
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী। দীর্ঘদিন লন্ডনে বিবিসির তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি তিনি মুখোমুখি হয়েছিলেন আজকের পত্রিকার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নান্দাইল প্রতিনিধি মিন্টু মিয়া।
আজকের পত্রিকা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে নতুন বাংলাদেশে ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবে?
ইয়াসের খান চৌধুরী: দীর্ঘদিন এ দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। গণ-অভ্যুত্থানের পরে নতুন বাংলাদেশে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমার বাবা সাবেক সংসদ সদস্য আনওয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী নান্দাইল আসনের প্রতিনিধি ছিলেন। জনগণ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করে তাঁকে নান্দাইলের উন্নয়নের সুযোগ দিয়েছিলেন। তাঁরা এবারও একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি আশা করি।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মনোভাব কী?
ইয়াসের খান চৌধুরী: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না আমি। একইভাবে প্রত্যাশা করি, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখবেন না।
আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে ফল মেনে নেবেন?
ইয়াসের খান চৌধুরী: অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ভোটের মাঠে জনগণ যে রায় দেবে, সেটাই মেনে নেব।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনে জয়ী হলে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?
ইয়াসের খান চৌধুরী: নান্দাইল নিয়ে আমার ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। মাদকমুক্ত করা, চাঁদাবাজমুক্ত নান্দাইল গঠন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন আমার অগ্রাধিকার। এ ছাড়া দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, নান্দাইলের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন ও বেকার তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়ে জোর দেব। সড়ক সংস্কার করে যাতায়াতব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাতে চাই।
আজকের পত্রিকা: যদি বিজয়ী হন, সে ক্ষেত্রে পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিষয়ে আপনার অবস্থান কী হবে?
ইয়াসের খান চৌধুরী: দলমত-নির্বিশেষে আমি নান্দাইলের সবার প্রতিনিধিত্ব করব। পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা অবশ্যই নিরাপদে থাকবেন। ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে প্রতিহিংসা থাকবে না।
আজকের পত্রিকা: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?
ইয়াসের খান চৌধুরী: আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সংসদে যাব। ইনশা আল্লাহ সব বরাদ্দ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই আসন থেকে তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালেও এমপি হন। এবার বিএনপির সরকারে পেয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। মন্ত্রণালয় এবং নিজের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে।
২ দিন আগে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনি। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানের সঙ্গে।
১৯ দিন আগে
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি।
২৪ দিন আগে
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন তিনি। এ ছাড়া এরশাদের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তিনি। গত মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের...
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬