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন। তা করলে এবার শুরু করুন। জীবনে সাফল্য লাভ আপনার নিজের জন্যই শুধু জরুরি নয়। বরং এটি আপনার পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্যও আনন্দের বিষয়। এগিয়ে যান। শুভ নববর্ষ।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
২ ঘণ্টা আগে
সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন
১৮ ঘণ্টা আগে
আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।
১৯ ঘণ্টা আগে
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৯ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক, ঢাকা

জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।
উপকরণ
বাসমতী চাল আধা কেজি, ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ দুধে ভিজিয়ে রাখা জাফরানের কয়েকটি কেশর, ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ ঘি, খাসির মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ আধা কাপ, এলাচি ৪ থেকে ৫টি, দারুচিনি ২ টুকরা, স্টার এনিস ১টি, টক দই আধা কাপ, আদাবাটা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ করে, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল ও জয়ত্রীগুঁড়া সামান্য, তেল ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
টক দই ও লবণ দিয়ে ধুয়ে রাখা মাংস ম্যারিনেট করে রাখুন ১ ঘণ্টা। ভিজিয়ে রাখা বাসমতী চাল লবণ পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে ৯০ ভাগ সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। এরপর পানি ঝরিয়ে রেখে দিতে হবে।
পাত্রে তেল দিন। সব আস্ত মসলা দিয়ে তাতে পেঁয়াজকুচিসহ ভেজে ম্যারিনেট করা মাংস দিতে হবে। এবার আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে পানি দিন। এরপর ঢেকে রান্না করতে হবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত। মাংস রান্না হয়ে তেল ওপরে উঠে এলে এতে জায়ফল জয়ত্রীগুঁড়া দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিতে হবে।
আরেকটি পাত্রে ঘি ব্রাশ করতে হবে। তাতে রান্না করা মাংসের অর্ধেক ছড়িয়ে তার ওপর সেদ্ধ চাল দিয়ে জাফরানে ভেজানো দুধের অর্ধেক ছড়িয়ে দিতে হবে। এই স্তরের ওপরে বাকি মাংস দিয়ে আগের পদ্ধতিতে চালসহ ঘি ও জাফরান দুধ ছড়িয়ে ঢেকে দমে দিন ৩০ মিনিটের জন্য। এরপর হয়ে এলে নামিয়ে সাজিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।
উপকরণ
বাসমতী চাল আধা কেজি, ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ দুধে ভিজিয়ে রাখা জাফরানের কয়েকটি কেশর, ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ ঘি, খাসির মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ আধা কাপ, এলাচি ৪ থেকে ৫টি, দারুচিনি ২ টুকরা, স্টার এনিস ১টি, টক দই আধা কাপ, আদাবাটা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ করে, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল ও জয়ত্রীগুঁড়া সামান্য, তেল ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
টক দই ও লবণ দিয়ে ধুয়ে রাখা মাংস ম্যারিনেট করে রাখুন ১ ঘণ্টা। ভিজিয়ে রাখা বাসমতী চাল লবণ পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে ৯০ ভাগ সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। এরপর পানি ঝরিয়ে রেখে দিতে হবে।
পাত্রে তেল দিন। সব আস্ত মসলা দিয়ে তাতে পেঁয়াজকুচিসহ ভেজে ম্যারিনেট করা মাংস দিতে হবে। এবার আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে পানি দিন। এরপর ঢেকে রান্না করতে হবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত। মাংস রান্না হয়ে তেল ওপরে উঠে এলে এতে জায়ফল জয়ত্রীগুঁড়া দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিতে হবে।
আরেকটি পাত্রে ঘি ব্রাশ করতে হবে। তাতে রান্না করা মাংসের অর্ধেক ছড়িয়ে তার ওপর সেদ্ধ চাল দিয়ে জাফরানে ভেজানো দুধের অর্ধেক ছড়িয়ে দিতে হবে। এই স্তরের ওপরে বাকি মাংস দিয়ে আগের পদ্ধতিতে চালসহ ঘি ও জাফরান দুধ ছড়িয়ে ঢেকে দমে দিন ৩০ মিনিটের জন্য। এরপর হয়ে এলে নামিয়ে সাজিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।...
৪ ঘণ্টা আগে
সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন
১৮ ঘণ্টা আগে
আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।
১৯ ঘণ্টা আগে
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৯ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক

সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই সুগন্ধি মানুষের কাছে এত জনপ্রিয়। এর উত্তর লুকিয়ে আছে এর প্রাচীন ইতিহাস এবং আমাদের মস্তিষ্কের গভীর রহস্যে।
সুগন্ধির প্রাচীন যাত্রা
পারফিউমের যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রাচীন মেসোপটেমিয়া, মিসর এবং সিন্ধু সভ্যতা থেকে। মিসরীয়রা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এটি ব্যবহার করত। খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ অব্দের মিসরীয় সমাধিতে লিলি ফুলের সুগন্ধি তৈরির চিত্র পাওয়া গেছে। পরবর্তীকালে গ্রিক এবং রোমানরা এর ব্যবহারকে আরও মার্জিত করে তোলে এবং কসমেটিকস ও চিকিৎসার কাজে সুগন্ধি তেলের ব্যবহার শুরু করে। সাইপ্রাসের পাইরগোসে বিশ্বের প্রাচীনতম সুগন্ধি উৎপাদন কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে বিজ্ঞানীরা ৪ হাজার বছর আগের সুগন্ধির খোঁজ পেয়েছেন।

ইউরোপে পারফিউমের প্রসার
১২শ শতাব্দীতে ক্রুসেডাররা লেভান্ট অঞ্চল থেকে সুগন্ধি তৈরির শিল্প ইউরোপে নিয়ে আসে। তবে ১৬০০ শতাব্দীতে ইতালীয় অভিজাত নারী ক্যাথরিন ডি মেদিচি যখন ফ্রান্সে যান, তখন তাঁর ব্যক্তিগত সুগন্ধিশিল্পী রেনাতো ইল ফিওরেন্তিনোর হাত ধরে প্যারিসে পারফিউম জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ১৬৯৩ সালে ইতালীয় জিওভান্নি পাওলো ফেমিনিস লেবু, কমলা এবং বারগামোটের মিশ্রণে তৈরি করেন ‘অ্যাকুয়া অ্যাডমিরাবিলিস’, যা পরে ‘ইউ ডি কোলন’ নামে পরিচিতি পায়।
পারফিউম তৈরির শিল্প ও উপাদান
সুগন্ধি তৈরির শিল্পকে বলা হয় ‘পারফিউমারি’ এবং এর বিশেষজ্ঞদের ফরাসি ভাষায় বলা হয় ‘নেজ’ (Nez) বা ‘নাক’। পারফিউমাররা শত শত কাঁচামাল যেমন ফুল (জেসমিন, গোলাপ), চুন ও ইলাং-ইলাং, বিভিন্ন ধরনের রেজিন (ফ্রাঙ্কিনসেন্স, মাইর) এবং কাঠ (চন্দন, পাইন) ব্যবহার করে সুগন্ধি তৈরি করেন। অতীতে কস্তুরী হরিণ বা সিভেটের মতো প্রাণিজ উৎস ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে সিনথেটিক বা কৃত্রিম সুগন্ধির ব্যবহার বেশি পছন্দ করা হয়।

বিজ্ঞানের চোখে সুগন্ধি
সুগন্ধি কেন আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি দেয়, তার পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। আমাদের ঘ্রাণতন্ত্র সরাসরি মস্তিষ্কের ‘লিম্বিক সিস্টেম’-এর সঙ্গে যুক্ত, যা আবেগ এবং স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। ল্যাভেন্ডার যেমন মনকে শান্ত করে, তেমনি সাইট্রাস বা লেবুজাতীয় ঘ্রাণ আমাদের শক্তি জোগায়। কোনো বিশেষ সুগন্ধি আমাদের শৈশব বা প্রিয় কোনো মুহূর্তের স্মৃতি মুহূর্তেই ফিরিয়ে আনতে পারে।
আত্মপ্রকাশ ও সামাজিক প্রভাব
পারফিউম শুধু ভালো ঘ্রাণ ছড়ানোর মাধ্যম নয়, এটি নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি উপায়। পোশাকের মতো পারফিউমও মানুষের পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সামাজিক মেলামেশায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিনের সুগন্ধি ব্যবহারের এই ছোট রুটিন নিজেকে ভালো রাখার একটি মাধ্যম বা ‘সেলফ-কেয়ার’ হিসেবে কাজ করে।
আধুনিক বাজার ও বিবর্তন
চ্যানেল নং ৫-এর মতো বিশ্বখ্যাত পারফিউম থেকে শুরু করে ভারতের সুগন্ধি রাজধানী কনৌজ পর্যন্ত পারফিউমের আবেদন বিশ্বজনীন। বর্তমানে একটি সুগন্ধিতে ৫০ থেকে ৩০০টি আলাদা রাসায়নিক থাকতে পারে। আধুনিক বিপণনব্যবস্থায় সুগন্ধিকে শুধু ঘ্রাণ হিসেবে নয়; এটি আবেগ, আভিজাত্য এবং জীবনধারার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
সূত্র: প্রেসিডেন্স রিসার্চ, ডিভাইনমি ফ্র্যাগরেন্স

সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এই সুগন্ধি মানুষের কাছে এত জনপ্রিয়। এর উত্তর লুকিয়ে আছে এর প্রাচীন ইতিহাস এবং আমাদের মস্তিষ্কের গভীর রহস্যে।
সুগন্ধির প্রাচীন যাত্রা
পারফিউমের যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রাচীন মেসোপটেমিয়া, মিসর এবং সিন্ধু সভ্যতা থেকে। মিসরীয়রা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এটি ব্যবহার করত। খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ অব্দের মিসরীয় সমাধিতে লিলি ফুলের সুগন্ধি তৈরির চিত্র পাওয়া গেছে। পরবর্তীকালে গ্রিক এবং রোমানরা এর ব্যবহারকে আরও মার্জিত করে তোলে এবং কসমেটিকস ও চিকিৎসার কাজে সুগন্ধি তেলের ব্যবহার শুরু করে। সাইপ্রাসের পাইরগোসে বিশ্বের প্রাচীনতম সুগন্ধি উৎপাদন কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে বিজ্ঞানীরা ৪ হাজার বছর আগের সুগন্ধির খোঁজ পেয়েছেন।

ইউরোপে পারফিউমের প্রসার
১২শ শতাব্দীতে ক্রুসেডাররা লেভান্ট অঞ্চল থেকে সুগন্ধি তৈরির শিল্প ইউরোপে নিয়ে আসে। তবে ১৬০০ শতাব্দীতে ইতালীয় অভিজাত নারী ক্যাথরিন ডি মেদিচি যখন ফ্রান্সে যান, তখন তাঁর ব্যক্তিগত সুগন্ধিশিল্পী রেনাতো ইল ফিওরেন্তিনোর হাত ধরে প্যারিসে পারফিউম জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ১৬৯৩ সালে ইতালীয় জিওভান্নি পাওলো ফেমিনিস লেবু, কমলা এবং বারগামোটের মিশ্রণে তৈরি করেন ‘অ্যাকুয়া অ্যাডমিরাবিলিস’, যা পরে ‘ইউ ডি কোলন’ নামে পরিচিতি পায়।
পারফিউম তৈরির শিল্প ও উপাদান
সুগন্ধি তৈরির শিল্পকে বলা হয় ‘পারফিউমারি’ এবং এর বিশেষজ্ঞদের ফরাসি ভাষায় বলা হয় ‘নেজ’ (Nez) বা ‘নাক’। পারফিউমাররা শত শত কাঁচামাল যেমন ফুল (জেসমিন, গোলাপ), চুন ও ইলাং-ইলাং, বিভিন্ন ধরনের রেজিন (ফ্রাঙ্কিনসেন্স, মাইর) এবং কাঠ (চন্দন, পাইন) ব্যবহার করে সুগন্ধি তৈরি করেন। অতীতে কস্তুরী হরিণ বা সিভেটের মতো প্রাণিজ উৎস ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে সিনথেটিক বা কৃত্রিম সুগন্ধির ব্যবহার বেশি পছন্দ করা হয়।

বিজ্ঞানের চোখে সুগন্ধি
সুগন্ধি কেন আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি দেয়, তার পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। আমাদের ঘ্রাণতন্ত্র সরাসরি মস্তিষ্কের ‘লিম্বিক সিস্টেম’-এর সঙ্গে যুক্ত, যা আবেগ এবং স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। ল্যাভেন্ডার যেমন মনকে শান্ত করে, তেমনি সাইট্রাস বা লেবুজাতীয় ঘ্রাণ আমাদের শক্তি জোগায়। কোনো বিশেষ সুগন্ধি আমাদের শৈশব বা প্রিয় কোনো মুহূর্তের স্মৃতি মুহূর্তেই ফিরিয়ে আনতে পারে।
আত্মপ্রকাশ ও সামাজিক প্রভাব
পারফিউম শুধু ভালো ঘ্রাণ ছড়ানোর মাধ্যম নয়, এটি নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি উপায়। পোশাকের মতো পারফিউমও মানুষের পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সামাজিক মেলামেশায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিনের সুগন্ধি ব্যবহারের এই ছোট রুটিন নিজেকে ভালো রাখার একটি মাধ্যম বা ‘সেলফ-কেয়ার’ হিসেবে কাজ করে।
আধুনিক বাজার ও বিবর্তন
চ্যানেল নং ৫-এর মতো বিশ্বখ্যাত পারফিউম থেকে শুরু করে ভারতের সুগন্ধি রাজধানী কনৌজ পর্যন্ত পারফিউমের আবেদন বিশ্বজনীন। বর্তমানে একটি সুগন্ধিতে ৫০ থেকে ৩০০টি আলাদা রাসায়নিক থাকতে পারে। আধুনিক বিপণনব্যবস্থায় সুগন্ধিকে শুধু ঘ্রাণ হিসেবে নয়; এটি আবেগ, আভিজাত্য এবং জীবনধারার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
সূত্র: প্রেসিডেন্স রিসার্চ, ডিভাইনমি ফ্র্যাগরেন্স

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।...
৪ ঘণ্টা আগে
জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
২ ঘণ্টা আগে
আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।
১৯ ঘণ্টা আগে
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৯ ঘণ্টা আগেফারিয়া রহমান খান

আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। নতুন বছর হয়তো এ কথাটিই বারবার মনে করিয়ে দেবে। ২০২৬ সালে যে উপায়ে চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে পারেন, তা দেখে নিন একনজরে।
স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বকের যত্ন
মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পেরও দরকার বিশেষ যত্ন। শুধু চুলের দৈর্ঘ্য আর উজ্জ্বলতা নিয়ে ব্যস্ত না থেকে দরকার চুলের গোড়ারও যত্ন নেওয়া। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথার ত্বকে ময়লা জমা হওয়া, রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়া বা রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া চুল পড়ার অন্যতম কারণ। ২০২৫ সালে স্ক্যাল্প এক্সফোলিয়েশন বা স্ক্র্যাবিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আসছে বছরেও তা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কফি, চিনি বা নিমের গুঁড়া দিয়ে ঘরোয়া স্ক্র্যাব বানিয়ে খুব সহজেই স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা যায়। স্ক্যাল্প পরিষ্কার থাকলে ঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয়, ফলে নতুন চুল গজানো সহজ হয়।

সঠিকভাবে তেল ম্যাসাজ
চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করার বিকল্প নেই। তবে এখনকার ট্রেন্ড অনুযায়ী সারা রাত চুলে তেল রাখার বদলে গোসলের ৩০-৬০ মিনিট আগে কুসুম গরম তেল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে গোসলের সময় শ্যাম্পু করে ফেললেই চলে। এতে একদিকে যেমন পুষ্টি নিশ্চিত হয়, তেমনি অতিরিক্ত তেলের কারণে রোমকূপ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। নারকেল তেলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল বা তিলের তেলের সঙ্গে ভৃঙ্গরাজ মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।
চুলের যত্নে আমরা যত কিছুই করি না কেন, মানসিক স্বাস্থ্য যদি ঠিক রাখা না যায়, তাহলে সবই বিফলে যাবে। আমরা অনেকেই জানি না, মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব সরাসরি চুলের ওপর পড়ে। কাজের চাপ ও অন্যান্য স্ট্রেস অতিমাত্রায় ভর করলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব মানসিক চাপ কমাতে দৈনিক রুটিনে নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম বা প্রাণায়াম যোগ করতে পারেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম হচ্ছে কি না সেদিকেও নজর দিতে হবে নতুন বছরে। তাহলেই চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। শোভন সাহা কসমেটোলজিস্ট, শোভন মেকওভার
চুল ভালো রাখবে সঠিক খাদ্য়াভ্যাস
২০২৫ সালে আমরা একটি কঠিন সত্য শিখেছি—আপনি যতই দামি পণ্য ব্যবহার করুন না কেন, আপনার রোজকার ডায়েট যদি সঠিক না হয় তবে এর প্রভাব আপনার চুলের ওপর পড়বেই। চুল বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন, আয়রন, ওমেগা-৩ এবং পেটের স্বাস্থ্য চুলের বৃদ্ধির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। খাবারের তালিকায় আমলকী, পেয়ারা, পেঁপে, কাঠবাদাম ও বিভিন্ন বীজ থাকে, তাদের চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল থাকে। এ ছাড়াও মেথি ও জিরা ভেজানো পানি পান, কারিপাতার চাটনি বা কালো তিলের নাড়ু খেলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলে ও চুল ভালো থাকে।

চুলে রাসায়নিক ও তাপের ব্যবহার কমানো
২০২৫ সালে অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং, খুব শক্ত করে চুল বাঁধা, প্রতিদিন শ্যাম্পু করা এবং জোরে জোরে চুল আঁচড়ানোকে ‘চুলের নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানুষ এখন সিল্কের বালিশের কভার ব্যবহার করা, মোটা দাঁতের কাঠের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো এবং হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করে এমনিতেই চুল শুকানোর ওপর জোর দিচ্ছে। ফলে চুল ভেঙে যাওয়া রোধ হয়েছে এবং চুল লম্বায় বাড়ছে। এই অভ্যাসগুলো আগামী বছরে অব্যাহত রাখতে পারলে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন চুল বিশেষজ্ঞরা।

আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। নতুন বছর হয়তো এ কথাটিই বারবার মনে করিয়ে দেবে। ২০২৬ সালে যে উপায়ে চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে পারেন, তা দেখে নিন একনজরে।
স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বকের যত্ন
মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পেরও দরকার বিশেষ যত্ন। শুধু চুলের দৈর্ঘ্য আর উজ্জ্বলতা নিয়ে ব্যস্ত না থেকে দরকার চুলের গোড়ারও যত্ন নেওয়া। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথার ত্বকে ময়লা জমা হওয়া, রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়া বা রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া চুল পড়ার অন্যতম কারণ। ২০২৫ সালে স্ক্যাল্প এক্সফোলিয়েশন বা স্ক্র্যাবিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আসছে বছরেও তা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কফি, চিনি বা নিমের গুঁড়া দিয়ে ঘরোয়া স্ক্র্যাব বানিয়ে খুব সহজেই স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা যায়। স্ক্যাল্প পরিষ্কার থাকলে ঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয়, ফলে নতুন চুল গজানো সহজ হয়।

সঠিকভাবে তেল ম্যাসাজ
চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করার বিকল্প নেই। তবে এখনকার ট্রেন্ড অনুযায়ী সারা রাত চুলে তেল রাখার বদলে গোসলের ৩০-৬০ মিনিট আগে কুসুম গরম তেল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে গোসলের সময় শ্যাম্পু করে ফেললেই চলে। এতে একদিকে যেমন পুষ্টি নিশ্চিত হয়, তেমনি অতিরিক্ত তেলের কারণে রোমকূপ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। নারকেল তেলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল বা তিলের তেলের সঙ্গে ভৃঙ্গরাজ মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।
চুলের যত্নে আমরা যত কিছুই করি না কেন, মানসিক স্বাস্থ্য যদি ঠিক রাখা না যায়, তাহলে সবই বিফলে যাবে। আমরা অনেকেই জানি না, মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব সরাসরি চুলের ওপর পড়ে। কাজের চাপ ও অন্যান্য স্ট্রেস অতিমাত্রায় ভর করলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব মানসিক চাপ কমাতে দৈনিক রুটিনে নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম বা প্রাণায়াম যোগ করতে পারেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম হচ্ছে কি না সেদিকেও নজর দিতে হবে নতুন বছরে। তাহলেই চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। শোভন সাহা কসমেটোলজিস্ট, শোভন মেকওভার
চুল ভালো রাখবে সঠিক খাদ্য়াভ্যাস
২০২৫ সালে আমরা একটি কঠিন সত্য শিখেছি—আপনি যতই দামি পণ্য ব্যবহার করুন না কেন, আপনার রোজকার ডায়েট যদি সঠিক না হয় তবে এর প্রভাব আপনার চুলের ওপর পড়বেই। চুল বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিন, আয়রন, ওমেগা-৩ এবং পেটের স্বাস্থ্য চুলের বৃদ্ধির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। খাবারের তালিকায় আমলকী, পেয়ারা, পেঁপে, কাঠবাদাম ও বিভিন্ন বীজ থাকে, তাদের চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল থাকে। এ ছাড়াও মেথি ও জিরা ভেজানো পানি পান, কারিপাতার চাটনি বা কালো তিলের নাড়ু খেলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলে ও চুল ভালো থাকে।

চুলে রাসায়নিক ও তাপের ব্যবহার কমানো
২০২৫ সালে অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং, খুব শক্ত করে চুল বাঁধা, প্রতিদিন শ্যাম্পু করা এবং জোরে জোরে চুল আঁচড়ানোকে ‘চুলের নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানুষ এখন সিল্কের বালিশের কভার ব্যবহার করা, মোটা দাঁতের কাঠের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো এবং হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করে এমনিতেই চুল শুকানোর ওপর জোর দিচ্ছে। ফলে চুল ভেঙে যাওয়া রোধ হয়েছে এবং চুল লম্বায় বাড়ছে। এই অভ্যাসগুলো আগামী বছরে অব্যাহত রাখতে পারলে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন চুল বিশেষজ্ঞরা।

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।...
৪ ঘণ্টা আগে
জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
২ ঘণ্টা আগে
সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন
১৮ ঘণ্টা আগে
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৯ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

নরম তুলতুলে নান দক্ষিণ এশিয়ার বেশ জনপ্রিয় ফ্ল্যাটব্রেড। মাখনে ভরপুর ঘন গ্রেভির বাটার চিকেনের সঙ্গে নানের জুটি এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা খাবার। দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও ভারতীয় খাবারের তালিকায় এর সুনাম রয়েছে।
সাধারণত টক-ঝাল আর সুগন্ধি গ্রেভিকে খাবারের মূল আকর্ষণ মনে করা হলেও এর সঙ্গী নান ছাড়া পুরো খাবারের আবেদনই ফিকে হয়ে যায়। নানের চটচটে ভাব প্রতিটি কামড়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। এর সূক্ষ্ম স্বাদ গ্রেভির মসলা ও গন্ধের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যায়। প্রকৃতপক্ষে বহুমুখী এই নান তার সঙ্গের মূল পদটিকে উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে।
সম্ভবত এ কারণে এই রুটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রেডগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি চিরাচরিত নানের সুস্বাদু সংস্করণ বাটার গার্লিক নান টেস্ট অ্যাটলাসের সেরা রুটির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে।
গরম নানের ওপর মাখন ব্রাশ করে তার ওপর কুচানো রসুন ছিটিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এই তালিকায় আরও রয়েছে আলু নান, যা মসলা ও ধনেপাতা মাখানো আলুর পুর দিয়ে তৈরি।
আজকাল ভারতীয় বা মধ্যপ্রাচ্যের খাবার পরিবেশন করা রেস্তোরাঁগুলোতে নান ও এর বিভিন্ন সংস্করণ পাওয়া গেলেও একসময় এটি কেবল মুসলমান রাজাদের দরবারেই পরিবেশন করা হতো। তাহলে রাজকীয় রান্নাঘর থেকে কীভাবে এই নান আমাদের সাধারণের পাতে এসে পৌঁছাল?
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৩ থেকে ১৬ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে যে সুলতানরা ভারতীয় উপমহাদেশের বিশাল অংশ শাসন করেছিলেন, তাঁদের হাত ধরেই নান এই অঞ্চলে আসে। মুসলিম শাসকেরা তাঁদের সঙ্গে পশ্চিম ও মধ্য এশিয়ার রন্ধনশৈলী নিয়ে এসেছিলেন; যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল তন্দুর বা মাটির উনুনে রান্না করা।
ইন্দো-পার্সিয়ান কবি আমির খসরু, যিনি আলাউদ্দিন খিলজি ও মুহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসনকালের রাজদরবারের জীবন লিপিবদ্ধ করেছিলেন, তাঁর লেখায় দুই ধরনের নানের কথা উল্লেখ করেছে—একটি নান-ই-তানুক, অন্যটি নান-ই-তানুরি।
এর মধ্যে প্রথমটি ছিল পাতলা ও সূক্ষ্ম আর দ্বিতীয়টি ছিল তন্দুরে সেঁকা মোটা ও ফোলা রুটি। সুলতানি আমলে নান সাধারণত বিভিন্ন মাংসের পদ, যেমন কাবাব বা কিমার সঙ্গে তৃপ্তিসহকারে খাওয়া হতো।
রাজকীয় রান্নাঘরের পাচক বা বাবুর্চিরা নান তৈরির কৌশলে আরও নতুনত্ব নিয়ে আসেন। তাঁরা মাখানোর বিশেষ ধরনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন এবং সেই সময়ে এক দুর্লভ উপকরণ ইস্ট ব্যবহার শুরু করেন, যাতে রুটিটি আরও নরম ও ফোলা হয়। অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল প্রস্তুতির কারণে সে সময় নান ছিল মূলত একটি বিলাসবহুল খাবার, যা কেবল অভিজাত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
পরবর্তী তিন শতাব্দী ধরে মুঘল সম্রাটদের শাসনামলেও এই ধারা অব্যাহত ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসবিদ নেহা ভারমানি বলেন, বিশেষজ্ঞ পাচক, যাঁদের নানবাই বলা হতো, তাঁরা এই রুটি নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন এবং তাঁদের উদ্ভাবনগুলো বোঝাতে বিভিন্ন বিশেষ্য ব্যবহার করতেন। উদাহরণস্বরূপ, নান-ই-ওয়ারকি ছিল পাতলা ও স্তরে স্তরে সাজানো একটি রুটি। অন্যদিকে নান-ই-তাঙ্গি ছিল তুলনামূলক ছোট, যা খুব সহজেই ঝোল বা গ্রেভি শুষে নিতে পারত।
নানের নামকরণ অনেক সময় সেইসব রাজকীয় রান্নাঘরের নামানুসারেও করা হতো, যেখানে এগুলো তৈরি হতো।
ভারমানি জানান, বাকরখানি বিস্কুটের মতো একটি রুটি। এর নামকরণ করা হয়েছিল বাকর নজম সাইনির রান্নাঘরের নাম অনুসারে, যিনি জাহাঙ্গীর ও শাহজাহানের দরবারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।
ব্রিটিশ শাসনামলেও নান মূলত উচ্চবিত্তদের খাবার হিসেবে টিকে ছিল। তবে ইংরেজ পর্যটকদের মাধ্যমে এটি ধীরে ধীরে পশ্চিমা বিশ্বে পরিচিতি পেতে শুরু করে। এদিকে ভারতেও ঔপনিবেশিক আমলের খাদ্যাভ্যাসে নান নিজের জায়গা করে নেয়। তখন এটি প্রক্রিয়াজাত মাংস কিংবা স্থানীয় মসলাযুক্ত সসের সঙ্গে পরিবেশন করা হতো।
ইতিহাসবিদ নেহা ভারমানি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানের সেই জটিল রন্ধনশৈলীর বদলে সহজ পদ্ধতি চলে আসে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছেও এটি সহজলভ্য হয়ে ওঠে; ঠিক যেমনটা আমরা বর্তমানে স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোতে দেখে থাকি।’
বর্তমানে ময়দা, দই ও ইস্ট মিশিয়ে একটি নরম খামির তৈরির মাধ্যমে নান প্রস্তুত করা হয়। খামির ফুলে ওঠার জন্য কিছুক্ষণ রেখে দেওয়া হয়। এরপর ছোট ছোট গোল্লা করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা আকার দেওয়া হয়। এরপর এটি অত্যন্ত গরম তন্দুরে দেওয়া হয়, যতক্ষণ না এটি ফুলে ওঠে এবং গায়ে বাদামি দাগ পড়ে। পরিবেশনের আগে এর ওপর হালকা করে মাখন বা ঘি ব্রাশ করে দেওয়া হয়।
তবে নানের গল্প এখানেই শেষ নয়।
১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে নানের ক্ষেত্রে নতুন এক উদ্ভাবনের জোয়ার আসে। ভারত ও বিদেশের নামী রেস্তোরাঁগুলো এই রুটি নিয়ে নতুন সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।
রাঁধুনি সুবীর শরণ স্মরণ করেন, নিউইয়র্কে তাঁর রেস্তোরাঁ কীভাবে পালং শাক, পনির ও মাশরুম দিয়ে নান তৈরি শুরু করেছিল।
শরণ বলেন, অভারতীয়দের কাছে নানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য এটি ছিল একধরনের সাজসজ্জা। অন্যদিকে প্রবাসে থাকা ভারতীয়রা তাঁদের ঐতিহ্যবাহী খাবারটি খাওয়ার সময় কিছুটা আধুনিকতার স্বাদ পেয়ে আনন্দিত হতেন।
এই ধারা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সারা বিশ্বের রেস্তোরাঁগুলো নানা ধরনের উপকরণে ঠাসা পরীক্ষামূলক নান পরিবেশন করছে।
শরণ বলেন, ‘আপনি গোয়ার কোনো রেস্তোরাঁয় পর্ক ভিন্দালু নান বা বাটার চিকেন নান পাবেন। আবার হংকংয়ের কোনো রেস্তোরাঁয় হয়তো পাবেন ট্রাফল চিজ নান। নান হলো বিশ্বের দরবারে ভারতের এক গৌরবময় রন্ধনশৈলীর উপহার।’
খাদ্য ঐতিহাসিকেরা হয়তো এতে পুরোপুরি একমত হবেন না, কারণ, নান অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর খাবারেরও অংশ। তবে ভারতের সঙ্গে এর সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও সুপ্রাচীন।
শরণ বলেন, ‘নান মূলত একাত্মতা ও ভারতীয় পরিচয়ের বার্তা বহন করে। নান আমাদের বহুত্ববাদের গল্প শোনায়। শোনায় কীভাবে বিভিন্ন সংস্কৃতি মিলেমিশে একত্রে থাকে। এটি আমাদের শেখায়, ভিন্নতা মানেই একে অপরকে বাতিল করে দেওয়া নয়; বরং সেই ভিন্নতাগুলোকে একসঙ্গে উদ্যাপন করা।’
তথ্যসূত্র: বিবিসি

নরম তুলতুলে নান দক্ষিণ এশিয়ার বেশ জনপ্রিয় ফ্ল্যাটব্রেড। মাখনে ভরপুর ঘন গ্রেভির বাটার চিকেনের সঙ্গে নানের জুটি এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা খাবার। দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও ভারতীয় খাবারের তালিকায় এর সুনাম রয়েছে।
সাধারণত টক-ঝাল আর সুগন্ধি গ্রেভিকে খাবারের মূল আকর্ষণ মনে করা হলেও এর সঙ্গী নান ছাড়া পুরো খাবারের আবেদনই ফিকে হয়ে যায়। নানের চটচটে ভাব প্রতিটি কামড়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। এর সূক্ষ্ম স্বাদ গ্রেভির মসলা ও গন্ধের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যায়। প্রকৃতপক্ষে বহুমুখী এই নান তার সঙ্গের মূল পদটিকে উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে।
সম্ভবত এ কারণে এই রুটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রেডগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি চিরাচরিত নানের সুস্বাদু সংস্করণ বাটার গার্লিক নান টেস্ট অ্যাটলাসের সেরা রুটির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে।
গরম নানের ওপর মাখন ব্রাশ করে তার ওপর কুচানো রসুন ছিটিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এই তালিকায় আরও রয়েছে আলু নান, যা মসলা ও ধনেপাতা মাখানো আলুর পুর দিয়ে তৈরি।
আজকাল ভারতীয় বা মধ্যপ্রাচ্যের খাবার পরিবেশন করা রেস্তোরাঁগুলোতে নান ও এর বিভিন্ন সংস্করণ পাওয়া গেলেও একসময় এটি কেবল মুসলমান রাজাদের দরবারেই পরিবেশন করা হতো। তাহলে রাজকীয় রান্নাঘর থেকে কীভাবে এই নান আমাদের সাধারণের পাতে এসে পৌঁছাল?
নানের উৎস নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও অনেক খাদ্য ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, এই রুটির জন্ম প্রাচীন পারস্যে (বর্তমান ইরান)। কারণ, নান শব্দটি ফারসি শব্দ ব্রেড বা রুটি থেকে এসেছে। পারস্যবাসীরা জল ও ময়দা দিয়ে এই রুটি তৈরি করত এবং সম্ভবত উত্তপ্ত নুড়ি পাথরের ওপর এটি সেঁকা হতো।
১৩ থেকে ১৬ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে যে সুলতানরা ভারতীয় উপমহাদেশের বিশাল অংশ শাসন করেছিলেন, তাঁদের হাত ধরেই নান এই অঞ্চলে আসে। মুসলিম শাসকেরা তাঁদের সঙ্গে পশ্চিম ও মধ্য এশিয়ার রন্ধনশৈলী নিয়ে এসেছিলেন; যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল তন্দুর বা মাটির উনুনে রান্না করা।
ইন্দো-পার্সিয়ান কবি আমির খসরু, যিনি আলাউদ্দিন খিলজি ও মুহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসনকালের রাজদরবারের জীবন লিপিবদ্ধ করেছিলেন, তাঁর লেখায় দুই ধরনের নানের কথা উল্লেখ করেছে—একটি নান-ই-তানুক, অন্যটি নান-ই-তানুরি।
এর মধ্যে প্রথমটি ছিল পাতলা ও সূক্ষ্ম আর দ্বিতীয়টি ছিল তন্দুরে সেঁকা মোটা ও ফোলা রুটি। সুলতানি আমলে নান সাধারণত বিভিন্ন মাংসের পদ, যেমন কাবাব বা কিমার সঙ্গে তৃপ্তিসহকারে খাওয়া হতো।
রাজকীয় রান্নাঘরের পাচক বা বাবুর্চিরা নান তৈরির কৌশলে আরও নতুনত্ব নিয়ে আসেন। তাঁরা মাখানোর বিশেষ ধরনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন এবং সেই সময়ে এক দুর্লভ উপকরণ ইস্ট ব্যবহার শুরু করেন, যাতে রুটিটি আরও নরম ও ফোলা হয়। অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল প্রস্তুতির কারণে সে সময় নান ছিল মূলত একটি বিলাসবহুল খাবার, যা কেবল অভিজাত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
পরবর্তী তিন শতাব্দী ধরে মুঘল সম্রাটদের শাসনামলেও এই ধারা অব্যাহত ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসবিদ নেহা ভারমানি বলেন, বিশেষজ্ঞ পাচক, যাঁদের নানবাই বলা হতো, তাঁরা এই রুটি নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন এবং তাঁদের উদ্ভাবনগুলো বোঝাতে বিভিন্ন বিশেষ্য ব্যবহার করতেন। উদাহরণস্বরূপ, নান-ই-ওয়ারকি ছিল পাতলা ও স্তরে স্তরে সাজানো একটি রুটি। অন্যদিকে নান-ই-তাঙ্গি ছিল তুলনামূলক ছোট, যা খুব সহজেই ঝোল বা গ্রেভি শুষে নিতে পারত।
নানের নামকরণ অনেক সময় সেইসব রাজকীয় রান্নাঘরের নামানুসারেও করা হতো, যেখানে এগুলো তৈরি হতো।
ভারমানি জানান, বাকরখানি বিস্কুটের মতো একটি রুটি। এর নামকরণ করা হয়েছিল বাকর নজম সাইনির রান্নাঘরের নাম অনুসারে, যিনি জাহাঙ্গীর ও শাহজাহানের দরবারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।
ব্রিটিশ শাসনামলেও নান মূলত উচ্চবিত্তদের খাবার হিসেবে টিকে ছিল। তবে ইংরেজ পর্যটকদের মাধ্যমে এটি ধীরে ধীরে পশ্চিমা বিশ্বে পরিচিতি পেতে শুরু করে। এদিকে ভারতেও ঔপনিবেশিক আমলের খাদ্যাভ্যাসে নান নিজের জায়গা করে নেয়। তখন এটি প্রক্রিয়াজাত মাংস কিংবা স্থানীয় মসলাযুক্ত সসের সঙ্গে পরিবেশন করা হতো।
ইতিহাসবিদ নেহা ভারমানি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানের সেই জটিল রন্ধনশৈলীর বদলে সহজ পদ্ধতি চলে আসে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছেও এটি সহজলভ্য হয়ে ওঠে; ঠিক যেমনটা আমরা বর্তমানে স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোতে দেখে থাকি।’
বর্তমানে ময়দা, দই ও ইস্ট মিশিয়ে একটি নরম খামির তৈরির মাধ্যমে নান প্রস্তুত করা হয়। খামির ফুলে ওঠার জন্য কিছুক্ষণ রেখে দেওয়া হয়। এরপর ছোট ছোট গোল্লা করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা আকার দেওয়া হয়। এরপর এটি অত্যন্ত গরম তন্দুরে দেওয়া হয়, যতক্ষণ না এটি ফুলে ওঠে এবং গায়ে বাদামি দাগ পড়ে। পরিবেশনের আগে এর ওপর হালকা করে মাখন বা ঘি ব্রাশ করে দেওয়া হয়।
তবে নানের গল্প এখানেই শেষ নয়।
১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে নানের ক্ষেত্রে নতুন এক উদ্ভাবনের জোয়ার আসে। ভারত ও বিদেশের নামী রেস্তোরাঁগুলো এই রুটি নিয়ে নতুন সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।
রাঁধুনি সুবীর শরণ স্মরণ করেন, নিউইয়র্কে তাঁর রেস্তোরাঁ কীভাবে পালং শাক, পনির ও মাশরুম দিয়ে নান তৈরি শুরু করেছিল।
শরণ বলেন, অভারতীয়দের কাছে নানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য এটি ছিল একধরনের সাজসজ্জা। অন্যদিকে প্রবাসে থাকা ভারতীয়রা তাঁদের ঐতিহ্যবাহী খাবারটি খাওয়ার সময় কিছুটা আধুনিকতার স্বাদ পেয়ে আনন্দিত হতেন।
এই ধারা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সারা বিশ্বের রেস্তোরাঁগুলো নানা ধরনের উপকরণে ঠাসা পরীক্ষামূলক নান পরিবেশন করছে।
শরণ বলেন, ‘আপনি গোয়ার কোনো রেস্তোরাঁয় পর্ক ভিন্দালু নান বা বাটার চিকেন নান পাবেন। আবার হংকংয়ের কোনো রেস্তোরাঁয় হয়তো পাবেন ট্রাফল চিজ নান। নান হলো বিশ্বের দরবারে ভারতের এক গৌরবময় রন্ধনশৈলীর উপহার।’
খাদ্য ঐতিহাসিকেরা হয়তো এতে পুরোপুরি একমত হবেন না, কারণ, নান অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর খাবারেরও অংশ। তবে ভারতের সঙ্গে এর সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও সুপ্রাচীন।
শরণ বলেন, ‘নান মূলত একাত্মতা ও ভারতীয় পরিচয়ের বার্তা বহন করে। নান আমাদের বহুত্ববাদের গল্প শোনায়। শোনায় কীভাবে বিভিন্ন সংস্কৃতি মিলেমিশে একত্রে থাকে। এটি আমাদের শেখায়, ভিন্নতা মানেই একে অপরকে বাতিল করে দেওয়া নয়; বরং সেই ভিন্নতাগুলোকে একসঙ্গে উদ্যাপন করা।’
তথ্যসূত্র: বিবিসি

মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।...
৪ ঘণ্টা আগে
জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
২ ঘণ্টা আগে
সুগন্ধি শুধু একটি প্রসাধনী নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি স্মৃতি, বিজ্ঞান এবং আত্মপ্রকাশের এক চমৎকার মিশেল। এটি আমাদের মেজাজ ভালো করে এবং আমাদের দিনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পারফিউমের বাজার প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের; যা ২০৩৪ সাল নাগাদ ১০১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন
১৮ ঘণ্টা আগে
আসছে নতুন বছর। পুরোনো বছরের চুলের যত সমস্যা সব যেন নতুন বছরেই সমাধান হয়ে যায়. তাই তো চাইছেন? অন্ধভাবে চুলের যত্নের পণ্য কিনে হতাশ হওয়ার পর্ব শেষ করে কোন পণ্যটি আপনার চুলের জন্য আসলেই ভালো হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬। ঘন ও স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল চুল পেতে হলে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।
১৯ ঘণ্টা আগে