ফয়জুল্লাহ রিয়াদ

মৃত্যু—এমন এক অনিবার্য বাস্তবতা, যা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চাই সে মুসলমান হোক কিংবা অমুসলিম, ইমানদার হোক কিংবা বেইমান, আস্তিক হোক কিংবা নাস্তিক। তবে আশ্চর্যজনক বাস্তবতা হলো, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মৃত্যু থেকে পালানোর পথ খুঁজে বেড়িয়েছে অহর্নিশি। কেউ খুঁজেছে আবে হায়াত, কেউবা বিজ্ঞানের উন্নত প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে নিজেকে ভেবেছে অজেয়। তবু দিনশেষে সবাইকে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে মৃত্যুর কাছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তন করবে।’ (সুরা আনকাবুত: ৫৭)
পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নবী-রাসুল, পীর-বুজুর্গ, অভিজ্ঞ আলেম-উলামা, জ্ঞানী দার্শনিক, রাজা-বাদশাহ, দিগ্বিজয়ী সেনাপতি, অপরাজেয় সৈন্যবাহিনী—কেউ মৃত্যুকে পাশ কাটাতে পারেননি। সোনার সিংহাসনে বসে রাজ্য পরিচালনাকারী শাসককেও একদিন কাফনের সাদা কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে। আবার অনাহারে ক্লান্ত দরিদ্র মানুষটিও একই পরিণতির দিকে হেঁটেছেন। পার্থক্য শুধু জীবনের গল্পে। শেষ ঠিকানা সবার এক। জীবনসন্ধ্যায় সবাই মিলিত হয়েছে মৃত্যুর বৃত্তে।
আকাশছোঁয়া দালানকোঠা, মজবুত বাংকার, আধুনিক হাসপাতাল কিংবা বহুস্তরের নিরাপত্তা—সবকিছু পদদলিত করেই মৃত্যু একদিন উপস্থিত হবে প্রতিটি প্রাণীর কাছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা যেখানেই থাকো, (একদিন না একদিন) মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় সুরক্ষিত কোনো দুর্গের ভেতরেও অবস্থান করো, তবুও।’ (সুরা নিসা: ৭৮)
দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমরা জানি মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, তবু প্রস্তুত নই মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। এখন নয়, পরে; আজ নয়, কাল—এসব মিথ্যা আশ্বাসেই জীবন চলে যায়। আমরা ভাবি সময় আছে, অথচ সবচেয়ে অনিশ্চিত সময়েই মৃত্যু আমাদের দুয়ারে এসে হাজির হয়।
মৃত্যু মানেই সবকিছুর সমাপ্তি নয়। এটি পরকালীন অনন্ত জীবনের সূচনা। যারা এ সত্য উপলব্ধি করে, তারা দায়িত্বশীল হয়ে বাঁচে। সব ধরনের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। মৃত্যু অনিবার্য, তবে তার পরিণতি নির্ভর করে আমাদের কৃতকর্মের ওপর। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হলো, মৃত্যুর ভয় পরিত্যাগ করে যথোপযুক্ত প্রস্তুতির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো।
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস, সুন্নাহ রাজাবাড়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

মৃত্যু—এমন এক অনিবার্য বাস্তবতা, যা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চাই সে মুসলমান হোক কিংবা অমুসলিম, ইমানদার হোক কিংবা বেইমান, আস্তিক হোক কিংবা নাস্তিক। তবে আশ্চর্যজনক বাস্তবতা হলো, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মৃত্যু থেকে পালানোর পথ খুঁজে বেড়িয়েছে অহর্নিশি। কেউ খুঁজেছে আবে হায়াত, কেউবা বিজ্ঞানের উন্নত প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে নিজেকে ভেবেছে অজেয়। তবু দিনশেষে সবাইকে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে মৃত্যুর কাছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তন করবে।’ (সুরা আনকাবুত: ৫৭)
পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নবী-রাসুল, পীর-বুজুর্গ, অভিজ্ঞ আলেম-উলামা, জ্ঞানী দার্শনিক, রাজা-বাদশাহ, দিগ্বিজয়ী সেনাপতি, অপরাজেয় সৈন্যবাহিনী—কেউ মৃত্যুকে পাশ কাটাতে পারেননি। সোনার সিংহাসনে বসে রাজ্য পরিচালনাকারী শাসককেও একদিন কাফনের সাদা কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে। আবার অনাহারে ক্লান্ত দরিদ্র মানুষটিও একই পরিণতির দিকে হেঁটেছেন। পার্থক্য শুধু জীবনের গল্পে। শেষ ঠিকানা সবার এক। জীবনসন্ধ্যায় সবাই মিলিত হয়েছে মৃত্যুর বৃত্তে।
আকাশছোঁয়া দালানকোঠা, মজবুত বাংকার, আধুনিক হাসপাতাল কিংবা বহুস্তরের নিরাপত্তা—সবকিছু পদদলিত করেই মৃত্যু একদিন উপস্থিত হবে প্রতিটি প্রাণীর কাছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা যেখানেই থাকো, (একদিন না একদিন) মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় সুরক্ষিত কোনো দুর্গের ভেতরেও অবস্থান করো, তবুও।’ (সুরা নিসা: ৭৮)
দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমরা জানি মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, তবু প্রস্তুত নই মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। এখন নয়, পরে; আজ নয়, কাল—এসব মিথ্যা আশ্বাসেই জীবন চলে যায়। আমরা ভাবি সময় আছে, অথচ সবচেয়ে অনিশ্চিত সময়েই মৃত্যু আমাদের দুয়ারে এসে হাজির হয়।
মৃত্যু মানেই সবকিছুর সমাপ্তি নয়। এটি পরকালীন অনন্ত জীবনের সূচনা। যারা এ সত্য উপলব্ধি করে, তারা দায়িত্বশীল হয়ে বাঁচে। সব ধরনের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। মৃত্যু অনিবার্য, তবে তার পরিণতি নির্ভর করে আমাদের কৃতকর্মের ওপর। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হলো, মৃত্যুর ভয় পরিত্যাগ করে যথোপযুক্ত প্রস্তুতির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো।
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস, সুন্নাহ রাজাবাড়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। যারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে তাঁর কাছে ফিরে আসে, তিনি তাদের পরম আদরে গ্রহণ করেন। আল্লাহ চান, বান্দা তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে হাত তুলুক। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই...
১ দিন আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা জ্ঞান অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করে তাকে অন্যান্য সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন মূলত জ্ঞানের মাধ্যমেই। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই জ্ঞান চর্চাকে ইমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
২ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২ দিন আগে