সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া এক ভয়ংকর ব্যাধি হলো সুদ (রিবা)। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সুদকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন। সুদ গ্রহণ-প্রদানকারী, এর সাক্ষী এবং লেখক—হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী সবাই অভিশপ্ত।
বাহ্যিকভাবে লাভজনক মনে হলেও সুদের লেনদেন মারাত্মক ক্ষতি এবং ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। এখানে সুদখোরের সেই ভয়াবহ পরিণতিগুলো তুলে ধরা হলো:
বিকারগ্রস্ত হওয়া: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা রিবা অর্থাৎ সুদ ভক্ষণ করে, তারা কিয়ামত দিবসে ওই ব্যক্তির মতো হয়ে উঠবে, যাকে শয়তান বিকারগ্রস্ততার দ্বারা উদ্ভ্রান্ত করে দিয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ২৭৫)
নিশ্চিহ্ন হওয়া: সুদ আপাতদৃষ্টিতে সম্পদ বৃদ্ধি করে মনে হলেও এর কোনো কল্যাণ নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করে দেন এবং দানকে বর্ধিত করেন।’ (সুরা বাকারা: ২৭৬)
কুফরের সমতুল্য: আল্লাহ তাআলা মুমিনদের উদ্দেশে বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং যা কিছু সুদ বকেয়া আছে, তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা মুমিন হও।’ (সুরা বাকারা: ২৭৮)। এই আয়াতে আল্লাহ মূলত বলছেন যে সুদ হারাম হওয়ার পরও যদি কেউ সুদের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তার ও একজন কাফেরের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ: ইমান আনার পরও সুদের লেনদেন করা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যদি তা না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা জেনে নাও।’ (সুরা বাকারা: ২৭৯)
চিরস্থায়ী জাহান্নাম: যদি কোনো ব্যক্তি সুদের কারবারে লিপ্ত থেকে তওবা না করে মারা যায়, তাহলে মৃত্যুর পর তার চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জাহান্নাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা পুনরায় সুদের দিকে ফিরে যাবে, তারা চিরদিন জাহান্নামে থাকবে।’ (সুরা বাকারা: ২৭৫)

মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনে ছোট-বড় অনেক গুনাহ হতে পারে। তবে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা তওবাকারী বান্দাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। গুনাহমুক্ত জীবন আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আপনি যদি আপনার পাপ মোচন করতে চান এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চান, তবে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতে পারেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামের ইতিহাসে মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধি (রহ.) এক কিংবদন্তি পুরুষ। একটি শিখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও সত্যের সন্ধানে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ভিত কাঁপিয়ে দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও কামাচার থেকে বিরত থাকা ফরজ। তবে অনেক সময় আমরা ধূমপান বা কয়েল-আগরবাতির ধোঁয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংশয়ে থাকি। ইসলামি শরিয়তের আলোকে ধূমপান এবং রোজা ভঙ্গের বিভিন্ন কারণ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
খন্দকের ময়দানে তখন চলছে এক মহাকাব্যিক ব্যাকরণ। মুসলমানেরা দিনরাত পরিখা খনন করছেন। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর কোদাল নিয়ে গভীর পরিখা খুঁড়ছেন। কিন্তু আজ তাঁর মনটা ভারী। কারণ তিনি দেখলেন, প্রিয় নবীজি (সা.) ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেটে পাথর বেঁধে কাজ করছেন। জাবির (রা.)-এর হৃদয় কেঁপে উঠলো।
৮ ঘণ্টা আগে