আরবি সালাম শব্দের অর্থ হলো শান্তি, কল্যাণ, দোয়া। সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি তৈরি হয় সম্মান ও শ্রদ্ধা। দূর হয় হিংসা ও বিদ্বেষ। পরস্পরের মধ্যে গড়ে ওঠে হৃদ্যতা ও ভালোবাসার সেতুবন্ধ।
দৈনন্দিন সাক্ষাৎকালে পরস্পরের মধ্যে সালাম বিনিময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। এতে ইমান হয় পরিপূর্ণ। জান্নাতের পথ হয় সুগম। নিম্নোক্ত হাদিস থেকে সালামের গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা যায়। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা ইমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর যতক্ষণ না তোমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা গড়ে উঠবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা প্রকৃত ইমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজ বলে দেব না, যা করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে লাগবে? (তা হচ্ছে) তোমরা আপসের মধ্যে সালাম প্রচার কর। (রিয়াজুস সালেহিন: ৮৫২)
নিজ গৃহে প্রবেশ করে সালাম দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। সালাম হলো একে অপরের জন্য আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তার দোয়া করা। দিনে অগণিত চেনা-অচেনা মানুষকে সালাম দিলেও ঘরের মানুষকে সালাম দিতে লজ্জা বা সংকোচবোধ করি। অথচ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ হলো—বাইরে থেকে এসে ঘরে প্রবেশ করলে নিজ স্বজনদেরও সালাম দেওয়া। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘এবং যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ করবে, তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এ হবে আল্লাহর কাছ থেকে বরকতময় ও পবিত্র অভিবাদন।’ (সুরা নুর: ৬১)
এক হাদিসে হজরত আনাস (রা.) বলেন, একবার আমাকে রাসুল (সা.) বললেন—‘হে বৎস, তোমার বাড়িতে যখন তুমি প্রবেশ করবে, তখন সালাম দাও; তাহলে তোমার ও তোমার পরিবারের জন্য তা বরকতময় হবে।’ (রিয়াজুস সালেহিন: ৮৬৬)

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
১৩ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৪ ঘণ্টা আগে