আশরিফা আকন্দ ঐশী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনা করেছেন আশরিফা আকন্দ ঐশী। তিনি ১৭তম বিজেএস পরীক্ষায় ২৩তম হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁর সফলতার পেছনের গল্প ও অভিজ্ঞতার কথা শুনেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার।
প্রস্তুতি শুরু যেভাবে
ঐশী প্রথমেই নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। জীবনে তিনি কী হতে চান। তাই মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হতেই তিনি এক দিনও দেরি না করে প্রস্তুতি শুরু করে দেন। প্রথমে ঠিক করেছেন, কোন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তার কাঠামো কেমন। এরপর সিলেবাস ভালোভাবে বুঝে নিয়েছেন। একই সঙ্গে তৈরি করেছেন একটি রুটিন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে পড়াশোনা করা, টপিকভিত্তিক নোট তৈরি করা এবং বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করা— এভাবেই তাঁর প্রস্তুতির যাত্রা শুরু হয়। নিজের আরাম-আয়েশ কিছুটা কমিয়ে নিজের প্রতি দৃঢ় সংকল্প নিয়েছিলেন, ‘আমাকে বিচারক হতে হবে।’
প্রিলি ও রিটেন প্রস্তুতি যেভাবে নিয়েছেন
প্রিলিমিনারির জন্য ঐশী মূলত মৌলিক বিষয়গুলো পরিষ্কার করেছিলেন। নিয়মিত সেলফ মডেল টেস্ট ও এক্সাম দিয়ে নিজের জ্ঞান যাচাই করেছেন। তাঁর মতে, লিখিত পরীক্ষা ছিল একটি সুবিধার জায়গা। কারণ, এখানে তিনি নিজের দক্ষতা পুরোপুরি প্রমাণ করতে পারতেন। তাই তিনি প্রতিটি বিষয়ের গভীরে ঢুকে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতেন এবং চেষ্টা করতেন সর্বোচ্চ মানের প্রস্তুতি দেখানোর।
যেহেতু তিনি সম্পূর্ণ একা প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাই প্রতিটি বিষয় নিয়ে নিজে নিজে গবেষণা করতে হয়েছে। কোন অংশ বেশি দুর্বল বা কোন বিষয় কেমনভাবে সঠিকভাবে উত্তর লেখা যায়; সবকিছু নিজে যাচাই ও চর্চা করতে হয়েছে।
রিটেন পরীক্ষার জন্য তিনি প্রতিদিন নিয়মিত কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর লিখে লিখে প্র্যাকটিস করতেন। উত্তর লেখার দক্ষতা বাড়ানোর এই নিয়মিত চর্চাই তাঁর আত্মবিশ্বাসকে শক্তিশালী করেছে। লিখিত প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তা পরের দিনের প্রস্তুতিতে কাজে লাগাতেন। এই একনিষ্ঠতা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা তাঁকে রিটেন পরীক্ষায় সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।
ভাইভা প্রস্তুতি
ভাইভার জন্য প্রথমেই আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, পরীক্ষার দিন নিজেকে পুরোপুরি প্রেজেন্ট করতে পারা। এ জন্য তিনি নিজের পরিচিতি নিখুঁতভাবে সাজিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সম্পর্কে আপডেট থাকতেন এবং কাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোর গভীর জ্ঞান অর্জন করতেন।
শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারাটাও তাঁর প্রস্তুতির অংশ ছিল। তাই বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত মক ভাইভা দিয়ে তিনি নিজেকে পরীক্ষার পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত করতেন। নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে পরবর্তী চর্চায় তা উন্নত করা, প্রশ্নের ধরন বুঝে তার উত্তরকে আরও প্রাঞ্জল করা— এসবই তাঁর ভাইভা প্রস্তুতির মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিক চর্চাই তাঁকে ভাইভায় সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।
সাফল্যের রহস্য
ছোটবেলা থেকেই ঐশীর জীবনের মূলমন্ত্র ছিল নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস, সময় ব্যবস্থাপনা এবং কখনো হতাশ না হওয়া। দৃঢ় সংকল্প তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে কাজ করেছে। ব্যর্থতাকে তিনি কখনো বাধা হিসেবে দেখেননি, বরং প্রতিটি ভুলকে শিক্ষার অংশ মনে করে তা থেকে শিখেছেন।
ঐশীর মা সব সময় চাইতেন, তিনি যেন জীবনে সাফল্যের সবচেয়ে উচ্চ শিখরে পৌঁছান। মা-বাবার এই আশা ও নিজের অনুপ্রেরণা মিলিয়ে তিনি চেষ্টা করেছেন, যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং এলএলএমে তিনি প্রথম শ্রেণি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এরপর প্রথমবারেই হন অ্যাডভোকেট। পরে প্রথম বিজেএস পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেও নিজের যোগ্যতা ও কঠোর পরিশ্রমে দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সম্মানিত পেশা সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপপ্রাপ্ত হয়েছেন।
নতুনদের জন্য পরামর্শ
নতুনদের পরামর্শ দিতে গিয়ে ঐশী বলেন, প্রথমেই লক্ষ্য স্থির করুন এবং ছোট ছোট টার্গেট ঠিক করে এগিয়ে যান। প্রতিটি ধাপেই নিজের অগ্রগতি যাচাই করুন। মূল বইয়ের প্রতি আস্থা রাখুন এবং গুজব বা অপ্রয়োজনীয় পরামর্শ থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত রিভিশন করুন। নিজেকে সময়মতো মূল্যায়ন করুন।
ঐশী আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধৈর্য ধরে রাখা। সফলতা এক দিনের ফল নয়—এটি সময়সাপেক্ষ। ধারাবাহিক পরিশ্রম, মনোযোগ এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখলেই আপনি লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ঐশীর প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করা। পাশাপাশি তিনি নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে অবিরত শেখার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করতে চান।
বিচারক হিসেবে ঐশী জনসাধারণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান। দেশের বেশির ভাগ মানুষ জানে না তাদের অধিকার কী, তাই তাদের ভরসার সবচেয়ে বড় জায়গা হলো বিচারালয়। নিপীড়িত মানুষ বিচারকের কাছে প্রার্থনা করে ন্যায়বিচারের আশায়। ঐশীর সংকল্প, তিনি আমৃত্যু চেষ্টা করবেন যেন তাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের আলো দেখাতে পারেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনা করেছেন আশরিফা আকন্দ ঐশী। তিনি ১৭তম বিজেএস পরীক্ষায় ২৩তম হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁর সফলতার পেছনের গল্প ও অভিজ্ঞতার কথা শুনেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার।
প্রস্তুতি শুরু যেভাবে
ঐশী প্রথমেই নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। জীবনে তিনি কী হতে চান। তাই মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হতেই তিনি এক দিনও দেরি না করে প্রস্তুতি শুরু করে দেন। প্রথমে ঠিক করেছেন, কোন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তার কাঠামো কেমন। এরপর সিলেবাস ভালোভাবে বুঝে নিয়েছেন। একই সঙ্গে তৈরি করেছেন একটি রুটিন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে পড়াশোনা করা, টপিকভিত্তিক নোট তৈরি করা এবং বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করা— এভাবেই তাঁর প্রস্তুতির যাত্রা শুরু হয়। নিজের আরাম-আয়েশ কিছুটা কমিয়ে নিজের প্রতি দৃঢ় সংকল্প নিয়েছিলেন, ‘আমাকে বিচারক হতে হবে।’
প্রিলি ও রিটেন প্রস্তুতি যেভাবে নিয়েছেন
প্রিলিমিনারির জন্য ঐশী মূলত মৌলিক বিষয়গুলো পরিষ্কার করেছিলেন। নিয়মিত সেলফ মডেল টেস্ট ও এক্সাম দিয়ে নিজের জ্ঞান যাচাই করেছেন। তাঁর মতে, লিখিত পরীক্ষা ছিল একটি সুবিধার জায়গা। কারণ, এখানে তিনি নিজের দক্ষতা পুরোপুরি প্রমাণ করতে পারতেন। তাই তিনি প্রতিটি বিষয়ের গভীরে ঢুকে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতেন এবং চেষ্টা করতেন সর্বোচ্চ মানের প্রস্তুতি দেখানোর।
যেহেতু তিনি সম্পূর্ণ একা প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাই প্রতিটি বিষয় নিয়ে নিজে নিজে গবেষণা করতে হয়েছে। কোন অংশ বেশি দুর্বল বা কোন বিষয় কেমনভাবে সঠিকভাবে উত্তর লেখা যায়; সবকিছু নিজে যাচাই ও চর্চা করতে হয়েছে।
রিটেন পরীক্ষার জন্য তিনি প্রতিদিন নিয়মিত কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর লিখে লিখে প্র্যাকটিস করতেন। উত্তর লেখার দক্ষতা বাড়ানোর এই নিয়মিত চর্চাই তাঁর আত্মবিশ্বাসকে শক্তিশালী করেছে। লিখিত প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে তা পরের দিনের প্রস্তুতিতে কাজে লাগাতেন। এই একনিষ্ঠতা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা তাঁকে রিটেন পরীক্ষায় সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।
ভাইভা প্রস্তুতি
ভাইভার জন্য প্রথমেই আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, পরীক্ষার দিন নিজেকে পুরোপুরি প্রেজেন্ট করতে পারা। এ জন্য তিনি নিজের পরিচিতি নিখুঁতভাবে সাজিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সম্পর্কে আপডেট থাকতেন এবং কাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোর গভীর জ্ঞান অর্জন করতেন।
শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারাটাও তাঁর প্রস্তুতির অংশ ছিল। তাই বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত মক ভাইভা দিয়ে তিনি নিজেকে পরীক্ষার পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত করতেন। নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে পরবর্তী চর্চায় তা উন্নত করা, প্রশ্নের ধরন বুঝে তার উত্তরকে আরও প্রাঞ্জল করা— এসবই তাঁর ভাইভা প্রস্তুতির মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিক চর্চাই তাঁকে ভাইভায় সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।
সাফল্যের রহস্য
ছোটবেলা থেকেই ঐশীর জীবনের মূলমন্ত্র ছিল নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস, সময় ব্যবস্থাপনা এবং কখনো হতাশ না হওয়া। দৃঢ় সংকল্প তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে কাজ করেছে। ব্যর্থতাকে তিনি কখনো বাধা হিসেবে দেখেননি, বরং প্রতিটি ভুলকে শিক্ষার অংশ মনে করে তা থেকে শিখেছেন।
ঐশীর মা সব সময় চাইতেন, তিনি যেন জীবনে সাফল্যের সবচেয়ে উচ্চ শিখরে পৌঁছান। মা-বাবার এই আশা ও নিজের অনুপ্রেরণা মিলিয়ে তিনি চেষ্টা করেছেন, যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং এলএলএমে তিনি প্রথম শ্রেণি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এরপর প্রথমবারেই হন অ্যাডভোকেট। পরে প্রথম বিজেএস পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেও নিজের যোগ্যতা ও কঠোর পরিশ্রমে দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সম্মানিত পেশা সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপপ্রাপ্ত হয়েছেন।
নতুনদের জন্য পরামর্শ
নতুনদের পরামর্শ দিতে গিয়ে ঐশী বলেন, প্রথমেই লক্ষ্য স্থির করুন এবং ছোট ছোট টার্গেট ঠিক করে এগিয়ে যান। প্রতিটি ধাপেই নিজের অগ্রগতি যাচাই করুন। মূল বইয়ের প্রতি আস্থা রাখুন এবং গুজব বা অপ্রয়োজনীয় পরামর্শ থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত রিভিশন করুন। নিজেকে সময়মতো মূল্যায়ন করুন।
ঐশী আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধৈর্য ধরে রাখা। সফলতা এক দিনের ফল নয়—এটি সময়সাপেক্ষ। ধারাবাহিক পরিশ্রম, মনোযোগ এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখলেই আপনি লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ঐশীর প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করা। পাশাপাশি তিনি নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে অবিরত শেখার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করতে চান।
বিচারক হিসেবে ঐশী জনসাধারণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান। দেশের বেশির ভাগ মানুষ জানে না তাদের অধিকার কী, তাই তাদের ভরসার সবচেয়ে বড় জায়গা হলো বিচারালয়। নিপীড়িত মানুষ বিচারকের কাছে প্রার্থনা করে ন্যায়বিচারের আশায়। ঐশীর সংকল্প, তিনি আমৃত্যু চেষ্টা করবেন যেন তাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের আলো দেখাতে পারেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ২৯ ধরনের শূন্য পদে ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হবে। ২৪ আগস্ট এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হবে।
২ ঘণ্টা আগেজনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘হেড অব ব্রাঞ্চ’ পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ২৭ আগস্ট এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৩ ঘণ্টা আগেজনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। সংস্থাটিতে ‘জেন্ডার, ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ স্পেশালিস্ট’ পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ২৭ জুলাই এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৪ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) নবম গ্রেডের তিনটি ক্যাটাগরির চারটি পদের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট ২২ জন প্রার্থী অংশ নেবেন।
৪ ঘণ্টা আগে