
শাড়ি পরার সময় আয়নার দিকে তাকাতেই যেন বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল। কী আপনি কী হয়ে গেছেন—এ কথা ভাবছেন নিশ্চয়ই। মেঘে মেঘে বেলা তো কম হয়নি, বয়স পেরিয়েছে ৫০-এর কোঠা। প্রাকৃতিক নিয়মে শারীরিক গঠনে পরিবর্তন তো আসারই কথা।
ফিট থাকার জন্য প্রায় প্রতিদিনই ভাবেন সকালে উঠে হাঁটতে বের হবেন, যোগাসন করবেন, কিন্তু কিছুতেই তা আর হয়ে উঠছে না, কেমন যেন অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন দিনকে দিন। রান্না ও ঘরের কাজ করার জন্যও সহযোগী রেখেছেন। ফলে রোজকার অভ্যাসের কাজকর্ম না থাকার ফলে নানান রোগ ঘিরে ধরতে শুরু করেছে। বয়সজনিত হাঁটুর ব্যথা তো বটেই, এখন রাস্তায় বেরিয়ে সামান্য হাঁটলে বা সিঁড়ি ভেঙে উঠতেই যেন হাঁপিয়ে যাচ্ছেন।
আসলে এত দিন নিয়ম করে হাঁটাচলা ও ঘরের কাজকর্ম নিজে করার কারণে হয়তো রোগবালাই আপনার শরীরে জেঁকে বসতে পারেনি কিংবা কোলেস্টেরলও ছুঁতে পারেনি আপনাকে। কিন্তু শরীরচর্চা ও ঘরের নিয়মিত কাজ না করতে করতে সেই রোগগুলো হতে পারে। তার ওপর বাতের ব্যথা, গা-হাত-পায়ে ব্যথা তো এই বয়সের চিরকালের শত্রু। বয়স বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি আগের মতো সক্ষম থাকবেন না। শারীরিক ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকবেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও আপনাকে সচল থাকার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অনেকটা এর ওপর নির্ভরশীল।
‘ইচ্ছা করছে না’ ব্যাপারটাকে যত গুরুত্ব দেবেন, ততই শরীরে রোগ বাসা বাঁধবে। মনে মনে নিজেকে বলুন, ‘আমি যত সচল থাকব, ততই সুস্থ থাকব।’ সকাল বা বিকেল, নিজের সুবিধা অনুযায়ী দিনের যেকোনো একটা সময় হাঁটার জন্য বের করে নিন। একা হাঁটতে খারাপ লাগলে পাড়ার কোনো সঙ্গী-সাথি জোগাড় করে নিতে পারেন। নিয়ম করে রোজ ২০-২৫ মিনিট হাঁটতে পারলে অনেকটা সচল থাকতে পারবেন। ছাদ থাকলে ছাদেও নিয়ম করে হাঁটতে পারেন।
সক্রিয় থাকার জন্য বাড়ির হালকা বাজার করা বা টুকটাক ঘরের কাজের দায়িত্ব নিয়ে নিন, মাঝেমধ্যে রান্নাবান্নাও করতে পারেন। বাড়ির ছোটরা আপনাকে কাজ করতে না-ও দিতে পারে, তবে আপনি শুয়ে-বসে কাটালেই বরং বিপদ বেশি। কোনো কাজ না করে পুরোপুরি বসে থাকা কিন্তু শরীরের ক্ষতি করে।
ধরুন কেউ আগে নিয়ম করে জগিং করতেন। বয়স বাড়ার ফলে সেসব হয়তো করা সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে দমে যাবেন না; বরং যে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজগুলো করতে পারছেন, সেগুলো রুটিন মেনে করে যান। যোগাসন যেকোনো বয়সে খুব উপযোগী, তাই সহজ কিছু যোগাসন বেছে সেগুলো ঘরেই করতে পারেন।
এসবের পাশাপাশি ফিট ও কর্মক্ষম থাকতে নিজের শখের দিকে নজর দেওয়া দরকার। বাগান করতে ভালোবাসলে এবার সেই ভালোবাসা কাজে পরিণত করুন। অন্য কোনো শখ, যা আপনাকে সক্রিয় থাকতে সাহায্য করবে, সবকিছুই নিশ্চিন্তে করতে পারেন।
নিজের ছোটখাটো দৈনন্দিন কাজগুলোর জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল হবেন না। নিজে সেগুলো করুন। দেখবেন, নিজের কাজ নিজে করলে মনে বাড়তি আত্মবিশ্বাস আসে। আর এভাবেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকবেন।
লেখক: চিকিৎসক, কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার বিডি

জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। পথে-ঘাটে গাড়ি থামিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখতেও ভুল হচ্ছে না এতটুকু। আর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখার ব্যাপারটি তো আছেই। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উন্মাদনা জার্সি ছাড়িয়ে উঠে এসেছে রোজকার পরিধেয়তেও।
৩ মিনিট আগে
আমাদের মুখমণ্ডলের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা হয় চোখের চারপাশের ত্বক। তাই রোজ যে ক্লিনজার স্ক্রাব বা ময়শ্চারাইজার আমরা মুখে ব্যবহার করি, তা চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য সমান কার্যকর নয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
২ ঘণ্টা আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
২ ঘণ্টা আগে