Ajker Patrika

গোসলের ফরজ কয়টি ও কী কী

ইসলাম ডেস্ক 
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ০৭
গোসলের ফরজ কয়টি ও কী কী
প্রতীকী ছবি

একজন মুমিনের ইবাদত কবুল হওয়ার প্রাথমিক শর্ত হলো পবিত্রতা। পবিত্রতা ছাড়া নামাজ বা অন্য কোনো ইবাদত মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘যদি তোমরা অপবিত্র অবস্থায় থাকো, তাহলে নিজেদের শরীর (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদা: ৬)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পবিত্রতা ইমানের অংশ।’ (সহিহ মুসলিম)। ইবাদতে পূর্ণতা পেতে ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম জানা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যক।

গোসলের ফরজ ৩টি

গোসলের সময় নিচের তিনটি কাজের কোনো একটি বাদ পড়লে গোসল শুদ্ধ হবে না এবং ব্যক্তি অপবিত্রই থেকে যাবেন:

১. কুলি করা: মুখ ভরে পানি নিয়ে ভালোভাবে গড়গড়াসহকারে কুলি করা।

২. নাকে পানি দেওয়া: নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো এবং পরিষ্কার করা।

৩. পুরো শরীর ভেজানো: মাথার চুল থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত দেহের প্রতিটি ছিদ্রে পানি পৌঁছানো।

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম

রাসুলুল্লাহ (সা.) যেভাবে গোসল করতেন, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ফরজ আদায়ের পাশাপাশি সুন্নতের সওয়াবও পাওয়া যায়:

নিয়ত ও হাত ধোয়া: প্রথমে মনে মনে পবিত্রতার নিয়ত করে দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধুয়ে নেওয়া।

পরিচ্ছন্নতা: এরপর গোপন অঙ্গ ও শরীরের কোনো অংশে অপবিত্রতা লেগে থাকলে তা পরিষ্কার করা। এ ছাড়া প্রস্রাব করে নেওয়া উত্তম, যাতে অভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা পুরোপুরি বের হয়ে যায়।

অজু করা: নামাজের অজুর মতো পূর্ণাঙ্গ অজু করা। তবে গোসলের স্থানে পানি জমে থাকলে পা সবার শেষে ধুতে হবে।

মাথায় পানি: মাথায় তিনবার পানি ঢালা, যেন সে পানি পুরো শরীরে বয়ে যায়।

পুরো শরীর ধোয়া: প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাঁ অংশে পানি ঢেলে পুরো শরীর ভালোভাবে ধৌত করা।

শরীরের একটি চুল পরিমাণ জায়গাও যদি শুকনো থাকে, তবে ফরজ গোসল হবে না। তাই তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করা মুমিনের দায়িত্ব।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত