সম্প্রতি ১১৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এলএইচএস ১৯০৩ নামের একটি লোহিত বামন নক্ষত্রকে ঘিরে এক গ্রহমণ্ডলীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি মহাকাশবিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। নাসা এবং ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই ‘উল্টো’ বিন্যাসের গ্রহমণ্ডলীটি শনাক্ত করা হয়েছে।
চেনা নিয়মের ব্যতিক্রম
সাধারণত আমাদের সৌরজগতে দেখা যায়, সূর্যের কাছে থাকে ছোট ও পাথুরে গ্রহ এবং দূরে থাকে বিশাল গ্যাসীয় গ্রহ। কিন্তু এলএইচএস ১৯০৩-এর ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। এখানে চারটি গ্রহের বিন্যাস বিজ্ঞানীদের চমকে দিয়েছে। এর সবচেয়ে ভেতরে রয়েছে একটি পাথুরে গ্রহ। মাঝখানের দুটি গ্রহ বিশাল ও গ্যাসীয়। সবচেয়ে বাইরে অবস্থান করছে একটি বিশাল পাথুরে সুপার আর্থ। এটি আবার পৃথিবীর চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বড়। গ্যাসীয় গ্রহদের সীমানা ছাড়িয়ে এত দূরে একটি পাথুরে গ্রহের অবস্থানকে বিজ্ঞানীরা এক ‘অদ্ভুত বিশৃঙ্খলা’ বলে অভিহিত করছেন।
কেন এই সামঞ্জস্যহীন বিন্যাস
ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের অধ্যাপক থমাস উইলসন ও তাঁর দল এর কারণ হিসেবে ‘ইনসাইড-আউট প্ল্যানেট ফরমেশন’ তত্ত্বটি প্রস্তাব করেছেন। তাঁদের মতে, এই গ্রহগুলো সৌরজগতের মতো একই সময়ে তৈরি না হয়ে ধারাবাহিকভাবে একটির পর একটি তৈরি হয়েছে। ভেতরের গ্রহগুলো তৈরি হওয়ার সময় তারা আশপাশের সব গ্যাস শুষে নিয়েছিল। ফলে যখন একদম বাইরের গ্রহটি, অর্থাৎ সুপার আর্থ তৈরি হতে শুরু করে, তখন সেখানে পর্যাপ্ত গ্যাস অবশিষ্ট ছিল না। এ কারণে সেটি গ্যাসীয় দানব না হয়ে একটি পাথুরে গ্রহে পরিণত হয়েছে।
আগামীর সম্ভাবনা
গবেষকেরা নিশ্চিত করেছেন, এই সুপার আর্থ কোনো সংঘর্ষ বা বায়ুমণ্ডল হারিয়ে ফেলার মাধ্যমে তৈরি হয়নি। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক হিদার নুটসন জানান, ভবিষ্যতে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণে সেখানে জলীয় বাষ্প বা অন্য কোনো চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এমআইটির অধ্যাপক সারা সিজার এবং অন্য বিজ্ঞানীদের মতে, এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে গ্রহ তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়। এলএইচএস ১৯০৩ মণ্ডলীটি এখন বিজ্ঞানীদের কাছে একটি ‘প্রাকৃতিক গবেষণাগার’, যা শিখিয়েছে, প্রকৃতির নিয়ম সব সময় এক ছাঁচে চলে না।
সূত্র: সিএনএন, স্পেস

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
১৩ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১৪ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৯ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
২১ ঘণ্টা আগে