
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, জ্ঞানসম্পন্ন ও মুকিম (যিনি মুসাফির নন) মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব, যদি তিনি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন।
১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা কিংবা এর সমমূল্যের নগদ অর্থ বা সম্পদ থাকে, তার কোরবানি করা আবশ্যক। বর্তমানে সোনা ও রুপার মূল্যের পার্থক্যের কারণে রুপার নিসাবকেই (৫২.৫ তোলা) মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়।
স্বামী-স্ত্রী উভয়ে সামর্থ্যবান হলে করণীয়: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, ‘সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করো ও কোরবানি করো।’ (সুরা কাউসার: ২)। এই নির্দেশ সামর্থ্যবান প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে প্রযোজ্য। তাই স্বামী ও স্ত্রী যদি আলাদাভাবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তবে উভয়ের ওপর পৃথকভাবে কোরবানি করা ওয়াজিব। স্বামীর কোরবানি স্ত্রীর জন্য যথেষ্ট হবে না এবং স্ত্রীর কোরবানি স্বামীর জন্য যথেষ্ট হবে না।
অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর কাছে নগদ টাকা না থাকলেও সোনা বা রুপার অলংকার থাকে। যদি ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত সোনা-রুপার সম্মিলিত মূল্য নিসাব পরিমাণ হয়, তবে ওই স্ত্রীর ওপর কোরবানি করা বাধ্যতামূলক।
স্বামী ও স্ত্রী দুজনই সামর্থ্যবান হলে দুটি আলাদা ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কোরবানি দিতে হবে। আর গরু বা উটের মতো বড় পশুতে সাতজন পর্যন্ত শরিক হওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী একটি গরুর দুটি আলাদা অংশে (শেয়ারে) শরিক হয়ে কোরবানি দিতে পারেন। এতে উভয়ের ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে।
শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, কোরবানি মূলত যার সম্পদ তার ওপরই অর্পিত দায়িত্ব। তবে স্ত্রী যদি সামর্থ্যবান হন এবং স্বামী নিজের অর্থ দিয়ে স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করে দিতে চান, তবে স্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে তা জায়েজ হবে এবং স্ত্রীর কোরবানি আদায় হয়ে যাবে।

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
২ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৪ ঘণ্টা আগে