
এই শহুরে জীবনে বাড়ির সামনে বাগান করার সৌভাগ্য আর কজনের মেলে? শখ-আহ্লাদ যেটুকু মেটানোর যার ফুরসত দেয় এক চিলতে বারান্দা। অবশ্য সুন্দর একটা বারান্দা পাওয়াও সৌভাগ্যের ব্যাপার। বারান্দায় বসে কিছু সময় পার করাও কঠিন। কারণ, এক বাড়ির সঙ্গে আরেক বাড়ি এমনভাবে লাগোয়া যে বারান্দায় আর প্রাইভেসি থাকে না বললেই চলে। তবে বারান্দার গ্রিল যদি লতানো গাছে ঢেকে দেওয়া যায়, তাতে বারান্দার সৌন্দর্য বাড়ার পাশাপাশি প্রাইভেসি মেলে।
বারান্দা জোড়া ম্যাজেন্টা, গোলাপি, সাদা বা বাসন্তী বাগানবিলাস গাছ দিতে পারে এই সমাধান। এই ফুলের চোখ ধাঁধানো রঙে যেন নিজের শখের এক চিলতে বারান্দাটাকেই অন্য রকম লাগে। প্রায় সারা বছরই এই ফুল শোভা ছড়ায়। কিন্তু বারান্দায় অত বড় লতানে বাগানবিলাস গাছ কীভাবে লাগাবেন, কীভাবে তার যত্ন নেবেন, তা বুঝতে পারেন না অনেকেই। তা ছাড়া লতানো গাছ বলে বাগানবিলাস বাগানে বা বাড়ির সদর দরজায় খোলা জায়গাতেই লাগাতে পছন্দ করেন সকলে। কিন্তু আপনার ফ্ল্যাটের বারান্দায় যদি অল্প জায়গাও থাকে, তাহলে কিন্তু টবে নিশ্চিন্তে বাগানবিলাস লাগিয়ে ফেলতে পারেন। বাগানবিলাসের খুব একটা ঝামেলা নেই, তার ওপর অল্প যত্নেই এই গাছে প্রচুর ফুল হয়।

মোটামুটি ১০-১৪ ইঞ্চি গভীর কোনো টবে প্রথমে চারা বা ছোট গাছ লাগাতে পারেন। তবে গাছ যখন একটু বড় হয়ে যাবে, তখন অন্য কোনো বড় টবে এটিকে বসাতে হবে। বাগানবিলাসের শেকড় খুব বেশি ঘন হয়ে যায়, তাই সেটি আটকাতে দুই বছর ছাড়া পুনরায় পটিং করা দরকার। আর যেহেতু আমাদের দেশে খুব গরম পড়ে, তাই মাটির টবে এই গাছ লাগান, না হলে গরমকালে গাছে জল দিলে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় শেকড় পচে যেতে পারে।
যে মাটিতেই গাছ লাগান না কেন, খেয়াল রাখবেন মাটি যেন ভিজে না থাকে। ঝুরঝুরে মাটির সঙ্গে বাড়িতে তৈরি সার মিশিয়ে টবের মাটি বানিয়ে নিন। এ ছাড়া ক্যাকটাসের জন্য যে মাটি ব্যবহার করা হয়, সেই মাটিও মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
বাগানবিলাস গাছে ফুল হওয়ার জন্য সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন। খেয়াল রাখবেন, আপনার গাছ যেন দিনে অন্তত পাঁচ-ছয় ঘণ্টা রোদ পায়। তাই বারান্দার এমন জায়গায় রাখুন যেখানে টব সরাসরি রোদ পাবে। ঘরের ভেতরে রাখতে চাইলে দক্ষিণ দিকের জানলার কাছে রাখুন। মনে রাখবেন, ছায়া থাকলে বা সূর্যের আলো না পেলে কিন্তু গাছে খুব ছোট টবে যদি বাগানবিলাস লাগাতে চান, তাহলে ‘বুশি’, ডোয়ার্ফ কোনো ভ্যারাইটি কেনাই ভালো। এই ধরনের গাছ খুব একটা বড় হবে না, অথচ কাঁকড়া হবে, প্রচুর ফুলও হবে। ফলে দেখতেও ভালো লাগবে। টবে লাগানোর জন্য সাধারণত রোজেস্কা (গোলাপি), মিস অ্যালিস (সাদা), ক্রিমসন জুয়েল (লাল) ইত্যাদি কিনুন।
নতুন গাছ কিনে আনার পর মাটি যেন ভিজে ভিজে থাকে এভাবে রোজ পানি দিন। দুই সপ্তাহ পর পর গাছে সার দিতে পারেন। তবে শীতকালে সার না দিলেও হবে। গাছে যদি নিয়ম করে রোদ লাগে, তাহলে বাগানবিলাসে পোকা লাগার আশঙ্কা কম থাকে।
সূত্র: দ্য স্প্রাউস ও অন্যান্য

জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। পথে-ঘাটে গাড়ি থামিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখতেও ভুল হচ্ছে না এতটুকু। আর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখার ব্যাপারটি তো আছেই। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উন্মাদনা জার্সি ছাড়িয়ে উঠে এসেছে রোজকার পরিধেয়তেও।
৩ মিনিট আগে
আমাদের মুখমণ্ডলের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা হয় চোখের চারপাশের ত্বক। তাই রোজ যে ক্লিনজার স্ক্রাব বা ময়শ্চারাইজার আমরা মুখে ব্যবহার করি, তা চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য সমান কার্যকর নয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
২ ঘণ্টা আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
২ ঘণ্টা আগে