ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়তসহকারে পানাহার, যৌন সম্ভোগ ও অন্যান্য নির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ থেকে বিরত থাকাকে সাওম বা রোজা বলা হয়। তবে অসাবধানতাবশত বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে কিছু কাজ করলে রোজা ভেঙে যায়। নিচে রোজা ভঙ্গের প্রধান ও সূক্ষ্ম কারণগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
সাধারণত এই তিনটি কাজ করলে রোজা সরাসরি ভেঙে যায়: ১. ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কিছু খাওয়া। ২. ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কিছু পান করা। ৩. রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা।
প্রধান কারণ ছাড়া আরও কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে রোজা ভেঙে যায়, যা আমাদের অনেকেরই অজানা:
ভুল ধারণার কারণে ভুল: ভুলবশত কিছু খেয়ে ফেলার পর ‘রোজা ভেঙে গেছে’ মনে করে পুনরায় ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু খাওয়া বা পান করা।
ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য: বিড়ি-সিগারেট, হুক্কা বা অন্য কোনো নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করা।
অখাদ্য বস্তু গ্রহণ: কাঁচা চাল, আটার খামির বা অতিরিক্ত লবণ একসঙ্গে খাওয়া। এ ছাড়া কাঠ, লোহা, পাথর, মাটি, কয়লা বা কাগজের মতো বস্তু (যা সাধারণত খাওয়া হয় না) গিলে ফেলা।
মুখের ভেতর রক্ত বা থুতু: দাঁত থেকে রক্ত বের হওয়ার পর যদি রক্তের পরিমাণ থুতুর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে। এ ছাড়া নিজের থুতু হাতে নিয়ে পুনরায় তা গিলে ফেললেও রোজা নষ্ট হয়।
প্রাকৃতিক পরিস্থিতি: বৃষ্টির ফোঁটা বা বরফের টুকরা খাদ্যনালির ভেতরে চলে গেলে।
বমি করা: ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা অথবা বমি আসার পর তা পুনরায় গিলে ফেলা।
জোরপূর্বক কিছু খাওয়ানো: কাউকে যদি জোরজবরদস্তি করে কিছু খাওয়ানো বা পান করানো হয়, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে।
ভোরে পানের অবশিষ্টাংশ: মুখে পান বা অন্য কিছু নিয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া এবং ওই অবস্থায় সেহরির সময় শেষ হয়ে যাওয়া।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
জীবন চলায় বিপদ বা সমস্যা কখনো বলে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—কীভাবে বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ ভারতের প্রখ্যাত হানাফি আলেম, হাদিস বিশারদ ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) ছিলেন দেওবন্দি আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রাণপুরুষ। তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের সুবাস আজও সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
২১ ঘণ্টা আগে
শুকনো বালির রাজ্যে দিগন্তরেখা পর্যন্ত কেবল ধু-ধু প্রান্তর। ধূসর পাহাড় আর রুক্ষ পাথুরে মাটির বুক চিরে এঁকেবেঁকে চলে গেছে পথ। সেই পথে হেঁটে চলেছে একদল মুসাফির। তাঁরা প্রিয় নবী (সা.)-এর শহর মদিনার উদ্দেশ্যে হিজরত করছে। তাঁদের গোত্রের নাম আশআরি। তাঁদের নেতৃত্বে আছেন হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.)।
২১ ঘণ্টা আগে