
জুতার দুর্গন্ধ অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। নতুন জুতা হলেও এক বা দুই দিন ব্যবহারের পর ভেতরে দুর্গন্ধ হতে পারে। মূলত ঘাম এবং জুতার ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়ার কারণে দুর্গন্ধ হয়। তাই বলে জুতা ফেলে দেওয়ার দরকার নেই। ঘরে থাকা কিছু উপকরণ ব্যবহার করেও এই সমস্যার খুব সহজে সমাধান করা যায়।
বেকিং সোডা ব্যবহার করুন
বেকিং সোডা জুতার ভেতরের আর্দ্রতা শোষণ করতে বিশেষ কাজে দেয়। এটি জুতার দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
জুতার ভেতর সময়ের সঙ্গে ঘাম জমে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, যা দুর্গন্ধের মূল কারণ। এ সমস্যা দূর করতে জুতার ভেতর হালকা বেকিং সোডা সমানভাবে ছড়িয়ে দিন, যাতে সব অংশে এটি পৌঁছায়। এরপর জুতা ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন। এই সময়ে বেকিং সোডা ঘাম ও ব্যাকটেরিয়া শোষণ করে এবং জুতার ভেতরের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। চাইলে বেকিং সোডার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবু বা টি ট্রি তেল মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে জুতার ভেতরের দুর্গন্ধ দূর হয়। পরের দিন সকালে জুতা হালকা নেড়ে বা টোকা দিয়ে বাকি পাউডার বের করে ফেলুন। এতে এটি ব্যবহার করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হবে এবং দীর্ঘ সময় সতেজ থাকবে।
সাদা ভিনেগার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করুন
সাদা ভিনেগার হলো প্রাকৃতিক উপাদান, এর মধ্যে হালকা অ্যাসিড থাকে। এই হালকা অ্যাসিড জুতার ভেতরের ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ফলে এর দুর্গন্ধ দূর হয়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ব্যবহার হওয়া জুতায় ভিনেগার খুব কার্যকর। কারণ, এটি ভেতরের আর্দ্রতা কমায় এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে। ভিনেগার ব্যবহার করার জন্য সমান পরিমাণে পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে একটি স্প্রে তৈরি করুন। চাইলে এতে কয়েক ফোঁটা লেবু বা টি ট্রি তেল মিশিয়ে দিতে পারেন। স্প্রে তৈরি হলে তা জুতার ভেতরে ছিটিয়ে দিয়ে শুকাতে দিন। শুকানোর সময় ভিনেগারের অ্যাসিড এবং গন্ধ উড়ে যাবে। আর জুতা হয়ে উঠবে দুর্গন্ধহীন এবং ব্যবহার উপযোগী।
হাতে ডিপ ক্লিনিং করুন
যদি কোনো জুতা অনেক দিন পরিষ্কার করা না হয় বা দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাহলে হাতে ডিপ ক্লিনিং করা সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে জুতার ভেতরের দুর্গন্ধ যেমন দূর হয়, তেমনি বাইরে জমে থাকা ময়লাও ভালোভাবে পরিষ্কার হয়। শুরু করার জন্য সমান পরিমাণ বেকিং সোডা, সাদা ভিনেগার এবং পানি মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি এমন ভাবে তৈরি করুন যেন খুব পাতলা বা খুব ঘন না হয় এবং যাতে সহজে জুতার ভেতর ও বাইরের অংশে ঘষা যায়। এরপর একটি পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করে পেস্টটি জুতার ভেতর ও বাইরে ভালোভাবে ঘষুন। বিশেষ করে জুতার আঙুলের অংশ, তলা ও লাইনিং। সব অংশে পেস্ট ছড়ানোর পর জুতা সরাসরি রোদে শুকাতে দিন। সূর্যের আলো ও বাতাস এর ভেতরের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয় এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করুন
সাধারণ স্নিকার্সের ক্ষেত্রে ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে দ্রুত পরিষ্কার করা যায়, যদি এটি আপনার বাড়িতে থাকে। এ জন্য প্রথমে জুতার লেস এবং ইনসোল আলাদা করুন। জুতাগুলো একটি মেশ ব্যাগে দিয়ে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এর সঙ্গে কয়েকটি পুরোনো তোয়ালে রাখতে পারেন, যাতে মেশিনে জুতার আঘাত কম হয়। এ জন্য হট ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। জুতা শুকানোর জন্য রোদে বা ভালো বায়ু চলাচল করে এমন জায়গায় রাখুন।
জুতা দীর্ঘদিন গন্ধহীন রাখার টিপস
মোজা ব্যবহার করুন: বন্ধ জুতার সঙ্গে সব সময় মোজা পরুন। এতে ঘাম আগে মোজায় জমে।
ফ্রিজে রাখুন: জুতা জিপলক ব্যাগে ভরে রাতভর ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা তাপমাত্রা অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
একাধিক জুতা ব্যবহার করুন: একই জুতা বেশি দিন পরবেন না। অন্তত ২৪ ঘণ্টা বিরতি দিন, যাতে এর আর্দ্রতা পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। এ জন্য একাধিক জোড়া জুতা রাখুন।
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
১৩ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১৪ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৯ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
২১ ঘণ্টা আগে