
দৈনন্দিন জীবনে মুসলমানেরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আহ্বানের জন্য আজান দিয়ে থাকেন। আজান ইসলামের অন্যতম নিদর্শন। হিজরতের প্রথম বছরেই মদিনায় আজানের প্রচলন শুরু হয়। এর আগে মক্কায় আজান ছাড়াই জামাত অনুষ্ঠিত হতো।
আজানের বাক্যগুলো সাধারণত সব ওয়াক্তে একই থাকে, তবে ফজরের আজানে অতিরিক্ত একটি বাক্য যোগ করতে হয়—‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’, অর্থাৎ, ঘুম থেকে নামাজ উত্তম। কখনো এমন হতে পারে যে, মুয়াজ্জিন ভুলবশত এই বাক্য বলতে ভুলে গেলেন। যদি এমন হয়, তাহলে আজান শুদ্ধ হবে নাকি আবার আজান দিতে হবে?
ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্র অনুযায়ী, ফজরের আজানে ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’ বলা মুস্তাহাব। এটি আজানের রুকন বা আবশ্যক কোনো অংশ নয়। এ ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় মনে রাখতে হবে:
১. যদি কোনো মুয়াজ্জিন ভুলবশত বাক্যটি ছেড়ে দেন, তবে তাঁর আজান বাতিল বা অশুদ্ধ হবে না। এমনকি আজানটি মাকরুহও হবে না। এই শব্দগুলো বাদে দেওয়া আজান দিয়েই নামাজের ঘোষণা এবং সুন্নতে মুআক্কাদা আদায়ের হুকুম পূরণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, পুনরায় আজান দেওয়া আবশ্যক নয়।
২. আর যদি আজানের মধ্যেই মনে পড়ে যে বাক্যটি বাদ পড়েছে, তবে উত্তম হলো তখনই বাক্যটি উচ্চারণ করে আজানের বাকি অংশ শেষ করা। এতে আজানের পরিপূর্ণতা বজায় থাকে।
৩. যদি আজান পুরোপুরি শেষ করার পর মনে পড়ে যে বাক্যটি বলা হয়নি, তবে পুনরায় আজান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মনের প্রশান্তি ও আজানকে পূর্ণাঙ্গ করার উদ্দেশ্যে চাইলে মাইক ছাড়া বা নিচু স্বরে পুনরায় আজান দেওয়া যেতে পারে। এটি একটি ঐচ্ছিক বিষয়, বাধ্যতামূলক নয়।
তথ্যসূত্র: তুহফাতুল ফুকাহা: ১/১১১, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/৫৬, রদ্দুল মুহতার (ফাতাওয়ায়ে শামি): ১/৬৩৯

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
জীবন চলায় বিপদ বা সমস্যা কখনো বলে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—কীভাবে বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হয়।
১ দিন আগে
ব্রিটিশ ভারতের প্রখ্যাত হানাফি আলেম, হাদিস বিশারদ ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) ছিলেন দেওবন্দি আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রাণপুরুষ। তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের সুবাস আজও সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
১ দিন আগে
শুকনো বালির রাজ্যে দিগন্তরেখা পর্যন্ত কেবল ধু-ধু প্রান্তর। ধূসর পাহাড় আর রুক্ষ পাথুরে মাটির বুক চিরে এঁকেবেঁকে চলে গেছে পথ। সেই পথে হেঁটে চলেছে একদল মুসাফির। তাঁরা প্রিয় নবী (সা.)-এর শহর মদিনার উদ্দেশ্যে হিজরত করছে। তাঁদের গোত্রের নাম আশআরি। তাঁদের নেতৃত্বে আছেন হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.)।
১ দিন আগে