প্রতিদিন বিকেলে কী নাশতা তৈরি করবেন, সেটা নিয়ে ভারী ভাবতে হয়। কোনো চিন্তা ছাড়াই তৈরি করে ফেলুন সহজ নাশতা কুনাফা। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
লাচ্ছা সেমাইয়ের প্যাকেট ১টি, তরল দুধ ২ কাপ, ক্রিম বা মাখন ১টি, চিনি পরিমাণমতো বা ১ থেকে ৩ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার দু-তিন টেবিল চামচ পানি দিয়ে গোলানো, ঘি বা বাটার ১ থেকে ৩ কাপ বা যতটুকু লাগে।
চিনি আধা কাপ, পানি ১ কাপ।
প্রথমে দুধ, চিনি ও কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে হালকা ঠান্ডা করে ক্রিম মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন, ক্রিম পাতলা হলে কুনাফা বসবে না। একদম কাস্টার্ডের মতো ঘন করে ফেলতে হবে। ঠান্ডা করে রেখে দিন। সেমাইয়ে ঘি মেখে নিন। এমন পাত্রে নেবেন, যেটায় আর উল্টানোর প্রয়োজন পড়বে না। নয়তো কুনাফা ভেঙে যাবে। এ ক্ষেত্রে কেক প্যান ভালো হয়। প্যানে হালকা ঘি ব্রাশ করে সেমাই বিছিয়ে চেপে চেপে সমান করে দিন। ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরম করুন। হালকা বাদামি হলে বের করে ওপরে ঠান্ডা করা ক্রিম ঢেলে দিয়ে আরেক লেয়ার সেমাই দিন। এবার ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট বেক করুন। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পুড়ে না যায়। ওপরে হালকা বাদামি হলে আগে থেকে করে রাখা গরম চিনির সিরা ছড়িয়ে দিন। সাধারণ তাপমাত্রায় এলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে কেটে পরিবেশন করুন কুনাফা।

ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
১৭ মিনিট আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
২৭ মিনিট আগে
আমার মুখের ত্বকে দু-একটা ব্রণের দাগ ছাড়া তেমন কোনো দাগ নেই। তবে প্রতিবার ফেয়ার পলিশ করার পর চিকবোনের কাছে কালচে ছোপ দেখা যায়। কয়েক দিন পর আবার আবছা লাগে দাগটা। এটা কী? আমার কি মেছতা হতে যাচ্ছে?
১ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১৩ ঘণ্টা আগে