
বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় মার্কিন কফি চেইন ‘স্টারবাকস’। তবে এই কোম্পানিকে ৫০ মিলিয়ন ডলার (৬০৬ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত। এই অর্থ দিতে হবে একজন ডেলিভারি ড্রাইভারকে। কারণ, স্টারবাকসের একটি গরম কফির ঢাকনা সুরক্ষিত না থাকায় গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছিলেন তিনি।
আজ রোববার সিএনএন জানিয়েছে, ডেলিভারি ড্রাইভার মাইকেল গার্সিয়া লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ‘ড্রাইভ-থ্রু’ থেকে কফি সংগ্রহ করার সময় গুরুতরভাবে পুড়ে গিয়েছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গরম কফি ছিটকে পড়ায় গার্সিয়া গুরুতরভাবে পুড়ে যান। এতে তাঁর চেহারায় বিকৃতি ঘটে এবং তাঁর যৌনাঙ্গের ক্ষতি হয়।
২০২০ সালে ক্যালিফোর্নিয়া সুপিরিয়র কোর্টে করা ওই মামলায় স্টারবাকসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, প্রতিষ্ঠানটি যথাযথভাবে ঢাকনা সুরক্ষিত না করে দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছে।
গার্সিয়ার আইনজীবী মাইকেল পার্কার জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল তিনটি কফি সংগ্রহ করছিলেন এবং একটি গরম কফি সম্পূর্ণরূপে পাত্রের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়নি। স্টারবাকসের কর্মী যখন গার্সিয়াকে অর্ডারটি দেন, তখন একটি কফি পাত্রের বাইরে পড়ে যায় এবং তা গার্সিয়ার শরীরে পড়ে গুরুতর ক্ষতি করে।
আদালতের রেকর্ড অনুসারে, গার্সিয়ার ক্ষতির মধ্যে রয়েছে শারীরিক যন্ত্রণা, মানসিক যন্ত্রণা, জীবনের আনন্দ হারানো, অপমান, অসুবিধা, শোক, বিকৃতি, শারীরিক অক্ষমতা, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ।
স্টারবাকস কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা মিস্টার গার্সিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল। তবে আমরা জুরির সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নই যে এই ঘটনার জন্য আমরা দায়ী। আমরা বিশ্বাস করি, প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ অনেক বেশি হয়ে গেছে। আমরা সর্বদা আমাদের স্টোরগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মান বজায় রাখার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে গরম পানীয় পরিচালনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
এই মামলাি ১৯৯৪ সালের একটি বিখ্যাত মামলার কথা মনে করিয়ে দেয়। ম্যাকডোনাল্ডসের বিরুদ্ধে সেই মামলায়, স্টেলা লিবেক নামের এক নারী দুর্ঘটনাবশত গরম কফি তাঁর কোলে ফেলে দিয়েছিলেন। এতে তিনি গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁকে প্রায় ৩০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে