
গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য সম্প্রতি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। ফিরেছেন বিএনপিতে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন তিনি। নির্বাচনী প্রস্তুতি ও তাঁর রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সঙ্গে।
আজকের পত্রিকা: কেমন আছেন আপনি?
মো. আসাদুজ্জামান: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন বলে মনে করছেন?
মো. আসাদুজ্জামান: ভোটাররা দেখবেন, দেশের এবং এই এলাকার উন্নয়ন, শান্তি ও স্বস্তির জন্য আমি যোগ্য প্রার্থী; এ কারণেই ভোটাররা আমাকে ভোট দেবেন।
আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর আপনার শ্রদ্ধা কতটা?
মো. আসাদুজ্জামান: অবশ্যই শ্রদ্ধা আছে। প্রতিদ্বন্দ্বী যাঁরা আছেন, আমি মনে করি, তাঁরা প্রত্যেকেই ভালো প্রার্থী। প্রত্যেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন।
আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন?
মো. আসাদুজ্জামান: ভোট যেভাবে চলছে, এই প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষভাবে যদি হয়, নিশ্চয়ই মেনে নেব, কেন মেনে নেব না। ভোট তো জয়-পরাজয়ের জন্যই। ভোট তো শুধু জয়ের জন্য না। আমি জিতলে ভোট ভালো, আমি হারলে ভোট খারাপ, এটা না। যদি ব্যাপকভাবে পাবলিক পারসেপশনে দেখা যায়, ভোটে কোনো কারসাজি হয়েছে, সে ক্ষেত্রে আমি বলব। কিন্তু আমি তো ভোটের রেজাল্ট মেনে নেওয়ার জন্যই প্রার্থী হয়েছি।
আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?
মো. আসাদুজ্জামান: প্রথম অগ্রাধিকার দেব সুশাসনে। সুশাসনের সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় জড়িত। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচারের ধারণা, সুশাসন ও উন্নয়ন জড়িত।
আজকের পত্রিকা: পরাজিত প্রার্থীর কর্মীরা নিরাপদে থাকতে পারবেন কি?
মো. আসাদুজ্জামান: শতভাগ থাকতে পারবেন। সুশাসন মানেই যাঁরা অন্য পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাঁরাও শান্তিতে থাকতে পারবেন। এটাই আমার অঙ্গীকার।
আজকের পত্রিকা: সংসদ সদস্য হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?
মো. আসাদুজ্জামান: অবশ্যই আসবে। কারণ, আমার ট্যাক্স ফাইলে যেটা যাবে, এটা পাবলিক ডকুমেন্ট। পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে আমার যা সম্পদ আছে, যা ইনকাম আছে, আমার যে ট্যাক্স আছে, এটা সবার সামনে আছে। আমি সংসদ সদস্য হওয়ার পর আমার সম্পত্তির হিসাব-নিকাশও জনসমর্থনে আসবে।
আজকের পত্রিকা: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
মো. আসাদুজ্জামান: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই আসন থেকে তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালেও এমপি হন। এবার বিএনপির সরকারে পেয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। মন্ত্রণালয় এবং নিজের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে।
২ দিন আগে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনি। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানের সঙ্গে।
১৯ দিন আগে
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি।
২৪ দিন আগে
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন তিনি। এ ছাড়া এরশাদের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তিনি। গত মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের...
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬